paralysis

প্যারালাইসিস
(স্বাস্থ্য কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

প্যারালাইসিস স্নায়ুরোগের লক্ষণ। মাথার খুলির ভিতর থাকে ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বা Continue reading “paralysis”

gastrointestinal_bleeding

পরিপাকতন্ত্রের রক্তক্ষরণ
(স্বাস্থ্য কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্তক্ষরণ খুবই চিন্তার বিষয়। যেহেতু, পেটের ভিতরে রক্তক্ষরণ হয় তাই রুগী অনেকসময় বুঝতে পারে না। রক্তক্ষরণের কারনে রক্তশুন্যতা অথবা Continue reading “gastrointestinal_bleeding”

Jaundice

জন্ডিস
(স্বাস্থ্য কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

জন্ডিস কিন্তু কোনো রোগের নাম না। অর্থাৎ জন্ডিস নামে কোন রোগ নাই। জন্ডিস হলো কয়েকটি রোগের লক্ষণ। Continue reading “Jaundice”

মানুষ ফোলে কেন?

 

মানুষ ফোলে কেন?
(স্বাস্থ্য কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

সাভাবিকের চেয়ে বেশী পরিমাণ পানি শরীরে জমলে মানুষ ফুলে যায়। ডাক্তারগণ বলেন ইডেমা হয়েছে। ইডেমা Continue reading “মানুষ ফোলে কেন?”

চোখ কাটা

চোখ কাটা
(স্বাস্থ্য কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

চোখ আমাদের অত্যন্ত মুল্যবান অংগ। তাই আমাদের দুইটি চোখ দিয়েছেন সৃষ্টি কর্তা যেন এক চোখ নষ্ট হয়ে গেলেও আরেক চোখ দিয়ে দেখতে পারি। যারা এখন চোখে দেখেন তারা কি ভেবে দেখেছেন এখন থেকে চোখ দুটি অন্ধ হয়ে গেলে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আপনার কেমন লাগবে? এই চোখ নানা কারনে অন্ধ হয়ে যেতে পারে। অন্ধের চিকিৎসা আবিষ্কার হওয়ার আগ পর্যন্ত মানুষ অসহায় ভাবে বেঁচে থাকতো। আর এই চিকিৎসা বিদ্যা শিক্ষা দিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা ডাক্তারদেরকে। Continue reading “চোখ কাটা”

লেকবেকা মানুষ

লেক বেকা মানুষ
(স্বাস্থ্য কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আপনারা যারা গ্রামে থেকেছেন হয়ত লক্ষ্য করেছেন একই পরিবারে অনেকগুলি লোকের চেহারা কেমন যেন লেকবেকে। কেউ কেউ বেশী লেকবেকে কেউ কেউ হাল্কা লেকবেকে। কেউ কেউ সামান্য। আবার কেউ কেউ সম্পুর্ন স্বাভাবিক। এইগুলি বংশগত শারীরিক সমস্যা। এই সমস্যাটির নাম মারফ্যান সিন্ড্রোম। ৫০০০ থেকে ১০০০০ লোকের মধ্যে একজন লোক এই রকম থাকতে পারে। এরা সাধারণত লিকলিকে লম্বা হয়। এদের হাত, পা ও আঙুল লম্বা লম্বা হয়। চাপাভাংগা থাকে। মেরুদণ্ড একদিকে বেকে যায়। হাটার সময় দুই হাটু লেগে যায়। মাথার খুলিও আকাবাকা। বুকের কড়া বের হয়ে থাকে। পাখনার হার উঠানো থাকে। জয়েন্ট বিশেষকরে কবজি নরম থাকে। কবজি অনেকে উলটা দিকে বেকিয়ে ফেলতে পারে। এরা সহজে অংগ প্রত্যঙ্গ নাড়াতে পারে। তাই ভালো নাচতেও পারে। অনেককে দেখতে আমেরিকান প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের মতো মনে হয়। এদের বুদ্ধি সুদ্ধি ভালোই থাকে। বেচে থাকার জন্য এদের সমস্যা নেই। তবে এই ধরনের মানুষের হার্টের ভালবের সমস্যা থাকতে পারে। তাই অনেকে মায়ের গর্ভেই মারা যায় অথবা জন্ম হবার কিছুক্ষণ পরেই মারা যায়।

ছেলে বা মেয়ে উভয়েরই এই সমস্যা হতে পারে। মানুষ যখন মাতৃগর্ভে তৈরি হয় তখন প্রথম কোষের অর্ধেক আসে বাবা থেকে আর অর্ধেক আসে মা থেকে। শরীরের প্রতিটা কোষের প্রাণকেন্দ্রে থাকে ২৩ জোড়া অতিক্ষুদ্র সুতার মত ক্রোমোজোম। এই ক্রোমজোমে থাকে জিন নামে অতিক্ষুদ্র অংশ। এই জিন শরীরের প্রটিন তৈরি নিয়ন্ত্রণ করে। একেক জিন একেক রকম প্রটিন তৈরি করতে সাহায্য করে। এই প্রটিন দিয়েই শরীরের গঠন তৈরি হয়েছে।

ইলাস্টিক ফাইবার শরীরের আকার আকৃতি ঠিক রাখে। ইলাস্টিক ফাইবারে থাকে ফিব্রিলিন নামে প্রটিন। বংশগতভাবে কারো ফিব্রিলিন জিন ডিফেক্টিভ থাকলে তার কমবেশি এই সিম্পটম দেখা দেয়। প্রতিটি জিন জোড়ায় জোড়ায় থাকে। জোড়ার একটি জিনকে আরেকটি জিনের এলিলি বলে। একটি এলিলি আসে বাবা থেকে আরেকটি আসে মা থেকে। যে কোন এলিলি নস্ট থাকলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এই সমস্যাকে ডমিনেন্ট সমস্যা বলা হয়। বংশগত সমস্যা যেখানে সমস্যা হওয়ার জন্য দুইটি এলিলিই নস্ট থাকতে হয় সেই গুলিকে রিসেসিভ সমস্যা বলা হয়। ক্রমোজম দুই প্রকার আছে – অটোজোম ও সেক্স ক্রমোজোম। ফিব্রিলিন জিন অটোজোমে থাকে। তাই মারফ্যান সিন্ড্রোমকে অটোজোমাল ডমিনেন্ট ডিফেক্ট বলা হয়। যেহেতু অটোজোম ছেলে বা মেয়ে উভয়েরই আছে সেহেতু উভয়েরই এই সমস্যা হতে পারে।
হিসাব করে দেখা গেছে সাধারণত একটি দম্পতির ৪ জন সন্তান হলে ২ জন আক্রান্ত হতে পারে। একজন বেশী আক্রান্ত একজন কম আক্রান্ত। এই ধরনের সমস্যাযুক্ত দুইটি পরিবারের সদস্যের সাথে বিয়ে হলে ডিফেক্টিভ জিনের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে যায়। তাই সন্তানরা বেশী বেশী আক্রান্ত হতে পারে। যেহেতু এটা একটা বংশগত সমস্যা সেহেতু এটার তেমন চিকিৎসা নেই। তবে পরিবারের সদস্যদের বিয়ের বেপারে সতর্ক হলে সমাজে এই ধরনের সমস্যা কমিয়ে আনা যেতে পারে। সদস্যদের মধ্যে হৃদরোগ আছে কিনা তা পরীক্ষা করে নিতে হবে। যদি থেকে থাকে তার চিকিৎসা করাতে হবে।
৫/৯/২০১৮ ইং

প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা

(স্বাস্থ্য কথা)
সাধারণ কয়েকটি প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার গুরুত্ব
#রক্তের CBC একটি পরীক্ষা যা সবচেয়ে বেশী করা হয়। শরীরে বিভিন্ন ইনফেকশন হলে, ব্লাড ক্যান্সার হলে অথবা বিবিধ রোগ হলে এই পরীক্ষার রেজাল্ট থেকে Continue reading “প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা”

গুড়া কৃমি

=গুড়াকৃমি =

স্বাস্থ্য কথা

ইংরেজীতে গুড়াকৃমিকে বলা হয় পিনওয়ার্ম। ডাক্তারি ভাষায় বলা হয় এন্টারোবিয়াস ভার্মিকুলারিস। আধা ইঞ্চির চেয়েও কম সাইজের সাদা রংগের ছোট ছোট কৃমি সাধারণত ছোটদেরকে আক্রান্ত করে। মানুষের পেটের ক্ষুদ্রান্তে এদের বসবাস। বোয়াল মাছ যেমন ডিম পারার জন্য উজানের পানিতে চলে যায় তেমনি এই কৃমিও ডিম পারার জন্য সন্ধার সনয় পেট থেকে বের হয়ে পায়ুপথের চারিপাশে চামড়ার ভাজে ভাজে ডিম পেরে পেটের ভিতর চলে যায়। ডিম পারার স্থানে চুলকাকানি হয়। তাই শিশুরা পায়ুপথের আশে পাশে সন্ধার পর চুলকাকাতে থাকে। রাতে ঘুমের বেঘাত হয়।

চুলকানোর সময় শিশুর আংগুলে কৃমির ডিম লেগে আসে। আংগুলে ডিম ৩/৪ ঘন্টা বেচে থাকে। আংগুল থেকে জামা কাপড় খেলনা ও আসবাবপত্রে ডিম ছড়িয়ে পরে। শুক্না ডিম বাতাসেও উড়ে। এভাবে বাড়ির অন্যদের নাক মুখ দিয়ে ডিম পেটে চলে যায় এবং অন্যরা আক্রান্ত হয়। পেটে গিয়ে ডিম ফুটে কৃমির বাচ্চা বের হয় এবং বড় হয়ে আবার ডিম পারে। নিজের হাত নাক মুখে দিয়ে শিশু নিজের দ্বারাই আক্রান্ত হতে পারে।

যেহেতু বাহিরে এসে ডিম পারে সেহেতু মল পরীক্ষা করলে মলে এই ক্রিমির ডিম পাওয়া যাবে না।

দুই বৎসর বা তার চেয়ে বড়দের জন্য ১০০ মিলিগ্রাম মেবেন্ডাজল ট্যাবলেট ১ টি খেলেই গুড়াকৃমি ভাল হয়ে যায়। দুই সপ্তাহ পর আরও ১ টি খেতে হয়। আক্রান্ত পরিবারের সকলকেই এই ঔষধ এক যোগে খেতে হয়।

নিয়মিত ভাল করে হাত ধোবার অভ্যাস ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকলে এই কৃমির সনক্রমন কম হবে।
======
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার
ফেইসবুক পোস্ট
সাধারণ স্বাস্থ্যজ্ঞান
২/৬/২০১৭