আমার বড় ফুফু

আমার বড় ফুফু
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আমি বুঝমান হয়ে দুইজন ফুফু পেয়েছিলাম। আমার আরও দুইজন ফুফু ছিলেন। চাচা পেয়েছিলাম একজন। আরও নাকি Continue reading “আমার বড় ফুফু”

ইন্দ্রজানী

ইন্দ্রজানী
ইন্দ্রজানীকে আমরা ইন্দাজানী বলতাম। ইন্দাজানীতে তেমন কিছুই ছিল না। ইন্দাজানীর হাট ছাড়া এটার তেমন গুরুত্ব ছিল না। ছিল না কোন হাই স্কুল, ছিল না কোন গোলাঘর (দোকানঘর)। এখানে বর্ষাকালে অস্থায়ী হাট বসতো প্রতি মঙ্গলবারে। এটা বসতো পাহাড় ও ভরের সংযোগস্থলে। পাহাড়ের পর নিচু সমতলভুমিকে আমরা ভর অঞ্চল বলতাম। ভরের বড় বড় মহাজন Continue reading “ইন্দ্রজানী”

কচুয়া স্কুলের পথে

কচুয়া স্কুলের পথে
(স্মৃতিচারণ)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ হেটে বাড়ী থেকে কচুয়া পাবলিক হাই স্কুলে যেতাম। আমাদের বাড়ীটা পড়েছে সখিপুর উপজেলার ঢনডনিয়া গ্রামের বড়বাইদ পাড়ার তালুকদার বাড়ী । স্কুলে যাওয়া আসার তিনটি পথ ছিল। একেক সিজনে একেক পথে যেতাম। বর্ষাকালে বাড়ী থেকে কালিয়া পর্যন্ত যেতাম সরু পায়ের পথে। কালিয়া থেকে কচুয়া স্কুল পর্যন্ত হালট ছিল গরুর গাড়ী যাতায়াতের জন্য। শুকনোর সিজনে বাড়ী থেকে চটানের বাইদের মাঝ বরাবর গরুর গাড়ীর পথে কালিয়ার ভন্ডেশ্বর পাড়ার ভিতর দিয়ে ঢুকে হালটে গিয়ে পৌছতাম। হাল্কা শুকনো সিজনে যেতাম সাড়াসিয়া হয়ে রামখার পাশ দিয়ে সোজা কচুয়ায়। কালিয়া-কচুয়ার হালটটি পাকা হয়েছে নব্বইর দশকে। আমি কচুয়া হাই স্কুলে পড়েছি ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সনের মার্চ মাস পর্যন্ত।
Continue reading “কচুয়া স্কুলের পথে”

আমাদের রানার

আমাদের রানার
(মনে পড়ে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আমাদের পোস্ট অফিস ছিল বড় চওনা। কিন্তু চিঠিপত্র পাঠানোর জন্য কচুয়ার পোস্ট অফিস বেশী ব্যবহার করতাম। কচুয়া Continue reading “আমাদের রানার”