আমার প্রথম পাঠ

মায়ের সাথে নানাবাড়ি গিয়েছিলাম। মা প্রতি বছর শীতকালে ২০/৩০ দিন এবং বর্ষা কালে ২০/৩০ দিন নানাবাড়ি নাইয়োর থাকতেন। নানাবাড়ি কালিহাতির রৌহা গ্রামে। নিচু ভুমি। মাটি দিয়ে অনেক উচু ভিটা নির্মাণ করে অনেকগুলি পরিবার ঘন ঘন ঘর নির্মাণ করে থাকতেন। খুব ছোট ছিলাম। একদিন সকাল বেলা ঘরের চিপা দিয়ে Continue reading “আমার প্রথম পাঠ”

আমার প্রথম হাট দর্শন

(স্মৃতির পাতা থেকে)
আমাদের বাড়ীর কাছে হাট ছিল না। আমাদের এলাকায় হাট ও বাজারের মধ্যে পার্থক্য ছিল। হাটে সপ্তাহে নির্দিষ্ট একটি বা দুইটি বারে কেনা বেচার উদ্দেশ্যে অনেক মানুষ একটি নির্দিষ্ট স্থানে জমা হত। সাধারণত দুপুরের পর হাট বেশী জমত। হাট বসার স্থানে অথবা অন্য কোন নির্দিষ্ট স্থানে সকাল নয়টা দশটার দিকে প্রতিদিন কিংবা নির্দিষ্ট দিন অল্প কয়েকটি জিনিষ বিশেষ করে গাভীর দুধ বিক্রি হত। সেটাকে বলা হত বাজার। আর ঐ সময়টাকে বলা হত Continue reading “আমার প্রথম হাট দর্শন”

ওয়াবক ও অজগরের ভয়

(স্মৃতির পাতা থেকে)
ছোট বেলায় যখন আমাদের ঘুম আসত না তখন ভয় ভিতিকর গল্প বলে মা আমাদেরকে চুপ করিয়ে ফেলতেন। শীতের রাতে লেপের নিচেও যেতে চাইতাম না। হঠাৎ বাতি নিভিয়ে দিয়ে মা বলতেন “এই ওয়া বক আইল।” ওয়া বক একটি কাল্পনিক আজব বক ছিল। বাড়ির পাশে ছেছড়া গাছে এক ঝাক শারষ পাখি থাকত। আমার কল্পনায় এর চেয়েও বড় বিভৎস এক ধরনের লম্বা ঠোট ওয়ালা পাখী হতে পারে ওয়াবক। মনে হত সিলিং এর উপর বসে Continue reading “ওয়াবক ও অজগরের ভয়”

আমার ছোটবেলার নানাবাড়ি

(স্মৃতির পাতা থেকে)
আমার নানাবাড়ি টাংগাইল জেলার, কালিহাতি উপজেলার রৌহা গ্রামে। কালিহাতি থেকে ৪/৫ কিলোমিটার পুর্বে বংশী নদীর Continue reading “আমার ছোটবেলার নানাবাড়ি”

আমার দাদাবাড়ী

আমার দাদাবাড়ী টাংগাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার ভিয়াইল গ্রামের দক্ষিন পাড়ায়। কালিহাতি শহর থেকে ৪/৫ কিলোমিটার পুর্বে। বংশী নদীর ১ কিলোমিটার পশ্চিমে। এলাকাটি খুব নিচু।অল্পতেই বন্যা হয়। স্থানীয় ভাষায় ভর অঞ্চল বলা হয়। দাদার নাম মোকসেদ আলী তালুকদার ওরফে মোকসে তালুকদার। দাদারা ছিলেন ৫ ভাই। কায়েম উদ্দিন তালুকদার, মেছের উদ্দিন তালুকদার, মোকসেদ আলী তালুকদার, জয়নাল আবেদীন তালুকদার (আজ তালুকদার) ও মাজম আলী তালুকদার (মাজ তালুকদার)। মাজ তালুকদারকে আমি দেখি নাই। তিনি বিয়ে করার Continue reading “আমার দাদাবাড়ী”