মলন

মলন
(স্মৃতিচারণ)
ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

ধান মাড়াই করাকে বলা হত মলন দেয়া। গ্রামে এখন আর মলন দিতে দেখি না। মলন দিতে ৫/৭টি গরুর প্রোয়োজন হতো। এখন কেউ লাংগল দিয়ে হাল চাষ করে না। কেউ গরুর গাড়ি বায় না। তাই গরুর সংখ্যা কমে গেছে। দুইএকজন দুধ খাওয়ার জন্য গরু পালে। কেউ কেউ গরু পালে মোটাতাজা করার জন্য। কোরবানির আগ দিয়ে ভালো দামে বিক্রি করে। লাখ টাকা দাম পায় সেই গরুর। শহরের ছেলে মেয়েরা ষাঁড় ও বলদের পার্থক্য বুঝতে পারে না। গ্রামে বলদ কোরবানি দেয়া হয়েছে শুনে একজন কলেজ পড়ুয়া আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল কয়েকজন মেয়ের উপস্থিতিতে “ষাঁড় ও বলদের মধ্যে পার্থক্য কি?” আমি উত্তর এড়িয়ে অন্য প্রসংগে চলে যাই। তাতে তাদের মনে রহস্যের সৃষ্টি হয়। কিভাবে বুঝাব তা বলতে পারছিলাম না। আপনারাও যদি পার্থক্যটা না বুঝে থাকেন তা হলে বলছি “যে সব ষাঁড়ের অন্ডকোষ গোটকা ডেকে কেটে ফেলা হয় সেগুলি বড় ও উচু হয়। তাদের প্রজনন ক্ষমতা থাকে না। তাদের বলা হয় বলদ।” বলদ দিয়ে বেশী কাজ করানো যায়।

যাহোক, মলনের কাজে সকল প্রকার গরু ব্যবহার করা হতো। পারতপক্ষে ষাঁড় ব্যবহার করা হতো না। ষাঁড় অন্য গরুর জন্য বিরক্তির ছিল। মলনের জন্য ৫, ৬ বা ৭ টি গরু সারিবদ্ধভাবে গলায় রশি দিয়ে বাঁধা হতো। এই রশিকে বলা হতো দাউন। নির্দিষ্ট দুরত্বে দুরত্বে একটা করে পাগা থাকতো সেই দাউনে। দাউনে পাগা লাগানো থাকতো। পাগায় গরুর গলা আটকানো হতো। পাগার এক মাথায় বলের মত গুটি থাকতো আরেক মাথায় আংটার মত ছিদ্র থাকতো। গরুর গলার দুই পাশ দিয়ে উপরে তুলে গুটি আইংটার মধ্যে লাগিয়ে দেয়া হতো। গলার সাইজ ছোট হলে গরু মাথা বের করে ছুটে পালাতো। এটাকে বলা হতো মুরগলা দেয়া। অর্থাৎ মুরগলা দিয়ে গরু ছুটে যেতো। গরুর পায়ের নিচে যেহেতু ধানের হিঞ্জা ( শিষ) থাকত সেহেতু গরু ধানের হিঞ্জা খেয়ে ফেলতো। তাই গরুর মুখে ঠোনা লাগিয়ে দেয়া হতো। ঠোনা বেত, বাঁশ, নও (বনলতা) অথবা দড়ি (রশি) দিয়ে বুনিয়ে বানানো হত। ঠোনা মুখে লাগালে গরু হা করে কিছু মুখে দিত পারতো না। কেউ কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ না করলে আমরা বলতাম “মুখে ঠোনা লাগিয়ে বসে আছো কেন? কিছু বল।” মলন দেয়ার আগে পাকা ধান কেটে আটি বেঁধে বাঁশের বাইকে কাঁধে করে বাড়ি এনে উঠানের এক পাশে পালা (স্তুপ) দেয়া হতো। আমরা পালা বেয়ে উপরে উঠতাম। উপর থেকে লাফ দিয়ে নিচে পড়তাম। মলন দেয়ার সময় পালার উপর থেকে ধানের আটি মাটিতে ফেলা হতো। আটির বাঁন (বাঁধ) খুলে ঝাকি দিয়ে উঠানে ছড়িয়ে দেয়া হতো এলোমেলো করে। তারপর সব গরুগুলিকে দাউনে বাঁধা হতো। মলন উঠানে গোলাকৃতি চাকতির মতো দেখা যেতো। মলনের মাঝখানে রাখা হতো সবচেয়ে বৃদ্ধ গাইটিকে। গাভীকে বলা হতো গাই। যে গাইয়ের শক্তি সবচেয়ে কম হতো তাকে রাখা হতো কেন্দ্র বিন্দুতে। এটাকে বলা হত মেউয়া। মেউয়া এক পা স্থীর রেকে অন্যান্য গরুর সাথে ঘুরতো। তাই তার বাম পায়ে খের পেঁচিয়ে পড়তো। এটাকে বলা হতো মেউয়া পেচ। মাঝে মাঝে মেউয়ার পেচ ছাড়িয়ে দিতে হতো। মেউয়ার ডানে থাকতো গাল মেউয়া। গাল মেউয়া দুর্বল বলদ অথবা অল্প বয়সের গরু থাকতো। এরপর যতই ডানদিকে যাওয়া হত ততই শক্তিশালী ও চঞ্চল স্বভাবের গরু জোড়া হতো। গরুকে মলনের সাথে সামিল করাকে বলা হতো জোড়া। গরু জোড়া শেষ হলে পাজুন হাতে নিয়ে গরুর লেজে ঝাকুনি দিয়ে হইট হইট করলে হরু হাটা শুরু করতো। পাজুন হলো বাঁশের তৈরি গরু পিটানোর চিকন লাঠি। এই পাজুন হাল বাওয়ার সময়ও ব্যবহার করা হতো। তাই এটাকে আইল্লা পাজুনও বলা হতো। কাপুরুষ চাষী এই আইল্লা পাজুন দিয়ে বউ পিটাত। অনেকে ভয় দেখানোর জন্য বলতো “তরে আইল্লা পাজুন দিয়ায়া বাইরামু।” অর্থাৎ গরু পিটানোর লাঠি দিয়ে আঘাত করবে। গরুরা মলনের উপর দিয়ে এন্টি-ক্লকওয়াইজ ডিরেকশনে ঘুরতো। মানে, বামদিকে ঘুরতো। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই বাম দিকে ঘুরি। হজ্জ ও ওমরা করার সময় ক্কাবাঘরের চতুর্দিকে এন্টি-ক্লকওয়াইজ ডিরেকশনে সাতবার ঘুরতে হয় এটাকে বলা হয় তাওয়াফ করা। ক্যাম্পাসে প্রাতঃভ্রমণ করার সময় বেশী ভাগই বাম দিকে ঘুরে। তবে বিয়ের অনুষ্ঠানে সাত পাকে ঘুরার সময় ডান দিকে ঘুরতে হয়।
মলনে একজনে গরু পরিচালনা করে। এটাকে বলা হতো গরু ডাহানো। ডান হাতে পাজুন আর বাম কাহে (কাঁকে) বাচ্চা নিয়ে অনেকে গরু ডাহাইতো। মলনে হাটার সময় গরু চোনাইয়া দিত। গরুর প্রশ্রাবকে বলা হতো চোনা। প্রশ্রাব করাকে বলা হতো চোনানো। চোনা খেরের সাথে মিশে যেতো পাড়ায় পাড়ায়। চোনানোর পর গরু দাঁড়িয়ে একটু বাঁকা হতো পায়খানা করার জন্য। সাথে সাথে কিছু খের হাতে নিয়ে গরুর নেদা (লেদা/গোবর) ধরে ফেলা হতো। গোবর মেইল্লা মেরে (ছুড়ে মেরে) ফেলা হতো উচির মধ্যে। উচি বুনানো হতো বাঁশের বেতী দিয়ে। উচি ভরে গেলে মেয়েরা কাঁহে করে নিয়ে পালানের গোবরের ঠেংগিতে (স্তুপ) ফেলে দিতো। ফসল বুনার আগে খেত প্রস্তুত করার সময় জৈব সার হিসাবে কৃষক শুকনা গোবর খেতে ছড়িয়ে দিতো। পানাইন্না গরুর বাছুর বেঁধে রাখা হতো গোয়াইল ঘরে। ক্ষুধায় বাছুর মাকে ডাকতো “অম ব্যা” করে। মা গাই উত্তর দিতো “হাম্বা” করে। দেশী জাতের গাই ছিলো সেগুলি। সাইজে ছোট ছিল। ওলান ছিল ছোট। দুধ হতো মাত্র দুই পোয়া বা তিন পোয়া। খুব বেশী হলে এক সের। এক সের ছিল প্রায় এল লিটারের সমান। এক সেরের চার ভাগের এক ভাগ হলো এক পোয়া। এক সের দুধের দাম ছিল মাত্র এক টাকা।

গরুর ক্ষুরের পাড়ায় পাড়ার হিঞ্জা থেকে ধান আলাদা হয়ে নিচের দিকে চলে যেতো। আরেকজন আবার ধানের আটি খুলে মলনের উপর ছড়িয়ে দিতো। এইভাবে কয়েকঘন্টা মাড়ানোর পর মলন ভেংগে গরু বাঁধা হতো চাড়ির পাড়ে। চাড়িতে লবন, কুড়া ও পানি মিশিয়ে পেস্ট করা হতো। ক্ষুধার্ত ও পরিশ্রান্ত গরুগুলি তখন হামচিয়ে খেতো সেই কুড়া। খাওয়া শেষ হলে শুয়ে শুয়ে জাবর কাটতো ।

বাঁশের আগার কঞ্চিগুলি কেটে চেছে মস্রিন করে আগায় একটি কঞ্চি রেখে দিয়ে সেই কঞ্চিকে গরম করে বেকিয়ে আংটা বানিয়ে তৈরি করা হতো কারাইল। কারাইল দিয়ে খের খুঁচিয়ে আলাদা করা হত। ধান গাছ থেকে ধান পড়ে গেলে যা থাকে তাকে বলা হয় খের (খর)। কারাইল দিয়ে রৌদ্রে নেড়ে খের শুকিয়ে বাইর বাড়িতে পালা (স্তুপ) দিয়ে রাখা হতো। যারা বেশী ধান আবাদ করতো তাদের খেরও বেশী হতো। তাই খেরের পালাও বড় হতো। মেয়ে বিয়ে দিবার সময় ছেলের বাপের খেরের পালার সাইজ দেখে ধনী কেমন তা আন্দাজ করা হতো। টিনের ঘরের সংখ্যা দিয়েও ধনী কেমন তা বুঝা যেতো।

শুকনা খেরের পালায় থেকে পরিমাণ মত বের করে কাঁচি (কাস্তে) দিয়ে কেটে গরুর চাড়িতে দেয়া হতো। খের ছিল গরুর প্রধান খাবার। খের দিয়ে ঘরের চালও ছাওয়া হতো। তবে ছন দিয়ে ঘরের চাল ছাওয়া হলে বেশী মজবুত হতো। কিন্তু সবার খেতে ছন হতো না। ছন হতো ছন পাওরে।

খেরের পালার গোড়ায় খের দিয়ে ঢেকে লুকিয়ে আমরা পলান পলান (লুকুচুরি) খেলতাম। ঘরের পিছনে, বাওবেড়ার পিছনে, উগারতলে, চকিরতলে, দরজার চিপায়, ডোলের ভিতর, ফুলঘরি গাছের ঝোপে, গাছে উঠে অথবা খেরের পালায় লুকিয়ে আমরা “টুকু” শব্দ করতাম। বন্ধুরা খুঝে পেতো না। আর ডাকতো “টুকু টু”। মঝা পেতাম সেই খেলায়। খুজে পাওয়ার পর কি আনন্দই না পেতাম আমরা!

এখনো ধান আবাদ হয়। কিন্তু সেই ধান আবাদ করতে পাওয়ার ট্রিলার ব্যবহার করা হয়। এখন আর কেউ হালের লাংগল দিয়ে হাল বায় না। হাল বাইতে বাইতে আর কারো দুপুর গড়িয়ে যায় না। কোন গ্রাম্য বউ তার স্বামীর জন্য এক বাটি পান্তাভাত ও এক বদনা পানি নিয়ে খেতের বাতরে (আইলে) নিয়ে যায় না। কোন বউ আর এখন পান্তা ভাত খাওয়ার সময় তার স্বামীর কপালের ঘাম আচল দিয়ে মুছে দেয় না। এখন খাটো খাটো হাইব্রিড ধান গাছ হয়। তাতে ধরে উচ্চ ফলনশীল বড় বড় সাইজের ধান। সেইগুলি আর কেউ কাঁধে করে নিয়ে আসে না। নিয়ে আসে ভ্যানে করে। মলন আর দেয়া হয় না। বাবার কোলে কোন শিশু মলনের পিছনে ঘুরে না। সবাই ধান মাড়ায় মাড়াই মেশিন দিয়ে। মলনের দিন শেষ।
২৮/৯/২০১৯ খ্রি.

প্রকাশনা স্মৃতির পাতা থেকে

প্রকাশনা স্মৃতির পাতা থেকে

১০/৯/২০১৯, মিলন অডিটরিয়াম, বি এস এম এম ইউ, শাহবাগ, ঢাকা।

“স্মৃতির পাতা থেকে” বইখানার মোড়ক উন্মোচন করলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় সাবেক ভিসি প্রফেসর ডাঃ কামরুল হাসান খান, আমার পোস্ট গ্রাজুয়েট শিক্ষক ও কিংবদন্তী প্যাথলজিস্টবৃন্দ।

প্রফেসর ডা. মীর্জা হামিদুল হক, সাবেক অধ্যক্ষ, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহের কিংবদন্তী হিস্টোপ্যাথলজিস্ট। স্যারের সাথে আমি এই মেডিকেল কলেজে প্রায় ১৪ বৎসর কাজ করেছি। ‘স্মৃতির পাতা থেকে’র কয়েকটি গল্পে স্যারের কথা আছে। স্যার বইটি পেয়েই পড়া শুরু করে দেন।
১১/৯/২০১৯

১১/৯/২০১৯, অধ্যক্ষ ডাঃ সজল কুমার সাহা, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, আমার লেখা “স্মৃতির পাতা থেকে” বইখানা গ্রহণ করলেন।

১৫/৯/২০১৯ খ্রি. প্রফেসর ডা. মতিউর রহমান ভুঁইয়া, সাবেক উপাধ্যক্ষ, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ, প্রেসিডেন্ট বিএমএ ময়মনসিংহ, প্যাথলজি বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা “স্মৃতির পাতা থেকে” বইখানা গ্রহণ করলেন।

সাহিত্যিক বন্ধু, আলাউদ্দিন সিদ্দিকী কলেজের আমার সহপাঠী, সখিপুরের কৃতিসন্তান, আতিকুল হক ছমির আমার লেখা “স্মৃতির পাতা থেকে” বইখানা প্রকাশের ব্যপারে পরামর্শ দিয়েছে।
ধন্যবাদ ছমির বন্ধুকে।
১৪/৯/১৯ খ্রি.

ডা. তোফায়েল আহমদ, কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করলেন।
১৪/৯/১৯ খ্রি.

ডা. কামরুল হাসান, হেমাটোলজি বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করলেন।
১৪/৯/১৯ খ্রি.

ডা. আবুল বাশার, কমিউনিটি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করলেন।
১৪/৯/১৯ খ্রি.

মি. হিমাদ্রী বিশ্বাস, প্রতিনিধি ট্রেডওয়ার্থ লি. আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানার এক কপি নিজের জন্য, এক কপি মি. মিজানুর রহমান এমডি এবং কয়েক কপি বন্ধুদের জন্য গ্রহন করলেন।
১৪/৯/১৯ খ্রি.

ডা. সুবীর নন্দী, প্যাথলজি বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করেছেন।
১৪/৯/১৯ খ্রি.

ডা. মজাহারুল ইসলাম , ফরেনসিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করেছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

ডা. ফখরুদ্দিন আহমেদ , এনাস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করেছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

ডা. জহিরুল হক , মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করেছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

ডা. মোল্লা নজরুল ইসলাম , সার্জারি বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করেছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

ডা. নাজমুল আলম, কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করেছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

ডা. ইয়ামলি খান, চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করেছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

ডা. আনোয়ার হোসেন, ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

প্রফেসর ডা. পংকজ পাল, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

ডা. সাজেদুর রহমান (ফারুক), কার্ডিওলজিস্ট, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

ডা. নাজমুল আলম খান, রেডিওলোজী ও ইমেজিং স্পেশালিষ্ট, আমার লেখা ‘স্মৃতির পাতা থেকে’ বইখানা গ্রহন করছেন।
১১/৯/১৯ খ্রি.

ডাঃ ফারুক ও ডাঃ নাজমুল

এস কে আলম ভাই “স্মৃতির পাতা থেকে” বইটি নিয়েছেন।
১৬/৯/২০১৯ খ্রি.