খেজুরের রস

খেজুরের রস
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার)

আজ পৌষ মাসের ২৯ তারিখ। খুব শীত পড়েছে। ফজরের নামাজ পড়ে ময়মনসিংহ বাসা থেকে কিশোরগঞ্জ রওনা দিয়েছি। শহরে কৃষ্টপুর রাস্তায় দেখলাম এক রসওয়ালা ভার কাদে খেজুরের রস নিয়ে যাচ্ছে। মনে পড়লো খেজুরের রস নিয়ে মজার এক অভিজ্ঞতা। মোবাইলটা পকেট থেকে বের করে নোট প্যাডে গল্প লিখা শুরু করলাম। আশা করি জার্নিতেই লিখা শেষ করতে পারব।

খেজুরের কাঁচা রস ছোট বেলা থেকেই আমার খুব প্রিয়। আমি যখন খুব ছোট ছিলাম, যখন রিং নিয়ে সারা পাড়াময় দৌরাতাম। তখনকার কথা বলছি। আমাদের এলাকা পাহাড়ি এলাকা। এখানে খেজুর গাছ কম। বাড়ীতে বাড়ীতে একটা কি দুইটা খেজুর গাছ ছিল। শীত কালে খেজুর গাছের পাতার ঠিক নিচের অংশে তিন কোণা করে ছাল চেছে নিচের অংশে একটা বাঁশের টুকরা জিব্বার মতো করে লাগিয়ে দেয়া হতো। জিব্বা থেকে ফোটা ফোটা রস পড়তো। সবাই খেজুর গাছে উঠতে পারতো না। কেউ কেউ সারা শীতকাল সবার গাছ কেটে ঠিলা ঝুলিয়ে দিতো। ঠিলা হলো মাটির তৈরি ছোট কলশি। যারা গাছ বেয়ে উঠে এই কাজ করে দিতো তাদের বলা হতো গাউছা বা গাইছা। গাউছারা গাছ কেটে দিয়ে অর্ধেক রস নিজে নিতো আর অর্ধেক রস গাছের মালিককে দিতো। গাছের মালিকরা রস জ্বাল দিয়ে ঘন করে বৈয়ামে ভরে সিকায় তুলে রেখে দিতো। মাঝে মাঝে চিকন আতপ চাল দিয়ে খির পায়েস রান্না করে খেতো সেই রস দিয়ে। আত্বীয় সজনের বাড়ীও পাঠাতো কিছু কিছু। অতিরিক্ত রস হাটে নিয়ে বিক্রি করতো। গাউছারা একদিনে ৩০/৪০ টি গাছের রস পেতেন। তাদের বউঝিরা বাড়ীতে বিরাট বিরাট চুলা তৈরি করে বিরাট বিরাট করাইতে রস জ্বাল করে ঘন তারতার করে মাটিতে দইয়ের পাতিলের মতো গর্ত করে সেই গর্তের উপর নেকরা বিছিয়ে গরম ঘন রস ঢেলে দিতো। ঠান্ডা হবার পর সেগুলি শক্ত হয়ে পাতিলের আকার ধারন করতো। সেইগুলি হাটে নিয়ে গুড়ের পাইকারের কাছে বিক্রি করতো গাউছারা। শীতকালে আমরা খেজুরের রস ও গুড় দিয়ে খির পায়েস ও নানারকম পিঠা খেতাম। খেজুর গুড়ের ফুকা পিঠা (তেলের পিঠা) আমার খুব প্রিয় ছিল। মা আমাদের জন্য ফুকা পিঠা বানাতেন শীতের সকালে। আমি চুলার পাড়ে বসে হাত সেকতাম আর পিঠা খেতাম। পিঠা যখন সরিষা তেলে টগবগিয়ে ফুলতো মনে হতো করাই থেকে উঠিয়ে খেয়ে ফেলি। মা ফুকা পিঠা ভাজাকাটা (খুন্তি) দিয়ে ঘা মেরে ধরে আমার প্লেটে রাখতান। ছোট বোন সোমেলার প্লেটে রাখতেন। আমি ছোঁ মেরে ধরতাম। আংগুলে গরম লাগতো। কানের লতিয়ে আংগুলের মাথা ছোঁয়াতাম। জ্বালা একটু কমতো। নিমিষেই পিঠা খেয়ে ফেলতাম আমার পাতেরটা। সোমেলা ধীরে ধীরে খেতো। আমি কুত্তার মতো চেয়ে থাকতাম তার পিঠার দিকে। তার দৃষ্টি অন্য দিকে ফিরানোর জন্য বলতাম “দেখ ঐ যে বরুই গাছে একটা দইনস পাখী (দোয়েল)। ” এই সুযোগে টপ করে একটা পিঠা নিয়ে মুখে লুকিয়ে ফেলতাম। সে জানতোই না যে তার একটা পিঠা চুরি হয়েছে।
গাউছারা ভোরবেলা থেকেই ঠিলা নামানো শুরু করতো। দুপুরের পর থেকে গাছ চেছে পরিষ্কার করে আবার ঠিলা বেঁধে দিতো। সকাল থেকে দুপুরের পর পর্যন্ত গাছ ঠিলাবিহীন থাকতো। তখন অল্প অল্প রস টপ টপ করে মাটিতে পড়তো। টগা পাখী (বুলবুলি) গাছের জিব্বায় বসে রস খেতো। আমি ঢিল মেরে পাখী সরিয়ে দিতাম। যেখানে রস পড়তো সেখানে আমার জিব্বা বের করে দাঁড়িয়ে থাকতাম চাতক পাখীর মতো। অনেকক্ষণ পর একটা করে রসের ফোটা গাছের জিব্বা থেকে আমার জিব্বায় পড়তো। কি যে স্বাদ পেতাম সেই রসে !

বর্ষাকালে খেজুর গুড় পাওয়া যেতো না। তখন পাওয়া যেতো কুশাইরা গুড় (আখের গুড়)। আমরা কুশাইর চিবিয়ে রস খেয়েছি। কিন্তু কুশাইর ক্ষেত দেখিনি। কুশাইরের ছোবলা চিবিয়ে রস খাওয়ার মজাই আলাদা। কুশাইরের ছাল তুলে সর্তা দিয়ে বটি বটি করে কেটে দিতেন মা। তাতে সহজেই চিবানো যেতো সেগুলি। নৌকা যোগে ইন্দ্রজানী ও পলাশতলীর হাটে কুশাইর আসতো। বাবা বলতেন এই কুশাইর চর অঞ্চলে আবাদ হয়। ভুয়াপুর ও গোপালপুরের যমুনা নদীর চর অঞ্চলে কুশাইর আবাদ হয়। সেখানে চিনির কল আছে। সেখান থেকে লাল চিনি, পাটালি গুড় ও জাবা চিনি তৈরি হয়। সাদা চিনিকে বলতাম জাবা চিনি। জাভা চিনি থেকে জাবা চিনি হয়েছে কিনা আমি জানি না। সাদা পায়েস রান্না করতে জাবা চিনি ব্যবহার হতো। টক দই ও দুধের সাথে লাল চিনি খাওয়া হতো। লাল চিনি দিয়ে লাল খাজা বাতাসাও বানানো হতো। আজকাল শহরে দেখতে পাই রাস্তার ধারে, বিশেষকরে, গরমের দিনে মোটর চালিত মেশিন দিয়ে আখ ভাংগিয়ে গ্লাসে গ্লাসে রস বিক্রি করছে। আমি একবারও খেয়ে দেখিনি। তৃস্নার্ত পথিক সেগুলি কিনে খাচ্ছে দেদার্সে। আমি মেশিনের পিছনে দাঁড়িয়ে দেখেছি আখের নিচ দিয়ে বসানো আছে একটা বরফের পাটা। মেশিনের চাকা যখন ঘুরছে আখ ও বরফের পাটায় ঘষা লেগে অর্ধেক বরফের পানি ও অর্ধেক আখের রস বের হচ্ছে। গ্লাস ভরে খেয়ে নিচ্ছে পথিকরা। সেই গ্লাসে আগে থেকেই সেকারিন দিয়ে রেখেছে কিনা মিষ্টি হওয়ার জন্য তা আমি জানি না।
বয়েস বাড়ার সাথে সাথে রস খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি। এখন আর রস খাওয়া হয় না। আমি যখন বরিশালের বাকেরগঞ্জের চরামদ্দিতে মেডিকেল অফিসার হিসাবে ১৯৮৮ -৮৯ সনে চাকরি করতাম তখন নতুন করে আবার খেজুরের রস খেয়েছি। ওখানে অনেকদিন পর্যন্ত খেজুর গাছ রস দিত। অগ্রহায়ণ থেকে শুরু করে চৈত্র মাস পর্যন্ত। রসের ফেরিওয়ালা রাত ৯ টার দিকে রস নিয়ে আসতো আমার জন্য। আমি ময়মনসিংহে দেখেছি ফেরিওয়ালারা রস নিয়ে আসে সকালে। এখানে কেনো রাতে নিয়ে আসে তা জিজ্ঞেস করাতে ফেরিওয়ালা জানালো যে রাতের রস টাটকা এবং স্বাদের। সকালের রস বাসি এবং টক হয়ে থাকে। আমি মাঝে মাঝেই রাতে খেজুরের রস খেতাম বরিশালে। ওখানে এক বছর ছিলাম। আসার পর রাতে আর রস খাওয়া হয় নি। ময়মনসিংহে আছি ধীর্ঘদিন। মাঝে মাঝে বাড়ী থেকে রস পাঠায় আমার জন্য। পায়েস রান্না করে খাওয়া হয় কালিজিরা চাউল দিয়ে। ঘাটাইলের পার্শীর আমার চাচী শাশুড়ি (রফিক-শফীক-বাদল-রিপনের মা) একদিন এসেছিলেন আমার জন্য চামারা ধানের চাউল নিয়ে। তিনি কেমনে যেনো জেনেছিলেন যে আমার চামারাধানের চাউলের ভাত খুব পছন্দের। শীতকাল ছিল তখন। সকালের নাস্তায় রুটি না খেয়ে লাউয়ের পাতা ভর্তা দিয়ে চামারা চাউলের ভাত খেয়েছিলাম সেদিন। কথা প্রসংগে কাক্কী জানতে পারেন আমার চামারা ধানের মুঠা পিঠা ও আউশধানের নারিকেল চিড়া পাড়ও পছন্দের। তাই, একদিন তিনি আমার জন্য চামারা চাউলের মুঠা পিঠা নিয়ে আসেন। গত ভাদ্র মাসে তিনি আউশ ধানের চিড়া আখের গুড় ও নারিকেল দিয়ে চিড়া পাড় দিয়ে আমার জন্য নিয়ে এসেছিলেন। এই রেসিপিটির প্রতি আমার বাসার কারো আগ্রহ নেই। তাই, আমি ফ্রিজে রেখে একাই ধীরে ধীরে শেষ করেছি খেয়ে।

আপনি অধৈর্য হয়ে পড়েছেন আমার কথাগুলি পড়ে। যাহোক, আমি সেই খেজুরের কাঁচা রস খাওয়ার গল্পে আসি। আমি তখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের কোয়ার্টারে থাকতাম। একই বিল্ডিং-এ আমি থাকতাম তিন তলায় এবং গ্রাউন্ড ফ্লোরে থাকতো আমার ব্যাসমেট (মচিম ১৭), তৎকালীন ময়মনসিংহ বিএমএ -এর সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী। সে রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় লেইট মেরিজ করেছিল। তার এক ছেলে। নাম মাহমুদ হাসান মাহিন। মাহিন এখন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে এম বি এ পড়ছে। এই ছেলেটা যখন ছোট্ট ছিল তখন তার মা ডাঃ আফসানা রওশন এফ সি পি এস পড়ছে অথবা বিদেশে ট্রেইনিং করছে গাইনিকোলজিতে। মনে হতো সিদ্দিকীই মাহিনের মা, সিদ্দিকীই তার বাবা। একটা ছেলে তার বাসায় রান্না করতো। সেই ছেলেই ছিল মাহিনের খেলার সাথী। মাহিনকে দেখে আমার মায়া হতো। বাসার সামনে তাকে খেলা করতে দেখতাম। আংকেল বলে ডাক দিতো। মিষ্টি কিছু খেতে দিতে ইচ্ছে করতো। কিন্তু অন্যের সন্তানকে না জানিয়ে কিছু খাওয়ানো ঠিক না জেনে কিছু খাওয়াতাম না।
এমনি এক শীতের সকালে বাসার সামনে হাটছিলাম। মাহিন ছেলেটাও রোদ পোহাচ্ছিল। সামনে পড়লো এক খেজুরের রসওয়ালা। খুব খেতে ইচ্ছে করলো আমার। এতদিনে আমি কাঁচা খেজুরের রস খাওয়ার অপকারিতা জেনে গেছি। জেনে গেছি রাতে বাদুড় ও অন্যান্য নিশাচর পাখী হারী থেকে রস খেয়ে যায়। নানারকম রোগ জিবানু মিশিয়ে যায় রসে। এরমধ্যে নিপা ভাইরাস অন্যতম। কাজেই কাঁচা রস খাওয়া ঠিক না। আমি এদিকসেদিক তাকিয়ে দেখলাম কেউ দেখছে না। হয়তো রান্নাঘর থেকে পিছনের জানালা দিয়ে কোন কোন কাজের মেয়ে দেখে থাকতেও পাড়ে। তা জেনেও জীবনের রিস্ক নিয়ে তীব্র আকর্ষন নিয়ে একগ্লাস কাঁচা রস খেলাম। কি আছে জীবনে! খেয়ে মরি। খাওয়ার পর দেখলাম মাহিন আমার সাথে ঢোক গিলছে। মনে হলো ছেলেটাকে যদি আমি রস না খাওয়াই তার আফসোস থেকে যাবে। আমারও খারাপ লাগবে। আমি মাহিনকে জিগালাম “আংকেল, রস খাবে?” মাহিন ঘার বাকিয়ে সম্মতি জানালো। মাহিনকেও একগ্লাস খাওয়ালাম। চাচা ভাতিজার কারবার কেউ জানলো না।

রাত ১২ টার পর পেটের কামুড়ে ঘুম ভাংলো। উঠে লেট্রিনে গেলাম। কোন রকম বেগ ছাড়াই প্রায় দুই লিটার পানি বের হয়ে গেল পাতলা পায়খানার সাথে। ভয় পেয়ে গেলাম। ঘরে খাবার সেলাইন ছিল। জগের পানিতে ঢেলে দিলাম ঘুটা। বাস, খেয়ে নিলাম এক জগ। কাউকে জানালাম না। ফজরের নামাজের আগে আবার ঘুম ভেংগে গেলো পেটের কামুড়ে। আবার আগের মতোই গেল পানি। আবার পান করলাম সেলাইন। এবার দুর্বল হয়ে পড়লাম। সকাল সাতটার দিকে আবার গেলাম। আবারো তাই হলো। আমি বুঝতে পারলাম মৃত্যু আমার অবধারিত। এইভাবে মৃত্যু হলে কাউকে না জানানোই ভালো। মৃত্যুর পর সবাই বলাবলি করবে “বেয়াক্কল ডাক্তার, খাইছে কাঁচা বাসি রস। মরবেই তো। ” রহস্য নিয়েই মরে যাই। এক সময় মনে হলো ভাতিজার কথা। আমার যদি এমন হয়ে থাকে ভাতিজারও হবার কথা। আল্লাহয় জানেন ভাতিজার খবর। ভয়ে ভয়ে ভাতিজার বাসায় গেলাম।
– দোস্ত, বাসায় আছো নি?
– তালুকদার, ভিতরে আসো।
– কি খবর, কেমন আছো সবাই?
– কি আর থাকি? ছেলেটার খুব পাতলা পায়খানা। বিছানায় পড়ে গেছে। আমি একা সামলাতে পারছি না। মনটা ভালো নেই।

আমার অন্তর কেপে উঠলো। সর্বনাশ মনে হয় করে ফেলেছি। মহা বোকামি হয়ে গেছে। জানাজানি হয়ে গেলে বিপদ আছে। অন্তরকে বললাম “অন্তর, সাবধান, কথা কম। তাড়াতাড়ি কেটে পড়। ”

– দোস্ত, বাইরের কিছু খায় নি তো?
– কেমনে বলব? সবসময় তো বাসায় থাকি না। ফেরিওয়ালা থেকে কিছু খেয়েছে কি না কেমনে বলবো।
– সাবধান থাকতে হবে। বাইরের খাবার থেকে রোগ জীবাণু আসতে পারে। এই বয়সে বাইরের জিনিষ খেতে চাইবে।

আমি মাহিনকে দেখলাম নি:তেজ হয়ে শুয়ে আছে। খুব খারাপ লাগলো দেখে। তাড়াতাড়ি বিদায় নিলাম সুস্থতা কামনা করে।

আমরা উভয়েই আল্লাহ্‌র রহমতে বেঁচে গেলাম। মাহিন জানতে পাড়ে নাই কি থেকে কি হয়েছে। আমি আমার বোকামির স্মৃতি নিয়ে বেড়াচ্ছি। সুখের স্মৃতির কথা সবাইকে বলা যায়। কিন্তু বোকামির কথা কাউকে বলা যায় না। অনেকদিন পর আমি আমার অত্যন্ত কাছের দুইএকজনকে খুব সম্ভব আমার এই বোকামির কথা বলেছি। গত দুই তিন বছর আগে আমাদের ব্যাচের একটা রিইউনিয়ন হয়েছিল ভালুকায় এক রিসোর্ট-এ। ৪/৫ বন্ধু মিলে একই গাড়ীতে যাচ্ছিলাম ভালুকায়। বন্ধুরা মিলে অনেক মজার মজার স্মৃতি চারণ করতে করতে যাচ্ছিলাম। মাহিনের রস খাওয়ার ঘটনাটি বলার জন্য আমার পেটের ভিতর ভকভক করছিল। বলবো কি বলব না দ্বিধা ধন্ধ হচ্ছিল। এক সময় মনে হলো রিস্ক নাই। বলেই ফেলি। তাই বলেই দিলাম ঘটনাটি। সিদ্দিকী শুধু উচ্চারণ করল “তালুকদার ডটকম, তাইলে এই কথা! এইজন্য তুমি সকাল সকাল আমার বাসার খোজ নিতে এসেছিলে! সেদিন আল্লাহই বাঁচিয়েছে আমার মাহিনকে। ”

আজ গল্পের রসে রসে খেজুরের কাঁচা রস খাওয়ার বোকামির কথা আপনাকে বলে দিলাম। কাউকে বলবেন না যেনো। তবে আপনাকে জানিয়ে রাখি, আমি তারপর থেকে আর খেজুরের কাঁচা রস খাই না।


তারিখ : ১২/১/২০১৯ ইং
স্থান: ময়মনসিংহ -কিশোরগঞ্জ -ময়মনসিংহ জার্নি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *