হার্টের ভিতর ছিদ্র

 

শওকত সাহেব চাকরি থেকে অবসরে যাবার পর পেনশনের টাকা দিয়ে ময়মনসিংহ শহরে এক টুকরা জমি কিনেছিলেন। সেই জমিতে পাঁচতলা ফাউন্ডেশন করে নিচ তলা পার্কিং রেখে তিন তলা পর্যন্ত উঠায়ে আপাতত ক্ষান্ত দিয়েছেন। এক ইউনিটে তিনি থাকেন। বাকীগুলি ভাড়া দিয়েছেন। বাড়ির কাজ উদ্ভোদন করার সময় তিনি মিলাদ দেন নি। এমনকি বাড়িতে উঠার সময়ও তিনি মিলাদ দেন নি। মিলাদ দেয়াকে তিনি ইসলামের বিধান মনে করেন না। তিনি টেলিভিশনে এক নির্ভরযোগ্য আলেম থেকে শুনেছেন “মহানবী হযরত মুহম্মদ (স:)-এর জীবদ্দসায় বা তার ইন্তেকালের পর সাহাবাগন কেউ মিলাদ দেন নি। তার জন্য দরূদ পড়েছেন। জন্ম দিবস, মৃত্যু দিবস, বিশেষ দিবস বা বাড়িঘর উদ্ভোদনের সময় মুসলিমদের মধ্যে মিলাদের প্রচলন হয়েছে।” মিলাদ নিয়ে মতভেদ আছে। ইসলামের অনেক আলেম মিলাদকে ইবাদত মনে করেন। অন্যায় মনে করেন না। তবে শওকত সাহেব মিলাদ দেয়া সঠিক মনে করেন না। তাই তিনি মিলাদ দেন না। বাড়ির ইউনিটগুলি বসবাসের উপযুক্ত হলে তিনি নফল নামাজ পড়ে আল্লাহ্‌র কাছে ঘরের বরকত ও নিরাপদের জন্য প্রার্থনা করেছেন। মিলাদ না দেওয়াতে পাড়ার অনেক লোক শওকত সাহেবের প্রতি নাখোশ। মিলাদের পর তাবারক দেয়া হয়। তাবারকের মধ্যে জিলাপি একটা সুসাধু আইটেম। পাড়ার বাচ্চাদেরকে মিলাদের তাবারক থেকে বঞ্চিত করেছেন শওকত সাহেব। শওকত সাহেবের মনে আছে “ছোট বেলা পাড়ার ঘরে ঘরে মিলাদ হত। হুজুর কত সুন্দর সুর করে মিলাদ পড়তেন। মিলাদের সুরে পাড়ার পোলাপান জড়ো হতো। শওকত সাহেবও জিলাপি খেতে যেতেন। পোলাপানরা মিলাদের সময় গোলমাল করত। হুজুর

মিলাদের মধ্যেই মিলাদের সুরে সুরে বলতেন

 

‘পোলাইপান গোলমাল করিস না,
নইলে কইল খাজা পাবি না।’

মিলাদের পর কেউ সাদা রংগের খাজা, বাতাসা ও কদমা দিত। কেউ দিত জিলাপি। কতই না সাধ লাগত! লাগুক সাধ। মিলাদ দেয়া যাবে না।”

দোতলার এক ইউনিট ভাড়া নিয়েছেন খলিল সাহেব। তিনি কমার্সে মাস্টার্স। তার স্ত্রী রেবেকাও এক সাথে মাস্টার্স করেছেন। ভালবেসে উভয়েই বাবা-মার অমতে বিয়ে করেছিলেন। তাই তারা তাদের প্রতি নাখোশ। পরিবার থেকে কেউ তাদেরকে গ্রহণ করেন নি। খলিল সাহেব একটি কোম্পানির এক্সিকিউটভ-এর চাকুরি করেন। ছোট ভাইকে খলিল সাহেব খুব স্নেহ করেন। তাই তাকে নিজের কাছেই রেখেছেন। এখানে থেকেই কলেজে পড়ে ছোট ভাই ছোটন। কলেজে ছোটনের একটা গার্ল ফ্রেন্ড আছে। একদিন রেবেকা কি কাজে ঢাকায় গিয়েছিলেন। খলিল সাহেব দিনের বেশীরভাগ সময় অফিসে থাকেন। এই সুযোগে ছোটন বান্ধবীকে নিয়ে বাসায় এল। এই সময় খলিল সাহেব ছোটনকে মোবাইলে ফোন দেন। ফোনে কথা বলার সময় মেয়েটি কি যেন বলে উঠে ওয়াসরুম থেকে। খলিল সাহেব প্রশ্ন করেন
: বাসায় মেয়ে মানুষের কন্ঠ শুনতে পাচ্ছি?
: কই না তো। আমি তো একাই আছি।
: আমি দিব্বি শুনলাম মেয়ের কন্ঠ।
: আপনি ভুল শুনেছেন, ভাইয়া।

রেবেকা সন্তান সম্ভাবনা ছিল বাসায় উঠার আগেই। সিজারিয়ান সেকশন হয়ে একটা মেয়ে বাচ্চা হল রেবেকার। নানা-নানী, দাদা-দাদী, ফুফু-খালা কেউ দেখতে এল না অভিমান করে। ডেলিভারির সময়ই বাচ্চার ওজন কিছুটা কম ছিল। রেবেকা প্রসুতি অবস্থায় নিয়মিত খেয়েছেন। তারপরও বাচ্চার ওজন কম হয়েছে, এ নিয়ে রেবেকার খুবই মন খারাপ।

বাসায় মুরুব্বী মানুষ না থাকাতে রেবেকার অনেক অসুবিধা হয়। বাচ্চা পালনে তার অভিজ্ঞতা নেই। মা-খালারা এই সময় বাসায় থাকলে ভাল হত। খলিল সাহেব বেশীক্ষণ অফিসে থাকেন। বাচ্চা খুব কান্না করে। কম কম খায়। এনিয়ে রেবেকা পেরেশানিতে থাকেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে রেবেকার এক বান্ধবী এম বি বি এস পাস করেছেন। তাকে ফোন দেয়

: ডাঃ মলি, আমার বাচ্চা খুব কান্না করে, খেতে চায় না।

: পৃথিবীর সব মায়েদেরই কমন কমপ্লেইন হল বাচ্চা কান্না করে, খায় না। এমনকি নাদুস নুদুস বাচ্চার কথাও মায়ে বলবে ‘কিচ্ছু খেতে চায় না।’ ঠিক মতো বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াও। মাঝে মাঝে ওজন দিয়ে তারিখসহ লিখে রাখবে। পরে একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞকে দেখাবে।

বাচ্চার বয়স তিন মাস হয়ে গেল। সমস্যা বেড়েই চলেছে। বাচ্চা যখন বেশী কান্না করে তখন হাত পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ নীল হতে হতে কালো হয়ে যায়। আবার ধীরে ধীরে বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন রঙ ধারণ করে। একদিন কান্না করে বাচ্চা অজ্ঞান হয়ে গেল। ডাক্তার বান্ধবীকে ফোন করাতে তিনি শীগগির কাছের কোন এম বি বি এস ডাক্তারকে দেখাতে বললেন। দেখানোর আগেই রুগী স্বাভাবিক হয়ে গেল। ডাক্তার খুব ব্যাস্ত ছিলেন। বললেন “যখন অজ্ঞান হয় তখন নিয়ে আসবেন। তিনি ভালভাবে দেখলেন না।”

পাশের বাসার অভিজ্ঞ দ্বাড়োয়ান খলিল সাহেবকে পরামর্শ দিলেন

: আমি এই এলাকায় বহু বছর ধরে থাকি। এই এলাকা বেশী ভাল না। এখানে অনেক ঝোপঝাড় ছিল। জিন ভুতের আড্ডাখানা ছিল। সেই ঝোপ পরিষ্কার করে দালান দিয়েছেন। জিনেরা খুব কেপা। ছোট ছোট শিশুর উপর তাদের খুব আছর। আপনার বাড়ির মালিক বাড়ি করার সময়, বাড়িতে উঠার সময় মিলাদ দেন নি। এই বাসায় জিনের আছর বেশী হওয়ার সম্ভাবনা। আপনার মেয়ের উপর জিনের আছর হয়েছে। ডাক্তারের কাম না। হুজুরের কাম। হুজুর এই মহল্লায় ত্রিশ পয়ত্রিশ বছর যাবৎ মিলাদ পড়ান, কোরআন খতম পড়ান, জালালী খতম পড়ান ও জিন ভুত তাড়ানোর তদবির করেন। কাউকে তাবিজ দেন। কাউকে পানি পড়া দেন। হুজুরকে বাসায় নিয়ে আসুন। তাকে কিছু হাদিয়া দিয়ে দিয়েন। এই হাদিয়া দিয়েই তার সংসার চলে।”

খলিল সাহেব হুজুরকে বাসায় নিয়ে এলেন। সব কথা শুনে বললেন

: বাচ্চাটাকে শক্ত জিনে ধরেছে। বাচ্চার রঙ পরিবর্তন করা জিন।

: এখানে জিন আসবে কিভাবে। জিন আছে নাকি?

: কেন, আপনি জিন বিশ্বাস করেন না? পবিত্র কোরআনে জিনের কথা স্পষ্ট উল্লেখ আছে। জিন ভাল মন্দ দুই রকমই আছে। আপনার বাচ্চাকে খারাপ জিনে ধরেছে। আমি এর জন্য তদবির করব। একটা তাবিজ নিতে হবে বাচ্চার মাকে। আরেকটা নিতে হবে বাচ্চাকে। আপনি কোরআন পড়তে পারেন?

: পাড়ি কিন্তু অর্থ বুঝি না।

: অর্থ বুঝতে হবে না। আপনি রাত জেগে বাচ্চার পাশে সুরা ইয়াসিন পড়বেন। বাচ্চা বেশী কাঁদবে না।
হাদিয়া নিয়ে হুজুর তাবিজ দিলেন।
বাচ্চার বয়স ছয়মাস হয়ে গেল। রোগ ভাল হচ্ছে না। হুজুর বললেন

: বাচ্চাকে শক্ত জিনে ধরেছে। এইখানের ঝোপেই তার বসবাস ছিল। সহজে সে ছাড়বে না। এই বাসায় মিলাদ দেয়া হয় নি। সেই থেকে জিনের রাগ। পারলে বাসা পাল্টান। অন্য মহল্লায় চলে যান।

: ঠিক আছে। আমি বাসা পাল্টাচ্ছি।

খলিল সাহেব শওকত সাহেবকে জানালেন
: আংকেল, কিছু মনে নিবেন না। আমি এই বাসা ছেড়ে দেব।
: কেন? কোন সমস্যা?
: আপনি এই বাসায় মিলাদ দেন নাই। এই বাসায় জিনের আছর আছে। আমার বাচ্চাকে ধরেছে। আমি একদিন মোবাইলে জিনের কথা শুনেছি। আমার ছোট ভাইকে বাসায় ফোন করেছিলাম। বাসায় নারী কন্ঠ শুনতে পেলাম। অথচ ঐ সময় কোন নারী আমার বাসায় ছিল না।
: শুনেন, আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ। আপনিও এসবে বিশ্বাস করেন? আমি আপনার স্ত্রীকে আমার মেয়ের মত জানি। আপনার মেয়ে হয়েছে তাতে আমি খুশী এই জন্য যে আমি একটি নাত্নি পেলাম। মেয়ের অসুখ হয়েছে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখান। এসব আপনি কি বলছেন? সাবধান, আজে বাজে কথা না বলে বলেন ‘আমার এখন বড় বাসা দরকার, তাই ছেড়ে দিচ্ছি।’ এসব কথা শুনলে কেউ কি আমার বাসা ভাড়া নিবে?
রাস্তায় দেখা হল হুজুরের সাথে। শওকত সাহেব বললেন
: হুজুর, আপনি নাকি বলেছেন আমার বাসায় জিন আছে? ভাড়াটিয়ার বাচ্চাকে জিন তাড়ানোর তাবিজ দিয়েছেন।
: ঠিক কথাই বলছি।
: আপনি তাবিজ বিক্রি করেন?
: বিক্রি না। লোকে আমাকে হাদিয়া দেয়।
: তাবিজ দিয়ে হাদিয়া নেয়া ঠিক? তাবিজে আর কয় টাকা খরচ হয়?
: ডাক্তাররা যে এক খোচা লিখেই এক হাজার টাকা নেন। তাদের কয় টাকা খরচ হয় লিখতে?
: ডাক্তাররা অনেক বছর এই লাইনে পড়াশুনা করেন, অনেক টাকা খরচ করে এই বিদ্যা শিখেন। তারা নিতে পারে। আপনি আল্লাহ্‌র রাস্তায় ফিকির করে কেন টাকা নেন?
: আমাকেও অনেক টাকা খরচ করে পড়তে হয়েছে, অনেক বছর পড়াশুনা করতে হয়েছে, অনেক চেষ্টা তদবির করে এই তাবিজের কাজ করতে হয়। কেন আমাকে হাদিয়া দিবেন না?
: আমি তো জানি ইসলামে তাবিজের বিধান নাই।
: আপনি বাংলা লাইনে লেখাপড়া করেছেন। কতটুকুই বা জানেন?

শওকত সাহেব তর্ক আর না বাড়িয়ে নামাজে চলে গেলেন।

খলিল সাহেব বাসা ছেড়ে দেয়ার পর উজ্জ্বল সাহেব বাসা ভাড়া নিলেন। চমৎকার মানুষ তিনি। তারও এক বাচ্চা। তার হল ছেলে। বয়স দেড় বছর। শওকত সাহেব বাচ্চাটিকে নানা বলে ডাকে। সেও তাকে নানা ডাকে। এবার শওকত সাহেব বেশ আনন্দে কাটান ভাড়াটে নাতী নিয়ে।

এদিকে খলিল সাহেবের বাচ্চার অসুখটা আরও বেড়েছে। তার এক আত্বীয় ডাক্তারের নির্দেশক্রমে শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ ইব্রাহীম সাহেবকে দেখানো হল। ইতিমধ্যে বাচ্চার বয়স দেড় বছর হয়ে গেছে। ইব্রাহীম সাহেব সব কথা শুনে বাচ্চাকে শারীরিক পরীক্ষা করে কিছু ইনভেস্টিগেশন করাতে দিলেন। বুকের এক্সরে, ইসিজি ও ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে ইব্রাহীম সাহেবকে দেখালেন। ইব্রাহীম সাহেব বললেন

: আপনার বাচ্চার কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজ, মানে জন্মগত হৃদরোগ আছে। যাকে আমরা বলি টেট্রালজি অব ফেলট। এই রোগে এক সাথে চারটি ডিফেক্ট থাকে। ভেন্ট্রিকুলার সেপ্টাল ডিফেক্ট, অভারাইডিং এওরটা, রাইট ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি ও পালমোনারী আর্টারি স্টেনোসিস।

: এত জটিল কথা আমি বুঝব?

: এই রোগে হার্টের একটা পার্টিশনে ছিদ্র থাকে। মুলত সেই ছিদ্র দিয়ে দুষিত রক্ত পরিশোধিত রক্তের সাথে মিশে যায়। বাচ্চা যখন কান্না করে তখন বেশী রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। দুষিত রক্ত নীল বা কালো। বিশুদ্ধ রক্ত লাল। মিক্সার হলে অন্য কালার হয়ে যায়। তাই গায়ের রঙ বদলাতে থাকে। এই রোগে আশানুরূপ ওজন বাড়ে না। দেখুন হাত পায়ের আংগুলের মাথা কেমন বলের মত গোল হয়েছে। আমরা এটাকে ক্লাবিং বলি। এটাও এই রোগের লক্ষণ।

: তাহলে জিনে ধরে নাই?

: কি বলছেন পাগলের মত? দেখে তো শিক্ষিতই মনে হচ্ছে। আমি ঢাকায় পাঠাচ্ছি বিখ্যাত শিশু কার্ডিয়াক সার্জন ডাঃ নূর মোহাম্মদ স্যারের কাছে। তিনিই এর চিকিৎসা করবেন।

নুর মোহাম্মদ সাহেব সব দেখে বললেন

: আমি ছয় মাস ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করব। যদি ভাল না হয় তবে ওপেন হার্ট সার্জারি করে ছিদ্র বন্ধ করতে হবে।

: আল্লাহ্‌ ভরসা।

ছয় মাস পরও রুগী ভাল না হলে ইব্রাহীম সাহেব ওপেন হার্ট সার্জারি করে রুগী সুস্থ করে দিলেন। অপারেশনের সময় শতকরা ১০ ভাগ সম্ভাবনা ছিল মারা যাওয়ার। এটা জেনেও খলিল সাহেব অপারেশনে রাজি হন।

একদিন মার্কেটে শওকত সাহেবের সাথে দেখা হয় খলিল সাহেবের। কুশল জানার পর বিস্তারিত বর্ণনা করেন খলিল সাহেব। শওকত সাহেব বাচ্চাকে নিয়ে তার বাসায় যাওয়ার দাওয়াত দেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিন খলিল সাহেব স্ত্রী ও বাচ্চা নিয়ে শওকত সাহেবের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শওকত সাহেব নিচ তলার পার্কিংএ উজ্জল সাহেবের ছেলের সাথে খেলা করছিলেন। মেহমান দেখে খেলা শেষ করলেন। দুই বাচ্চা মিলে খেলা করা শুরু করল। বড়রা প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে গল্প করতে লাগলেন। এক পর্যায়ে দুই বাচ্চায় ঝগড়া শুরু করল। উজ্জল সাহেবের বাচ্চা বলল

: নানা, এই মেয়েটা আমাকে চিমটি দেয়।

: তোমরা খেল। ঝগড়া করে না। ভাইয়া হয়।

খলিল সাহেবের মেয়েটাকে উজ্জল সাহেবের ছেলে মারার জন্য তাড়া করল। মেয়েটি নানা নানা বলে দৌড়িয়ে শওকত সাহেবের কোলে উঠে বসে তার লম্বা লম্বা পাকা দাড়ি টানতে লাগলো। রেবেকা দেখে ভাবল “তার বাবা আসলে এই ভাবেই তো নানা নানা বলে ডেকে কোলে বসতো। তিনি কি কোনদিন মেয়েকে মেনে নিবেন? একদিন হয়ত মেনে নিবেন। কিন্তু তখন তার নাত্নী বড় হয়ে যাবে। এভাবে দাড়ি ধরে টনবে না।”

==

বি:দ্র: এই গল্পের সকল চরিত্র ও ঘটনা কাল্পনিক।

১১/৫/২০১৮

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *