জীবনের উদ্যেশ্য

জীবনের উদ্যেশ্য
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

কিশোরগঞ্জ যাচ্ছি ময়মনসিংহ থেকে। গাড়ির ছিটে বসলাম। বসে বসে একটা গল্প লিখব। আমার গল্পগুলি এভাবেই লেখা হয়। আজ লিখব জীবনের উদ্যেশ্য নিয়ে। কতজনেরইতো কত রকম জীবনের উদ্যেশ্য থাকে। শিশুদেরকে যখন খেলনা দিয়ে খেলতে সময় জিজ্ঞেস করা হয় “বাবু, তুমি বড় হয়ে কি হবে?” তখন সাধারণত উত্তর আসে “পাইলট হবো।” আসলে সে তখন প্রায়ই বিমান নিয়ে খেলে। তাই, এমন বলে। আমাদের সুমনের ছেলে সিয়ামও এরকম বলতো। টিভি নিউজে একদিন দেখল একটি বিমান বিদ্ধস্ত হবার ভিডিও। এরপরে আর সে পাইলট হতে চায় না। ক্লাশ টেন-এ পড়ার সময় ভালো ক্রিকেটার হওয়ার উদ্যেশ্য নিয়ে ক্রিকেট কোচিং-এ ভর্তি হয়। বড় হয়ে সেনাবাহিনীর অফিসার হবে বলে স্থির করে। কিন্তু রোড এক্সিডেন্ট হয়ে তার ডান হাতের দুইটি হাড়ই ভেংগে খন্ড হয়ে যায়। অপারেশন করে ঠিক করা হয়েছে। কিন্তু সে ক্রিকেটও খেলতে পারবে না, আর্মিতেও যেতে পারবে না।

আজ আমি এই গল্পে আরো তিনজনের জীবনের উদ্যেশ্য নিয়ে লিখব। প্রথমেই লিখব মেডিকেলের আমার এক ক্লাশমেটের কথা। তার নাম প্রকাশ করলাম না। প্রকাশ না করাই ভালো। আপনারাও চিনতে পারলে তার নাম প্রকাশ করবেন না। এম বি বি এস ভর্তি মেধাতালিকায় তার নাম আমাদের ক্লাশে দশের ভিতরেই ছিল। মেধাবী ছাত্র হলেও সে তেমন ক্লাসে উপস্থিত থাকতো না।হঠাৎ হঠাৎ ক্লাশে এসে এটেন্ডেন্স দিয়ে যেতো। তাতে পরীক্ষায় ফেল ও অংশগ্রহণ না করার দরুন আমাদের ব্যাচ থেকে পিছিয়ে পড়ে। এম বি বি এস পাস করার ৭ বছর পর আমি আমাদের মেডিকেল কলেজেই প্রভাষক পদে শিক্ষক হয়ে আসি। দেখি সেই বন্ধু ৪র্থ বর্ষে পড়ছে। তার মানে সে এখন আমার ছাত্র। আমাকে পেয়ে সে খুশী। আমাকে তুমি সম্ভোধন না করে “আপনি” বলা শুরু করল। আমিও তাই করলাম। তিনি বললেন “সাদেক ভাই, আপনি আসাতে আমি একটু ভরসা পাচ্ছি। ” আমি বললাম “আপনি আমার ছাত্র হওয়াতে আমি বিব্রত। আপনার প্রতি আমার সহানুভূতি থাকবে। আপনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। ” পরীক্ষা দিলেন। বিভাগীয় প্রধান বুঝতে পেরেছিলেন যে পরীক্ষার খাতা দেখার সময় আমি বন্ধুর প্রতি সহানুভূতিশীল হতে পারি। তাই, তিনি আমার কাছ থেকে বন্ধুর খাতাটি নিয়ে ফেল মার্ক দিয়ে দিলেন। পরের বছর আমি এম ফিল পড়তে আই পি জি এম আর (পিজি)-তে চলে যাই। আড়াই বছর পর ফিরে এসে দেখি বন্ধু আমার সাব্জেক্ট প্যাথলজি পাস করে ফেলেছেন। আমি বেঁচে গেলাম। তারপর অনেকবার বন্ধুর সাথে আমার দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে, গল্প হয়েছে আমার চেম্বারে এসেছে।

একবার তিনি এক সন্ধায় মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে আমার চেম্বারে এলেন। বললেন
-সাদেক ভাই, খুশীর সংবাদ আছে। আমি এম বি বি এস পাস করেছি।
– ভর্তি হওয়ার তারিখ থেকে আজ অবদি প্রায় ১৯ বছর। এই ১৯ বছর লাগলো আপনার ডাক্তার হতে। যেটা নাকি ৫ বছরের কোর্স। এতে আপনার অনুভুতি কি? কেনই বা আপনি এমন করলেন?
-সাদেক ভাই, সবারই জীবনের কিছু উদ্যেশ্য থাকে। আমার একটা উদ্যেশ্য ছিল ডাক্তার হওয়ার। দেরীতে হলেও আমি আজ ডাক্তার হলাম। আরেকটা উদ্যাশ্য ছিল ছোট দুই ভাইকে পড়াশুনার খরচ দিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার। আমি তাদেরকে পড়ার খরচ যোগিয়েছি। তারা দুইজনই বিসিএস করে সরকারি অফিসার হয়েছে। একজন বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ার। আরেকটা উদ্যেশ্য ছিল টাকা কামাইয়ের। আপনি এত বছরে কি আর কামাইছেন। তারচেয়ে ঢ়েড় বেশী আমি কামিয়েছি।
-কিভাবে কামালেন?
-এম বি বি এস ভর্তি হয়েই ব্যবসায় নেমে পড়ি। ময়মনসিংহ থেকে চাউল কিনে ট্রাকে ট্রাকে চাউল বিক্রি করেছি কুমিল্লা অঞ্চলে। তাতে অনেক লাভ হয়েছে। সেই লাভের টাকা দিয়ে সংসারের খরচ ও ছোট ভাইদের পড়ার খরচ চালিয়েছি। এখন ব্যবসায় আমি বেস অভিজ্ঞ। ডাক্তারদের থেকেও আমি বেশী কামাই করি। আমি এখন কিছু কিছু ডাক্তারি করব। আপনি আমাকে হেল্প করবেন।

সেই বন্ধু সব সময় এপ্রোন গায় রাখতেন রাস্তা ঘাটে। রুগী নিয়ে আমার চেম্বারে আসতেন পরামর্শ নিতে। এই ভাবে তাকে অনেকবছর দেখেছি। আমি যখন দিনাজপুর ছিলাম তখন একজন আমাকে ফোনে বললেন “ডাক্তার অমুক মারা গেছেন।” চিনতে পারলাম না। ময়মনসিংহ ফিরে আসার পর বন্ধুটিকে অনেকদিন দেখিনা বলাতে আমার সহকারী বলল “আপনার বন্ধু তো মারা গেছেন। আপনাকে ফোন করা হয়েছিল দিনাজপুর থাকতে। ” এই সেই ডাক্তার যার মৃত্যু সংবাদ শুনে আমি চিনতে পারি নাই।
আমাদের এম বি বি এস ব্যাচমেট এ পর্যন্ত আমার জানামতে ৬ জন ইন্তেকাল করেছে। সবাই ৫ জনের নাম বলে। কেউ আমার ১৯ বছরে পাস করা বন্ধুর খোজ নেয় নি। কেউ তারে মৃত বন্ধুদের তালিকায় রাখে কি?

এবার গল্প লিখব ক্লাশ টেন-এ পড়ুয়া এক ছাত্রের জীবনের উদ্যেশ্য নিয়ে। আমার গ্রাম এলাকার ১৪টি হাই স্কুল/মাদ্রাসার ২৮ জন ক্লাশ টেন-এ পড়ুয়া মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রথম হওয়া এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলাম
-তোমার জীবনের উদ্যেশ্য কি?
– স্যার, আমি বড় হয়ে হাই স্কুলের বি এস সি টিচার হতে চাই।
-কেন?
– দেশের উন্নতি করতে চাই বিজ্ঞান চর্চা। বিজ্ঞানে ভালো করতে চাই ভালো বিজ্ঞানের শিক্ষক। এই বিজ্ঞান শিক্ষা শুরু হয় হাই স্কুল থেকে। বর্তমানে আমাদের অনেক স্কুলে ভাল বি এস সি টিচার নাই। তাই আমি দেশের কথা চিন্তা করে হাই স্কুলের বিজ্ঞানের শিক্ষক হতে চাই।
-আসলে তুমি হবে একজন বিজ্ঞানের পি এইচ ডি। কলেজে গিয়ে দেখবে ভাল এম এস সি টিচার নাই। তাই হতে চাইবে এম এস সি। ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে দেখবে ভালো পি এইচ ডি টিচার নাই। তাই তুমি হতে চাইবে পি এইচ ডি। এভাবে তুমি হয়ে যাবে ভালো একজন পি এইচ ডি টিচার। তোমার উদ্যেশ্য ভালো।

প্রায় ২০ বছর পর সেই ছেলেটি আমার চেম্বারে এসেছিল। জানালো সে এলাকার একটি হাই স্কুলে বি এস সি টিচার হিসাবে আছে। সেই অনুষ্ঠানের আমার ভবিষ্যৎ বাণী স্মরন করে হাসলো।
এবার আমি আমার নিজের ভবিষৎ উদ্যেশ্য নিয়ে কিছু কথা লিখব। আমি শিশুকালে নানা ও দাদার পারিবারিক মক্তবে আরবি পড়া শিখি। একটু বড় হয়ে হুজুরদের সাথে মিলাদ ও ওয়াজ মাহফিলে যেতাম। বেহেস্ত ও দোজখ সম্বন্ধে ধারণা অর্জন করি। তাতে শিক্ষাগুরু ছমির মাওলানা, কদ্দুস ক্কারী সাহেব ও চাচা শামসুদ্দিন তালুকদারের মতো একজন ধর্মভীরু মানুষ হতে মনস্থির করি যাতে পরকালে বেহেস্তবাসী হতে পারি। প্রাইমারী স্কুলে পড়ার সময় প্রাইমারী স্কুলের টিচার হতে মনস্থির করি। প্রাইমারী স্কুলের টিচার আমার চাচা সোলায়মান তালুকদার, রশিদ তালুকদার ও নুরুল ইসলাম তালুকদারের সুখী জীবন আমাকে আকৃষ্ট করে। হাই স্কুলে পড়ার সময় মনস্থির করি হাই স্কুল টিচার হতে। হাই স্কুল টিচার মাওলানা সালাউদ্দিন দুলাভাই ও হাফিজ উদ্দিন দুলাভাইর সৌখিন জীবন যাপন আমার ভালো লাগতো। কলেজে পড়ার সময় আমি ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখি। এলাকার তিন জন স্বনামধন্য ডাক্তার ডাঃ শামসুল হক, ডাঃ (ব্রিগেডিয়ার) আব্দুল খালেক ও ডাঃ মোশারফ হোসেন তখন মেডিকেল কলেজে পড়তেন। ওনাদের মেধাবী ছাত্র হিসাবে বেশ সুনাম ছিল। ওনাদের প্রশংসা শুনে আমি মেডিকেলে পড়তে অনুপ্রাণিত হই। মা সেই সময় প্রায়ই অসুস্থ থাকতেন। আমি খুব পড়ার চাপে ছিলাম। মাকে তেমন সময় দিতে পারি নি। ডাক্তার হয়ে মায়ের চিকিৎসা করব মনস্থির করেছিলাম। একবার মাকে দেখানোর জন্য টাংগাইলের নামকরা ডাক্তার এইচ আর খান স্যারের কাছে গেলাম। মা কানে কম শুনতেন। তাই আমি এক টুকরা কাগজে মার অসুখের বিবরণ লিখে স্যারের কাছে দিয়েছিলাম। স্যার পড়ে মন্তব্য করেছিলেন “তুমি ডাক্তার না হয়েও যেভাবে রোগের হিস্ট্রি লিখেছ তাতে মনে হচ্ছে তুমি ডাক্তার হলে ভালো ডাক্তার হতে পারবে। ” এই উক্তি শুনে আমি আরো অনুপ্রাণিত হই ডাক্তার হতে। কিন্তু এইচ এস সি পরীক্ষা চলাকালীন আমার মা ইন্তেকাল করেন। আমি আমার জীবনের উদ্যেশ্য ঠিক রেখেছিলাম। আল্লাহ্‌ আমার উদ্যেশ্য কবুল করেছেন।

কিশোরগঞ্জ পৌছে গেছি বাকীটুকু ফেরার সময় লিখবো।

ফেরার পথে লিখছি:
পাস করে সরকারি চাকরি করেছি উপজেলা লেভেলে। উপজেলার জ্বালা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য রিক্রুটমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আমি মেডিকেল কলেজের প্রভাষক হই। তবে এটা আমার স্বপ্ন ছিল না। মেডিকেল কলেজের শিক্ষক প্রফেসর ডাঃ মীর্জা হামিদুল হক ও প্রফেসর ডাঃ জামশেদ হায়দার সিদ্দিকী স্যারের সান্নিধ্যে এসে প্যাথলজিতে শিক্ষক হিসাবে ক্যারিয়ার করার স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন পুরণের জন্য আমি তখনকার সবচেয়ে বড় ডিগ্রী এম ফিল অর্জন করি ১৯৯৫ সনে।

সেই থেকে অদ্যাবধি প্যাথলজি বিভাগের শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছি। আমার স্ত্রী ফিরোজা আক্তার স্বপ্নার স্বপ্ন ছিল তার স্বামী একজন পি এইচ ডি হবে। তাই আমি ২০০৮ সনে চেষ্টা করে জাপানের রনপাকু স্কলারশিপ নিয়ে পি এইচ ডি করার সুযোগ পাই। কিন্তু আল্লাহ তা চাহেন নাই। ডাক বিভাগ ভুল করে আমার ডকুমেন্টগুলি অষ্ট্রেলিয়ার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়। জাপান থেকে আমার কাছে ঘন ঘন ফোন আসতে থাকে ডকুমেন্ট পাঠানোর জন্য। অবশেষে অস্ট্রেলিয়া থেকে ডকুমেন্টগুলি পাঠানো হয় জাপানে। ততদিনে পি এইচ ডি ভর্তির তারিখ শেষ হয়ে গেছে। প্রফেসর সরি বলে জানিয়ে দিলেন আবার প্রেয়ার দেয়ার জন্য। আমি আর চেষ্টা করি নাই।

অনেককিছুই করেছি। আবার অনেক কিছুই করা হয় নাই সংসারে সময় দিতে গিয়ে। বড় মেয়ে সাবরীন ইসলাম মুনা কম্পিউটার সাইন্সে বি এস সি ও এম বি এ পাস করে আমাকে সন্তুষ্ট করেছে। একজন ভালো মনের মেয়ে হয়েছে। স্বামীর সাথে ঢাকায় থাকলেও প্রতিদিন মেসেঞ্জারে ভিডিও কল দেয়। ওর ছেলের বয়স এখন চার প্লাস। আমার বন্ধু। মেয়েজামাই শাহরিয়ার সাজ্জাদ অস্ট্রেলিয়া থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পি এইচ ডি করেছে। অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্ব সফটওয়্যার প্রতিযোগীতায় সে প্রথম হয়েছিল। ইংল্যান্ড থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং -এ এম এস সি করেছে। বর্তমানে এ আই ইউ বি -এর সহকারী অধ্যাপক। আমার স্বপ্ন ছিল আমার বংশধর কেউ একজন ডাক্তার হউক। ছোট মেয়ে মেয়ে মার্জীয়া ইসলাম দীনা ডাক্তার হয়েছে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ থেকে। সেও একজন ভালো মনের মেয়ে।

অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আমাকে পরিশ্রম করতে হয়েছে অনেক। আল্লাহ্‌ আমাকে অনেক ধন সম্পদ দিয়েছেন। সুখ দিয়েছেন প্রচুর। তবে সৎ পথে থাকতে গিয়ে বন্ধুরা কোন কোন ব্যপারে আমাকে বোকা মনে করেন। আমি তা মনে করি না। এই লাইনে আমি বিজয়ী।

আমি চিকিৎসা পেশার প্যাথলজি প্রাক্টিস করি। শত শত রুগীর বায়োপ্সি পরীক্ষা করে ক্যান্সারসহ নানা রোগ নির্ণয় করি। কাজেই এই পেশায় আমি তৃপ্ত। ১৯৯২ সন থেকে আমি সরকারী মেডিকেল কলেজের শিক্ষক। এর ১৪ বছর ছিলাম আমার বিদ্যাপীঠ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে। হাজার হাজার ডাক্তার আমার ছাত্র ছিল। শত শত ছাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হয়েছে। খোজ খবর নেয় তারা। এক ছাত্র তো একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী। সংসদ সদস্যও আছে কেউ কেউ।

চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি আল্লাহ্‌ আমাকে কয়েকটি বিষয়ে এক্সপার্ট করেছেন। আমি একজন স্বশিক্ষিত কম্পিউটার প্রগ্রামার। আমার বানানো সফটওয়্যার শত জনের বেশী লোকে ব্যবহার করে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ করার ব্যপারেও আমি দক্ষ। তবে এগুলি আমার সখ। পেশা নয়। বর্তমানে তিনটি মেডিকেল জার্নাল এডিট করি । এটা আমার বার্তি কাজ।

চাকরির বয়স ফুরিয়ে আসছে। কর্ম ক্ষমতাও কমে যাচ্ছে। বাকী জীবনের জন্য কিছু কিছু উদ্যেশ্য আছে। বাড়িতে গোরস্থানে আমি শেষ সয্যা নিতে চাই। সাথে একটি মসজিদ। এই মসজিদটা পাকা বিল্ডিং হিসাবে দেখতে চাই। টাকার কোন সমস্যা নাই। বুদ্ধিমান লোকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জায়গা নির্ধারণ ও কমিটি গঠন নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। হয়তো দেখা যাবে আমার সেই বাকী জীবনের উদ্যেশ্য পুরণ হলো না। আল্লাহ চাইলে সব হবে।

শম্ভুগঞ্জ এসে গেছি শেষ করলাম লেখা। ধন্যবাদ।
২৭/১০/২০১৮

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *