আমার হিস্টোপ্যাথলজি ও সাইটোপ্যাথলি প্রাক্টিস

আমার হিস্টোপ্যাথলজি ও সাইটোপ্যাথলি প্রাক্টিস
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

১৯৯৫ সনে প্যাথলজিতে এম ফিল পাস করে প্যাথলজি বিশেষজ্ঞ হলাম। ফিরে এলাম প্রভাষক পদে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের প্যাথলজি বিভাগে মার্চ মাসে ১৯৯৬ সনে। ময়মনসিংহ শহরের সেহড়া এলাকায় বাসাভাড়া নিয়ে পরিবার নিয়ে থাকা শুরু করলাম। তখন প্যাথলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন প্রফেসর ডাঃ শাহ মুনির হোসেন স্যার। এসিস্টেন্ট প্রফেসর পদে ছিলেন ডাঃ মীর্জা হামিদুল হক স্যার। তিনি পরে প্রমোশন পেয়ে পেয়ে অধ্যাপক হন এবং শেষে অধ্যক্ষ হিসাবে অবসর নিয়ে কমিউনিটি বেইজড মেডিকেল কলেজে যোগদান করে সেখানকার অধ্যক্ষ হন। ডাঃ আমিনুল হক স্যার ছিলেন তখন কিউরেটর। পরে প্রমোশন পেয়ে পেয়ে অধ্যাপক ও শেষে অধ্যক্ষ হিসাবে অবসর নিয়ে প্যাথলজি বিভাগীয় প্রধান হিসাবে কিশোরগঞ্জ প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ মেডিকেল কলেজে যোগদান করেন।

সেইসময় ডিপার্টমেন্ট-এর হিস্টোপ্যাথলজি, সাইটোপ্যাথলজি ও হেমাটোলজির বেশীরভাগ রিপোর্ট করতেন মীর্জা হামিদুল হক স্যার। আমি ডিপার্টমেন্ট-এ যোগদান করেই মীর্জা স্যারের সাথে কাজে লেগে থাকতাম। নিজে ক্যান্সারের নমুনা খালি চোখে পর্যবেক্ষণ করে লিখে রাখতাম। স্লাইড তৈরি হলে নিজে মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখে বিস্তারিত বর্নণা ও ডায়াগনোসিস (রোগের নাম) লিখে রাখতাম। পরেরদিন সকালে এসে স্যারকে একটা একটা করে স্লাইড দেখাতাম। শেষে রিপোর্ট ফরমে রিপোর্ট লিখে স্বাক্ষর করতাম। প্রত্যেক রিপোর্ট-এ স্যারের কাউন্টারসাইন নিতাম। রিপোর্টকারী হিসাবে আমার নামের সীল থাকতো। একজন প্রভাষক হিসাবেই আমার নাম বেপক আকারে রিপোর্ট-এ প্রকাশ হতে থাকে। তখন প্রতি বৃহস্পতিবারে সব ডিপার্টমেন্ট-এর শিক্ষক, চিকিৎসক ও ছাত্রদের নিয়ে ক্লিনিক্যাল মিটিং-এ জটিল বা গুরত্বপুর্ণ বা ইন্টারেস্টিং কেইস প্রেজেন্ট করা হত। প্যাথলজি বিভাগ থেকে আমি পর পর কয়েকটি প্রেজেন্টেশন করি। সোমবারের জার্নাল ক্লাবের সেমিনারেও আমি পরপর কয়েকটি আর্টিকেল প্রেজেন্ট করি। এতে আমার পরিচিতি দ্রুত প্রসার লাভ করে। অনেকেরই ধারনা হয় যে আমি সদ্য এম ফিল পাস করে প্যাথলজির লেটেস্ট জ্ঞান অর্জন করেছি। প্রত্যেক রিপোর্ট-এ আমার নাম থাকাতে আমাকে ক্লিনিসিয়ানরা একজন সিনসিয়ার প্যাথলজিস্ট হিসাবে চিনতে থাকেন। তখন এফএনএসি নামের একটি নতুন পরীক্ষা চালু হয়েছিল। সুই দিয়ে এক ফোটা রস নিয়ে মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখে রোগ নির্নয় করা হয় এই পদ্ধতিতে। যেহেতু সেল বা কোষ দেখে রোগ নির্নয় করা হয় সেহেতু এটাকে সাইটোপ্যাথলজি পরীক্ষার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। টিউমার বা রোগাক্রান্ত স্থানের কিছু অংশ বা সম্পুর্ন অংশ কেটে নিয়ে স্লাইড বানিয়ে মাইক্রোস্কোপ দিয়ে টিস্যু কলা দেখে রোগ নির্নয় করাকে বায়োপ্সি বা হিস্টোপ্যাথলজি পরীক্ষা বলা হয়। নমুনা সংগ্রহের ২০ মিনিটের মধ্যেই এফএনএসি রিপোর্ট দেয়া যায়। হিস্টোপ্যাথলজি রিপোর্ট দিতে দুই/তিন লেগে যায়। তবে হিস্টোপ্যাথলজি রিপোর্ট সবচেয়ে বেশী নির্ভুল।

মীর্জা স্যারের সাথে বেশী বেশী সময় দেয়ার সুবাদে স্যারের সাথে ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক ঘটনাবলীও আমরা শেয়ার করতে থাকি। প্রাইভেট ল্যাবরেটরিতে কিভাবে হিস্টো-সাইটো প্রাক্টিস শুরু করতে পারি এ নিয়ে স্যারের সাথে কথা বলি। স্যার বলেন “সাদেক, কষ্ট হলেও নিজে ল্যাবরেটরি দিয়ে সেই ল্যাবরেটরিতে প্রাক্টিস করবেন। আপনি শুরু করেন আমি হেল্প করব।” স্যারের কথার গুরত্ব আমি বুঝতে পারি। আমি পরিকল্পনা করা শুরু করলাম একটা প্রাইভেট প্যাথলজি প্রতিষ্ঠা করার জন্য। এমন সময় আমিনুল হক স্যার এক বছরের জন্য ব্যাংককে সাইটোপ্যাথলজির উপর একটা প্রশিক্ষণ করার সুযোগ পেলেন ডব্লিও এইচও -এর অর্থায়নে। তার সাথে গোলাম মোস্তফা স্যারও পেলেন এই সুযোগ। গোলাম মোস্তফা স্যার প্রমোশন পেয়ে পেয়ে অধ্যাপক হয়ে অবসরে গিয়েছেন। এখন তিনি দেশের একজন নামকরা সাইটোপ্যাথলজিস্ট। আমিনুল স্যার প্রস্তাব দিলেন
– আসেন আমরা যৌথভাবে প্যাথলজি প্রাক্টিস করি একই ল্যাবরেটরিতে।
– আমি স্বাধীনভাবে নিজের ল্যাবে প্রাক্টিস করতে চাই। আমি একটা ল্যাব প্রতিষ্ঠা করার চিন্তাভাবনা করছি।
– ঠিক আছে করেন। তবে এক বছর পরে করেন। আমি এক বছরের জন্য ব্যাংকক যাচ্ছি। এই সময় আপনি স্বাধীনভাবে আমার ল্যাবরেটরিতে প্রাক্টিস করেন। তাতে আপনার একটু অভিজ্ঞতা বাড়বে। আমি ফিরে আসার পরই আপনারটা শুরু করবেন।
– ঠিক আছে। আপনি ফিরে আসার ঠিক এক মাস আগে আমি আমারটা শুরু করব।
– তাই হোক।

আমিনুল স্যার চলে গেলেন এক বছরের জন্য। মাঝে একবার এসে পিএসসি পরীক্ষায় ভাইভা দিয়ে চলে গেলেন। তিনি সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন। মীর্জা স্যার পদোন্নতি পেলেন সহযোগী অধ্যাপক পদে। আমি স্বাধীনভাবে আমিনুল হক স্যারের হক প্যাথলজি ল্যাব এগারো মাস সুনামের সাথেই চালালাম। হক প্যাথলজির প্যাথলজিস্ট হিসাবেও পরিচিতি পেলাম। ডায়াগনোসিস করতে একটু কষ্ট হলেই মীর্জা স্যারের শরণাপন্ন হতাম। যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন মীর্জা স্যারের কাছে স্লাইড নিয়ে গেলে কখনোই তিনি ফিরিয়ে দিতেন না। যতদিন যাবৎ আমি ময়মনসিংহে প্রাক্টিস করছি এমন কোন মাস বা সপ্তাহ নাই যে আমি দুই একটি স্লাইড মীর্জা স্যারের সাথে কনসাল্ট করি নাই। চাই সরকারী ল্যাবে, চাই তার বেসরকারি মীর্জা প্যাথলজি ল্যাবে। স্লাইড দেখানোর পাশাপাশি স্যারের কাছ থেকে মজার মজার অভিজ্ঞতা ও গল্প শুনেছি অনেক। স্যার রাজনীতিতে খুবই সক্রিয়। তিনি অনেকবার ময়মনসিংহ বিএমএ-এর সভাপতি হয়েছেন। আমি রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় না। স্যারের সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা থাকাতে সামাজিকভাবে আমি বেশ নিরাপদেই ছিলাম এবং আছি।

১৯৯৭ সনে আমিনুল হক স্যার দেশে ফেরার দুইমাস আগ থেকেই আমার ল্যাবরেটরির জন্য কেনাকাটা শুরু করলাম। আমার হাতে তেমন পুঁজি ছিল না। আমার স্ত্রী ফিরোজা আক্তার স্বপ্নার কাছে বেশ কিছু গচ্ছিত টাকা ছিল। বিয়ের সময় মোহরানা হিসাবে যে টাকা দিয়েছিলাম সেই টাকা এবং উপহার হিসাবে প্রাপ্ত টাকা মিলে বেশ কিছু টাকা তার কাছে ছিল। তাকে পরামর্শ দিলাম এই টাকা দিয়ে তার মালিকানায় একটি প্যাথলজি ল্যাবরেটরি করতে। সে রাজী হলো। ল্যাবের কি নাম দিব এনিয়ে ভাবলাম। মীর্জা হামিদুল হক স্যারের ল্যাবের নাম মীর্জা প্যাথলজি, আমিনুল হক স্যারের প্যাথলজির নাম হক প্যাথলজি। চিন্তা করলাম, আমারটার নাম দিব ইসলাম প্যাথলজি। ভেবে দেখলাম, ডাক্তার কমিউনিটিতে আমি তালুকদার নামে পরিচিত। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম ল্যাবের নাম দেয়া হবে ‘তালুকদার প্যাথলজি ল্যাব।’ অবশেষে ফিরোজা আক্তারের মালিকানায় তালুকদার প্যাথলজি ল্যাব নাম দিয়ে রেজিস্ট্রেশন-এর জন্য দরখাস্ত করা হল। হক প্যাথলজির সাথে মিল রেখে রিএজেন্ট ও যন্ত্রপাতি কিনে ফেলমাম। ভাড়া করা বিল্ডিং-এ ল্যাবরেটরি সজ্জিত করা হলো। অন্য ল্যাবরেটরি থেকে কিছু টেকনোলজিস্ট ও স্টাফ চেয়ে নিয়ে আমার ল্যাবে চাকরি দিলাম। নিজের নামে ল্যাবরেটরি করে স্বাধীনভাবে প্রাক্টিস করার সিদ্ধান্তে মীর্জা স্যার ও হক স্যার দুইজনই খুশী হলেন। হক স্যার দেশে ফেরার সম্ভাব্য তারিখের ঠিক এক মাস আগে আমি আমার ল্যাব উদ্ভোদন করলাম। কিছু কিছু কাজ পেতে লাগলাম।

১৯৯৮ বা ১৯৯৯ সনে বিএমএ আয়োজিত একটা বিরাট চিকিৎসক সমাবেশ হয়। সেই সমাবেসে এতো চিকিৎসক সমবেত হয় যে দুই গ্যালারিতে বসতে দিতে হয়। সেই সমাবেসে সাইন্টিফিক সেসনে আমি এফএনএসি-এর উপর একটি পেপার প্রেজেন্ট করি। উপজেলা লেভেল থেকে আগত অনেক চিকিৎসকই এফএনএসি সম্পর্কে জানতেন না। আমার প্রেজেন্টেশন শোনার পর অনেকেই আমাকে ধন্যবাদ দেন। আমাদের সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিএমএ-র প্রাক্তন সভাপতি, প্যাথলজি বিভাগের সাবেক প্রধান, অধ্যক্ষ ডাঃ আব্দুল হক স্যারকে কমেন্ট করতে বলা হলে তিনি আমার অনেক প্রশংসা করেন। তিনি আমার শিক্ষক ছিলেন। কমেন্ট করতে গিয়ে একটি ঘটনার উল্লেখ করেন। তার বর্ননাটি ছিল এইরূপ:

গত কয়েকদিন আগে আমার এক আত্বীয় এই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি ছিলেন। তার গলায় একটা লিম্ফ নোড বড় হয়েছিল। আমার লোকেরা বলল যে গলা থেকে টিস্যু নেয়া হয়েছে সকালে। বিকেলেই বলল যে রিপোর্ট দেয়া হয়েছে যে রুগীর ক্যান্সার হয়েছে। আমি বললাম যে এটা অসম্ভব। সকালে টিস্যু নিয়ে বিকেলে রিপোর্ট দিবেন। এটা হতেই পারে না। আমি রুগীর কাছে গিয়ে দেখি ঠিকই। আমার এক ছাত্র ডাঃ সাদেক সম্প্রতি এম ফিল পাস করে এসেছে। সে এফএনএসি পরীক্ষা করে লিখে দিয়েছে এটা মেটাস্টেটিক এডেনো কার্সিনোমা। সত্যি কথা বলতে কি আমাদের সময় এই পরীক্ষাই ছিল না। আমরা শুধু বায়োপ্সি পরীক্ষা করে বলে দিতে পারতাম এটা কি রোগ। তা করতে তিন থেকে সাতদিন সময় লেগে যেতো। আর আমার এই ছাত্র মাত্র কয়েক ঘন্টায়ই ক্যান্সারের রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছে। ধন্যবাদ জানাই আমার এই ইয়াং প্যাথলজিস্টকে।

আব্দুল হক স্যারের কমেন্ট শুনে আমি আনন্দে আত্বহারা হয়ে পড়ি। ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও টাংগাইল থেকে আগত উপজেলা লেভেলের চিকিৎসকগণ আমার নাম জেনে গেলেন। এরপর থেকে এইসব এলাকার পরিচিত-অপরিচিত ডাক্তারদের থেকে আমি এফএনএসি ও বায়োপ্সি পরীক্ষার জন্য রিকুয়েস্ট পেতে থাকি। দিন যেতে থাকে আমার ছাত্ররা ডাক্তার হয়ে বের হতে থাকে। আমার সেইসব ছাত্ররা ডাক্তার হয়ে হিস্টোপ্যাথলজি ও সাইটোপ্যাথলজি পরীক্ষার জন্য আমার কাছে পাঠাতে থাকে। ডায়াগনোসিসের ব্যাপারে সন্দেহ থাকলে আমি স্লাইড নিয়ে ছুটে যাই মীর্জা প্যাথলজিতে মীর্জা হামিদুল হক স্যারের কাছে। স্যারকে পাওয়া না গেলে হক প্যাথলজির আমিনুল হক স্যারের কাছে। বস্তুত ময়মনসিংহে এই দুইজন আমার সার্বক্ষণিক শিক্ষক। তারপরও যদি আমার সন্দেহ হয় তবে আমি আমার এম ফিল শিক্ষক প্রফেসর এম কামাল স্যারের নিকট স্লাইড পাঠিয়ে দেই রিভিও করে তার মুল্যবান কমেন্ট লিখার জন্য। কাজেই ঢাকার বুকে আমার সার্বক্ষণিক শিক্ষক হলেন কামাল স্যার। আমার আরেকজন চলমান শিক্ষক আছেন। তিনি হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্রফেসর এম বি জামান স্যার। তিনি তার টিম নিয়ে দুইবছর অন্তর দেশে এসে হিস্টো-সাইটোর লেটেস্ট বিষয়গুলি শিক্ষা দেন। তিনি বিশ্বে একজন বিখ্যাত পাথলজিস্ট। প্রফেসর ডাঃ এএফএম সালেহ ইকবাল আমার এমবিবিএস লাইফের সহপাঠী। সেও ২০০৩ সনের দিকে প্যাথলজিতে এম ডি পাস করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে চলে আসে। ২০০৫ সনের দিকে সে সহকারী অধ্যাপক হয়ে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে চলে যায়। ২০০৮ এর প্রথম সে ময়মনসিংহ চলে আসে আর আমি দিনাজপুর চলে যাই। একটানা ৮ বছর আমি সেখানে ছিলাম। আমার স্বপ্নের তালুকদার প্যাথলজি ল্যাবটি টিকিয়ে রাখার জন্য বন্ধু ইকবালকে আমার ল্যাবে বসাই রিপোর্ট করার জন্য। আমার অবর্তমানে সেই এই ল্যাবের পরীক্ষার রিপোর্ট করেছে। ২০১৬ এর প্রথম দিকে আমি ময়মনসিংহ এসে পড়েছি। সালেহ-এর সাথে বন্ধুত্ব থাকায় তার সাথেও পরামর্শ করে মাঝে মাঝে রিপোর্ট করি। সবকিছু করা হয় রুগীর নির্ভুল রিপোর্টের জন্য। অফিস থেকে এসে সান্ধ্য কালে আমি আমার ল্যাবে প্রাক্টিস করি। ইতিমধ্যে আমার কয়েক ডজন ছাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও সার্জন হয়েছে। তাদেরকে আমাকে কিছু বলতে হয় না। এমনিতেই আমাকে ফেভার করে ভালবেসে। ক্লাস টাইমে ক্লাস নিয়ে এবং প্রাইভেট টাইমে হিস্টোপ্যাথলজি-সাইটোপ্যাথলজি পরীক্ষা করে এবং গ্রাম থেকে আসা আপনজনদের সাথে কথা বলে ভালোই আছি। আল্লাহ আরো কিছুদিন সুস্থভাবে আমাকে বাচিয়ে রাখুন মানবসেবায় নিবেদিত থাকতে।


তারিখ : ২৬/৪/২০১৯ ইং
স্থান: ময়মনসিংহ