করোনাভাইরাস রোগ

করোনাভাইরাস রোগ

(সাধারন স্বাস্থ্য কথা)

ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

করোনাভাইরাস রোগ (COVID-19) একটি নতুন ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট সংক্রামক রোগ। এই রোগটি শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার মতো উপসর্গ, যেমন কাশি, জ্বর এবং আরও গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাস নিতে অসুবিধে করে ।

করোনভাইরাস রোগ প্রাথমিকভাবে সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে ছড়িয়ে পড়ে যখন তারা কাশি বা হাঁচি দেয় । কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন বস্তু স্পর্শ করে যার মধ্যে ভাইরাস রয়েছে, তারপরে তাদের চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করে তাহলে সেই ব্যক্তির মধ্যে ভাইরাস সংক্রমিত হয় । Continue reading “করোনাভাইরাস রোগ”

জামাতে বন্ধ

জামাতে বন্ধ

(স্মৃতিচারণ)

ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

গ্রামে আমরা জামাত বদ্ধ হয়ে বসবাস করতাম। লবন, কেরোসিন ও কাপড় চোপড় ছাড়া তেমন কিছু কিনতে হতো না। এগুলো কিনতে হাটে যেতে হতো। হাট বসত সপ্তাহে মাত্র দুদিন । কারো বাড়িতে লবন শেষ হয়ে গেলে লবণ কর্জ করে আনতেন পাশের বাড়ি থেকে। তরকারির চামচের এক চামচ ভর্তি করে লবণ কর্জ দেওয়া হতো। কর্জ গ্রহণকারী হাটের দিন লবণ কিনে আনার পর ঠিক এক চামচ লবণ ফেরত দিতেন। শুকনা মরিচও সেভাবে কর্জ দেওয়া হতো। শুকনা মরিচ হিসাব করা হতো গন্ডা হিসাবে। চারটি মরিচে হতো এক গন্ডা। সাধারণত এক গন্ডা বা দুই গন্ডা বা তিন গন্ডা মরিচ কর্জ দেওয়া হতো। ফেরৎ নেওয়ার সময়ও গন্ডা হিসেবে গুণে নেওয়া হতো। Continue reading “জামাতে বন্ধ”

গরু খোঁজা

গরু খোঁজা

(স্মৃতিচারণ)

ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আগের দিনে গ্রামে হাল চাষের জন্য গরুর খুব প্রয়োজন ছিল। প্রায় প্রত্যেকের বাড়িতেই হালের বলদ ছিল। অনেকের বাড়িতেই গাড়ির বলদ ছিল। দুধের গাভীও ছিল। গাভীকে আমরা বলতাম গাই। গাই খুব বেশি দুধ দিত না। সারারাত বাছুরকে আলাদা করে বেঁধে রাখা হতো । বাছুর রাখা হতো বড় ঘরে। গাই থাকত গোয়ালঘরে। মায়ের জন্য বাছুর মাঝে মাঝে ওম্মে করে থাকতো। গাইও ওম্বে করে জবাব দিতো। রাতে বাছুর দুধ না খাওয়ায় কিছু দুধ গাইয়ের ওলানে জমতো। সকালে চঁই চঁই করে সেই দুধ পানানো হতো হাটুর উপর দোনা বসিয়ে। ওলানে জোয়ার আসার জন্য মাঝে মাঝে বাছুরকে ওলান চাটতে দেয়া হতো। ওলানে চাপ আসলে গাই চোনায়ে দিতো। তখন দোনা সরিয়ে ফেলতে হতো, যাতে দুধে চোনা না লাগে। দুধ পানানো শেষে বাছুর ছেড়ে দেওয়া হতো। ছেড়ে দেয়া বাছুরকে বলা হতো আলগা বাছুর। বাংলাদেশের একটা শহরের নাম গাইবান্ধা। ভারতের সীমান্তে একটা জায়গার নাম বাছুর আলগা। সারাদিন বাছুর আলগা থাকতো। বান্ধা গাইয়ের আশেপাশে লেজ উচিয়ে বাছুর দৌড়াদৌড়ি করতো, দেখতে খুবই চমৎকার লাগতো। Continue reading “গরু খোঁজা”

খুইংগার চালা

খুইংগার চালা
(স্মৃতিচারণ)
ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার
গত দুই বছর আগে ইন্দ্রজানী হাট নিয়ে ফেসবুকে একটা গল্প লিখেছিলাম। সে গল্প পড়ে একজন পাঠক আমাকে অনুরোধ করেছিলেন তাদের খুইংগার চালা নিয়ে একটা গল্প লিখতে। গল্পটা ছিল স্মৃতিচারণমূলক। স্মৃতিচারণমূলক গল্প কেউ লিখতে বললে আমি লিখতে পারি না। আমার মাথায় যখন স্মৃতিচারণ খেলতে থাকে তখন আমি স্মৃতিচারণমূলক গল্প লিখি। তাই খুইংগার চালা নিয়ে এখনো কোনো গল্প লেখা হয় নি আমার। গতকাল দুপুরে খাবার সময় মোবাইলে একটা কল আসে। আমি সাধারণত মোবাইলে খাবার সময় কল ধরি না। মোবাইল স্ক্রিনে ‘নূর-ই-আলম খুইংগার চালা’ নামটা দেখে মোবাইলটা আমি রিসিভ করলাম । কথা শেষে স্বপ্না জিজ্ঞেস করলো Continue reading “খুইংগার চালা”

Welcome to website of Dr. Sadequel Islam Talukder


Dr. Md. Sadequel Islam Talukder
MBBS, M Phil (Pathology), MACP
Associate Professor and Head [PRL]
Department of Pathology
Mymensingh Medical College
Mymensingh Bangladesh
.

 

Send your comment to: sadequel@yahoo.com