আমার মিউজিয়াম

পেন ড্রাইভ
কলমের মতো মাথায় ক্লিপ ছিল বলে এর নাম ছিল পেন ড্রাইভ।দেখুন, আমার বুক পকেটে লাগিয়ে রেখেছি কলমের মতো করে। এখন যেগুলি পাওয়া যায় এগুলি পেন ড্রাইভ না। আমি খুব সম্ভব এটা ২০০১ সনে কিনেছিলাম এই পেন ড্রাইভটি। দেখে অনেকে বলতেন “তোমার কলম এত মোটা নাকি?”

ডিজিটাল ক্যামেরা।
আমার ব্যবহৃত প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরা।
সহপাঠী বন্ধু দীপক জাপান থেকে এনে আমাকে উপহার দিয়েছিল। আনুমানিক ২০০১ সনে।

মোবাইল মিনি টেলিভিশন।
আমেরিকা থেকে গিফট হিসাবে পাঠিয়েছিল ডা. ফারুখ (এম ১৯)। আনুমানিক ২০০২ সনে।

পেন ক্যাম (ডিজিটাল পেন সাইজ ক্যামেরা)।
এটা আমি কিনেছিলাম ১৯৯৯ সনে খুব সম্ভব।
কলমের ক্লিপের মতো ক্লিপ আছে পকেটে রাখার জন্য। কেউ জানতো যে আমার কাছে ক্যামেরা আছে। বন্ধুরা জিজ্ঞেস করতো কলম এত বড় কেন। আমি বাটন টিপে ভিডিও করে রাখতাম। পরে বন্ধুদের ভিডিও দেখালে বিস্মিত হতো। এই রকম একটি ক্যামেরা দিয়ে বহুল আলোচিত তেহেল্কা ঘুষ কেলেনকারির গোপন ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছিল। তখন মোবাইলে ক্যামেরা ছিল না।

পকেট রেডিও।
১৯৮৮ সনে বরিশালের বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে থাকাকালীন এই রকম একটি রেডিও ব্যবহার করতাম। এটি সেইটিই কিনা বলতে পারছি না। বিদ্যুৎ ছিল না।

এমপি-৩ প্লেয়ার।
আমি ব্যবহার করতাম ২০০১ সনের দিকে।

রিচার্জেবল ব্যাটারি চার্জার।
আমি এটা ব্যবহার করতাম ২০০১ সনের দিকে।

কর্ডলেস ইন্টারকম।
প্রায় ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বিনাতারে যোগাযোগ করতে পারতাম এটা দিয়ে। বেইজ এর সাথে টিএনটি টেলিফোন সংযোগ দিয়ে সারা ময়মনসিংহ শহর থেকে টেলিফোন ব্যবহার করতে পারতাম।
১৯৯৯ সনে কিনেছিলাম।

ইউএসবি পোর্টে পেন্সিল ব্যাটারি চার্জার। আমি এটা ব্যবহার করতাম ২০০১ সনের দিকে।

কম্পিউটার কার্ড রিডার।
২০০৫ সনে আমি এটা ব্যবহার করেছি।

কম্পিউটার মাইক্রোফোন।
এটা আমি ব্যবহার করতাম 2001 থেকে 2005 সাল পর্যন্ত।

আমার এম ফিল ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্ট । আমি ১৯৯৫ সনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথালজি পরীক্ষায় সেকেন্ড প্লেস করেছিলাম ।

আমার ৪ দাদার স্বাক্ষর । বড় দাদা কায়েম উদ্দিন তালুকদার, মেঝো দাদা মেছের উদ্দিন তালুকদার, আমার দাদা মোকছেদ আলি তালুকদার এবং ছোট দাদা জয়নাল আবেদীন তালুকদার । খুব সম্ভব ১০৫২ সনে করা দলিল ।

এম পি-৩ প্লেয়ার কন্ট্রোলার। আমার ব্যবহার করা।

কম্পিউটারে ব্যবহার করা আমার হেডসেট।২০০৫ সনের।

মডেম। আমার ব্যবহার করা। এখন বিল্ট ইন থাকে।