মানুষ ফোলে কেন?

 

মানুষ ফোলে কেন?
(স্বাস্থ্য কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

সাভাবিকের চেয়ে বেশী পরিমাণ পানি শরীরে জমলে মানুষ ফুলে যায়। ডাক্তারগণ বলেন ইডেমা হয়েছে। ইডেমা Continue reading “মানুষ ফোলে কেন?”

চোখ কাটা

চোখ কাটা
(স্বাস্থ্য কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

চোখ আমাদের অত্যন্ত মুল্যবান অংগ। তাই আমাদের দুইটি চোখ দিয়েছেন সৃষ্টি কর্তা যেন এক চোখ নষ্ট হয়ে গেলেও আরেক Continue reading “চোখ কাটা”

আমার দেখা হাড়ভাংগা চিকিৎসা

 

আমার দেখা হাড়ভাংগা চিকিৎসা
(স্মৃতিচারণ)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

 

হাড় ভাংগা আর গাছ ভাংগা জোড়া লাগা একই রকম। গাছ ভেংগে পড়ে। মানুষ ভেংগেও পড়ে আবার পড়েও ভাংগে। মটকা গাছ সহজে ভেংগে পড়ে। রোগাক্রান্ত হাড় ও ক্ষয়প্রাপ্ত হাড়ও সহজে ভেংগে যায়। বৃদ্ধ মানুষের পায়ের উপরের অংশ একটু সরু থাকে যাকে নেক অব ফিমার বলা হয়। এইখানেই সাধারণত বৃদ্ধদের ভেংগে যায়। ভালো মানুষ খাড়া অবস্থায় বা হাটা অবস্থায় অথবা একটু চোট খেয়ে মাটিতে পড়ে যায়। সবাই বলে আছার পড়ে ভেংগে গেছে। আসলে বলতে হবে ভেংগে পড়ে গেছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পড়েই ভাংগে। কোন কোন সময় আঘাত লেগে হাড় ভেংগে খন্ড হয়ে যায়, বা ফেটে যায়। কোন কোন সময় একটু সরে যায় বা চোট লাগে। তখন বলি মস্কে গেছে। ভাংগুক আর মস্কুক প্রধান চিকিৎসা হলো হাড়টা যথাস্থানে বসিয়ে যে কোন পদ্ধতিতে নড়াচড়া বন্ধ রাখা। গাছ ভেংগে গেলে আমরা যদি জায়গামত বসিয়ে বেঁধে দেই দেখা যাবে গাছ জোড়া লেগে গেছে। তদ্রুপ হাড় ভেংগে গেলে সোজা করে ঠিক জায়গায় বসিয়ে প্লাস্টার কাস্ট দিয়ে আমরা নির্দিষ্টকাল রেখে দেই। তাতে জোড়া লেগে যায়। কোন ঔষধ লাগে না। তবে ভিটামিন ও প্রোটিন জাতীয় খাবার খেলে তাড়াতাড়ি জোড়া লাগে। কোন কোন সময় মেটালের পাত স্ক্রু দিয়ে ভাংগা হাড়ের সাথে লাগিয়ে দেয়া হয় দ্রুত জোড়া লাগানোর জন্য। অর্থোপেডিএক্স বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন হাড় ভাংগার চিকিৎসা করে থাকেন। আঘাত লেগে চামড়া ছিঁড়ে গেলে ভাংগা হাড়ে ইনফেকশন বা জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে। তখন এন্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয়। Continue reading “আমার দেখা হাড়ভাংগা চিকিৎসা”

একদিন হারিয়ে যেতে চেয়েছিলাম

 

একদিন হারিয়ে যেতে চেয়েছিলাম
(মনে পড়ে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার
সেদিন শেষরাতে ও সকালে খুব বৃষ্টি হয়েছিল। তখন আমার বয়স আর কত Continue reading “একদিন হারিয়ে যেতে চেয়েছিলাম”

এক রিক্সাওয়ালা

 

এক রিক্সাওয়ালা
(মনে পড়ে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার
১৯৯১ সনের কথা। সকাল থেকেই মুশলধারায় বৃষ্টি পড়ছিল। বাসার আশ পাশ হাটু পানি। ঢাকার রায়ের বাজার Continue reading “এক রিক্সাওয়ালা”