ইভটিজিং

ইভটিজিং
(ছোট গল্প)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

তখন সারাদেশে যেন ইভ টিজিং মহামারীর আকার ধারন করেছিল । একদিন খবরের কাগজে সংবাদ বের হলো যে কোন একটি Continue reading “ইভটিজিং”

বাসা থেকে জেলখানা পর্যন্ত

বাসা থেকে জেলখানা পর্যন্ত
(ছোট গল্প)

ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আর্মি শাসিত তত্বাবধায়ক সরকারের অধীন দেশ চলছিল। রাস্তার ধারের স্থাপনার অবৈধ অংশগুলি অনবরত হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে ভাংগা হচ্ছিল। সেই হাতুরির আঘাত অনেকের মাথায় লাগছিল। তাদের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল। বড় বড় নেতাদেরকে ধরে ধরে Continue reading “বাসা থেকে জেলখানা পর্যন্ত”

মেডিকেলের ইরানী মেয়েটি

লেইলা ইরানী মেয়ে। ১২ বছর ধরে মেডিকেলে পড়ছিল। এই ১২ বছরে মাত্র এমবিবিএস ৪র্থ বর্ষ পর্যন্ত উঠেছিল। ইরানে “এ” লেভেল পর্যন্ত পড়ে বাংলাদেশে এসেছিল মেডিকেলে পড়তে। তার বাবা ইরানে সরকার বিরোধী কমুনিস্ট পার্টি করতেন। তাই তাকে জীবনের বেশীভাগ সময়ই জেলে কাটতে হয়েছে। বাবার সান্নিধ্য লেইলা খুব কমই পেয়েছে। লেইলারা ৫ বোন। পাঁচ সন্তান নিয়ে লেইলার মা খুব পেরেশানি করে সংসার চালিয়েছেন। Continue reading “মেডিকেলের ইরানী মেয়েটি”

হুজুরের টিউশন ফি

রফিক সাহেব জুম্মার নামাজের খুতবার বাংলা তরজমা শুনার পর থেকেই মন খারাপ করেছেন। দুপুরের খাবারও কম খেয়েছেন। সাধারণত জুম্মার নামাজের পর খাবার খেয়ে আছর নামাজ পর্যন্ত একটা লম্বা ঘুম দেন। সদিলাপুর উপজেলার একাউন্ট অফিসার তিনি। এক ছেলে ও স্ত্রী নিয়ে তার সংসার। ঢাকার তাজমহল রোডে তিনি একটি ফ্লাট ভাড়া করে থাকেন। শুক্র ও শনিবার অফিস ছুটি। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি ঢাকায় আসেন রবিবার ফিরে যান Continue reading “হুজুরের টিউশন ফি”

কয়েক দিনেই সব শেষ

রফিক সাহেবের জ্বর সারছেই না। প্রথম তিন তিন প্যারাসিটামল খেয়েছিলেন। তিব্র জ্বর। প্যারাসিটামলে কিছুই হল না। ডান পায়ের বৃদ্ধাংগুলে পচন ধরেছিল। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রুগীর বেলায় এমনই হয়। দশ বার বছর হয় রফিক সাহেবের ডায়াবেটিস হয়েছে। ডাক্তার দেখায়েছেন অনেকবার। কোন ঔষধ ও কোন ডাক্তারেই তার সন্তুষ্টি নেই। তাই যখন যে তাকে যে ডাক্তার দেখাতে বলেন তখন সেই ডাক্তারই দেখান। বেশীর ভাগ ডাক্তারই তাকে ইন্সুলিন ইঞ্জেকশন নিতে বলেন। কিন্তু তিনি ইঞ্জেকশন নেন না। ট্যাবলেট ও বনাজি ঔষধ খেতেই তিনি সাচ্ছন্দ বোধ করেন। তার পায়ে তিব্র ইনফেকশন হয়েছিল। জীবাণু ধ্রুত তার রক্তে মিশে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ল। Continue reading “কয়েক দিনেই সব শেষ”

রবির বনভোজন

লাইব্রেরিয়ানের বড় মেয়েটা খুব মেধাবী। গতবার এমবিবিএস পাস করে ডাক্তার হয়েছে। লাইব্রেরিয়ানের স্বপ্ন ছিল তার মেয়াটা ডাক্তার হবে। মেয়েটা মায়ের সব কথা শুনে। গত মাসে ইন্টার্নির প্রথম ভাতা পেয়েছে। বিশ হাজার টাকা ভাতা পেয়েছে। তা থেকে পনর হাজার টাকা দিয়ে একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল কিনে তার মাকে গিফট দিয়েছে। বাবা অফিস সহকারী। আগামী মাসে ভাতা পেয়ে তার বাবাকেও অনুরূপ একটা মোবাইল গিফট দেয়ার ইচ্ছা তার আছে। Continue reading “রবির বনভোজন”