বক্তৃতায় বিভ্রাট

বক্তৃতায় বিভ্রাট

(স্মৃতি কথা)

ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

গত ২০১৭ সনের শীতে বাটাজোর গিয়েছিলাম আজিজ মাস্টার ভাইর ছেলের বিয়ের দাওয়াত খেতে। সেই সুজোগে বাটাজোর বি এম হাই স্কুলেও যাওয়া হলো। এর আগে বাটাজোর গিয়েছিলাম ২০০৪ সনে, ২০০৫ সনে হজ্জে যাওয়ার আগে দোয়া নিতে। সেদিন ক্লাসমেট বন্ধু খোরশেদকে নিয়ে ঘুরেছিলাম। সেই বন্ধুকে এবার পেলাম না। ২০০৮ সনে হার্ট এটাকে মারা গেছে। পেলাম ক্লাস মেট বন্ধু কাশেমকে। কাশেম এখন এই স্কুলেরই শিক্ষক। এবার ঘুরলাম কাশেম ও মীরজাহান তালুকদারকে নিয়ে। ঘুরলাম আর বারবার খোরশেদকে মনে পড়লো। তারও অনেক আগে একবার পরিবার নিয়ে বাটাজোর গিয়েছিলাম। তার আগে গিয়েছিলাম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়ার সময়। কাজেই, ১৯৭৭ সনে বাটাজোর থেকে এস এস সি পাস করার পর মাত্র চার/পাঁচ বার যাওয়া হয়েছে। আমাদের সময় অত্র অঞ্চলে এই স্কুল সবচেয়ে ভালো ছিলো। তাই এই স্কুলে পড়ার জন্য আমি ক্লাস নাইনে উঠে চলে আসি কচুয়া পাবলিক হাই স্কুল থেকে। বাড়ি থেকে এই স্কুল প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে। তাই, এখানে অবস্থান করতে হয়েছে আজিজ ভাইদের বাড়িতে এক বছর এবং মুক্তার আলী মন্ডল চাচার বাড়িতে এক বছর এবং শেষের দু’তিন মাস হোস্টেলে। আজিজ ভাই তখন এস এস সি পাস করে কলেজে ভর্তি হলেন। সহিদ মন্ডল মাস্টার ও সাইদুর রহমান দলু মন্ডল মাস্টার তখন পড়া শুরু করলো মাত্র।

 

ঐদিনের তিন জায়গার তিনটা ঘটনা আমি এখানে তুলে ধরব। ভোরে ময়মনসিংহ থেকে রওনা দিয়ে সকাল আটটার দিকে আজিজ ভাইদের বাড়ি গিয়ে পৌঁছলাম। উপহার বক্সটা ড্রপ করে নাস্তা করে চলে এলাম স্কুলে। স্কুল থেকে গেলাম সহিদ মন্ডলদের বাড়িতে। সেখান থেকে গেলাম আজিজ ভাইদের বাড়িতে বিয়ের দাওয়াতের প্যান্ডেলে। বিয়ের দাওয়াতে আমাদের এলাকা থেকেও অনেক মেহমান গিয়েছিলেন। আজিজ ভাই আমাদের এলাকায় বড় চওনা হাই স্কুলের শিক্ষক। সব শিক্ষক গিয়েছিলেন দাওয়াতে। আমার বন্ধু ছমির মাস্টারও ছিল সেখানে। সবাইকে পেয়ে বেশ ভালোই লাগছিলো। আজিজ ভাই আমাকে পেয়ে আনন্দে গদগদ ছিলেন। আমাকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন টেবিলে ঘুরে ঘুরে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিলেন এভাবে “এই যে আমার খালাতো ভাই ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার, বিভাগীয় প্রধান।” সবাই আমার হাতে হাত মিলাচ্ছিলেন। আমি লজ্জাবোধ করছিলাম। আজিজ ভাইর কানে কানে বললাম “ভাই, ওভাবে না বলে বলুন সহকারী অধ্যাপক ও প্যাথলজি বিভাগের প্রধান, কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ। সবাই মনে করছে আমি ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান।” তিনি সামান্য বিরক্তির সাথে বললেন “আরে রাখো তোমার সহকারী। বিশ বছর ধইরা খালি সহকারী সহকারী বলতাছি। শুনতে কেমন শোনা লাগে ! যা বুঝে বুঝুক।” আমি বললাম “ভাই, আমি তো সতের বছর আগেই প্রমোশনের যোগ্যতা অর্জন করেছি। মন্ত্রণালয় প্রমোশন দেন । কোন ইন্টারভিউ দিতে হয় না। কাগজপত্র দেখে প্রমোশন দেন। আমার কেনো হয় না তা কেউ বলতে পারে না। কেনো হয়নি তার কেউ সৎ ব্যাখ্যা আমাকে দিতে পারেনি। হতাস হয়ে আল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছি। আল্লাহ যা করেন আমার ভালোর জন্যই করেন। আপনার কষ্টের জন্য আমি লজ্জিত।” আজিজ ভাইর কষ্টের জন্য আমার মনের কষ্টটা এক মাত্রা বেড়ে গেলো।

 

সহিদ মন্ডলদের বাড়িতে গিয়ে সবার সাথে কুশল বিনিময় করে হালকা নাস্তা করে দেখতে চাইলাম আমি যে ঘরে থাকতাম সেই বাংলাঘরটা। দলু মন্ডল বলল “কাকা, ওটা তো আগে কোঠাঘর ছিল। ওটা ভেংগে আবার ঘর দিয়েছি। আমি পরিবার নিয়ে থাকি সেই ঘরে। ওটা এখন বাংলাঘর না। আমার ঘর। চলুন সেই ঘরে।” আমরা সেই ঘরে প্রবেশ করলাম। দলু ঘরের কাঠের ধর্না দেখিয়ে বললো “কাকা, এই যে আপনার হাতের লেখা।” আমি এই ঘরে এক বছর ছিলাম ১৯৭৬ সনে। আমার বেডের উপরের কাঠের ধর্নায় সাদা চক দিয়ে বাংলায় ও হিন্দিতে আমার নাম লিখেছিলাম মোঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার। সেই চকে লেখা নাম এখনো দেখা যাচ্ছে। হিন্দি লেখাটুকু একটু অস্পষ্ট হয়েছে। আমি বললাম

– এখানে চক দিয়ে লিখেছিলাম ১৯৭৬ সনে। আজ থেকে প্রায় ৪২ বছর আগে। ন্যাকড়া দিয়ে সামান্য ঘষা দিলেই উঠে পড়ার কথা। এতদিন কি সেই লেখা ছিল? তোমরা কি তার উপর দিয়ে চক দিয়ে আবার লিখেছো?

– না, কাকা। সেই লেখাই। আমরা আপনার স্মৃতিতে হাত দেইনি। ঘর ভাঙ্গার সময় খুব সাবধানে ধর্না নামিয়েছি যেনো লেখা না মুছে যায়। যতদিন পারি আমরা এই স্মৃতি ধরে রাখবো।

 

আমি আবেগে প্রায় বাকরুদ্ধ হলাম। ৪২ বছর চকের লেখা টিকিয়ে রেখেছে ! বাড়ির সামনের নারিকেল গাছটার প্রতি চোখ গেলো। আকাশ চুম্বি হয়ে গেছে সেই গাছটা। আমি যখন ছিলাম তখন এর উচ্চতা আমার সমান ছিলো। মৃদুমন্দ বাতাসে নারিকেল গাছের পাতা দোল খেতো। আমি বারান্দায় বসে বসে দেখতাম। হিন্দি লেখা দেখে আমি মোসলেমের কথা মনে করলাম। মোসলেম ছিলো কচুয়া স্কুলে ক্লাসমেট। এইট পর্যন্ত তার সাথে পড়েছি। কিডনি ফেইল করে মারা গেছে। দীর্ঘ দিন ব্যায়বহুল চিকিৎসাধীন ছিলো। এরমধ্যে তার ছেলে গুরতর অসুস্থ হলে নিজের চিকিৎসা ক্ষান্ত করে ছেলের চিকিৎসা করান। মোসলেমের কাছ থেকে হিন্দি বর্ণমালা শিখেছিলাম।

স্কুলে পৌঁছেছিলাম সকাল ৯ টার দিকে। দেখলাম স্কুলের চেহারা বদলে গেছে। বাউন্ডারি ওয়াল হয়েছে। আগের মূল টিনের স্কুলটি আছে আগের জায়গায়ই। নতুন নতুন বিল্ডিং উঠেছে বহুতল বিশিষ্ট চারটি। শুনলাম এগারশর মতো ছাত্রছাত্রী আছে। সবাই স্কুল ড্রেস পড়া। আমাদের সময় হয়তো চারশোর মতো ছিলো। আমরা লুঙ্গি পড়েই স্কুল করতাম। এদের সাথে আমাদের তুলনা করতে লাগলাম। ক্লাস শুরু হয়নি, তাই তারা ছুটাছুটি করছিলো। আমি তাদের সাথে পরিচয় দিয়ে ফটো সেসন করলাম। আমি যে হোস্টেল বিল্ডিং-এ থাকতাম সেটা এখন পরিত্যাক্ত। আমার থাকার রুমের দরজার সামনে দাড়িয়ে ছবি তুললাম। স্থানীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মুশফিকুর রহমান লিটন এসে দেখা করলো। লিটন নজিবুর রহমান মন্ডল ভাইর ছেলে। ১৯৭৫ সনে তাকে খুব ছোট দেখেছি, হয়ত চার/পাঁচ বছর বয়স ছিলো। সেই ছেলে চেয়ারম্যান এখন। ভালো লাগলো। সে কি কি উন্নয়নমূলক কাজ করেছে তা আমার কাছে বললো। আমি হেড মাস্টারের কক্ষে প্রবেশ করলাম। দেখলাম চেয়ারে বসা এক অতিকায় বিরাট লোক বসা। আমাদের সময়ের জামাল স্যারের মতো ভারী শরীর। হাপভাব সেই রকম। মনে হলো আমার থেকেও বয়সে বড়। সালাম দিয়ে কুশল মিনিময় করে বললাম

– স্যার, ক্লাস শুরুর আগে আমি সব ছাত্রদের সাথে একটু গল্প করতে চাই।

– ছি, ভাই, আমাকে স্যার বলছেন কেনো?

– আমি যে স্কুলে পড়েছি সেই স্কুলের হেড মাস্টার তো স্যারই।

 

ওয়াসরুমের কাজটা সেরে বের হলে হেড মাস্টার আব্দুল কদ্দুস বললেন “চলেন ভাই, এখন এসেম্বলি হবে। ওখানেই ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলা যাবে। হাজারের উপর ছাত্রছাত্রী সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়েছে। আমি ও শিক্ষকগণ তাদের সামনে নিয়ে পতাকা স্ট্যান্ডের কাছে দাড়ালাম। হারমোনিয়ামে জাতীয় সংগীত বাঁজিয়ে গেয়ে গেয়ে পতাকা উত্তোলন করা হলো। তারপর ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর আমার ক্লাসমেট বন্ধু আবুল কাশেম মাস্টার ছাত্রছাত্রীদের কিছু শারীরিক কসরত করালো। হেড মাস্টার মাইকের কাছে গিয়ে বক্তৃতা দেয়া শুরু করলেন। তিনি বললেন “সেই ১৯৭৫ সনে। ” আমি পাশের জনকে বললাম ৭৫ না, ৭৭ হবে। তিনি হেড মাস্টারের কানের কাছে গিয়ে বললেন “৭৫ না, ৭৭ হবে।” হেড মাস্টার আবার শুরু করলেন “সেই ১৯৭৫ সনে।” কাশেম হেড মাস্টারকে বললেন “৭৫ না, ৭৭ সন। সাদেক ভাই আমার সাথেই ৭৭ সনে পাস করেছেন।” হেড মাস্টার বিরক্ত হয়ে বললেন “আগে আমাকে বলতে দেন, যা বলতে চাই।” আমি বললাম “হেড স্যারকে বলতে দেন, যা বলতে চান।” তিনি বক্তৃতা দিলেন –

সেই ১৯৭৫ সনে যখন ক্লাস সিক্সে এই স্কুলে ভর্তি হলাম তখন আমি ফজলু ভাই ও সাদেক ভাইয়ের দিকে চেয়ে থাকতাম। ওনারা পড়তেন ক্লাস নাইনে। সবাই এই দুই ছাত্রর প্রশংসা করতো। তাই চেয়ে চেয়ে দেখতাম……..

এভাবে তিনি অনেকক্ষণ আমার ও ইঞ্জিনিয়ার ফজলুর প্রশংসা করলেন। ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ারেরও প্রশংসা করলেন। বললেন “সাদেক ভাইর সমান নম্বর এখন পর্যন্ত কেউ পায়নি। ওনারা পাস করে চলে যাওয়ার পরে সামাদ স্যার ক্লাসে বলতেন সাদেকের মতো হতে হবে, ফজলুর মতো হতে হবে। সেই সাদেক ভাই আজ এসেছেন।” প্রশংসা শুনে ভালো লাগলেও বিরক্তি লাগছিলো এই কারনে যে, এতক্ষণ তিনি সময় নিলে আমি কি সময় পাবো? অনেক কথা জমিয়ে রেখেছি। ৪২ বছর পর অনেক কথা বলবো। ময়মনসিংহ থেকে আসার সময় কথা গুছিয়ে রেখেছি। ভালো একটা বক্তৃতা দেব। হেড মাস্টারের পরে কাশেম তো বলবেই ক্লাসমেট হিসাবে। তারপরও অন্য টিচাররাও বলতে পারে। ছাত্রছাত্রীরাও বলতে পারে। যদিও শীতের দিন। রৌদ্রের প্রখরতা কম। তুবু এতক্ষণ বাচ্চাদের দাড়িয়ে রাখা ঠিক হবে? এমন ভাবনা ভাবছিলাম। ঠিক তাই। এভাবেই অনেকক্ষণ সময় বক্তৃতায় খেয়ে ফেললো। হেড মাস্টারের বক্তৃতা শুনে জানতে পারলাম তিনি বয়সে আমার থেকে অনেক ছোট। বড় বড় ভাব ধরেছেন মোটা হবার কারনে। শেষে আমি শুরু করলাম। কিভাবে এই স্কুলে এলাম, কিভাবে পড়েছি, কোন কোন স্যার পড়িয়েছেন ইত্যাদি বলতে লাগলাম। বলছিলাম যে আমরা প্রাইভেট পড়িনি। স্যারেরাও প্রাইভেট পড়াননি। প্রতিযোগিতা করে পড়তাম। ফজলু আমাকে ডাউন দিতে চাইতো। আমি ফজলুকে ডাউন দেবার চেষ্টা করতাম। ডাউন দিতে গিয়ে উভয়েই বেশি বেশি পড়েছি। বেশি পড়েই ভালো ছাত্র হিসাবে পরিচিত হয়ে গেছি। চেষ্টা করে করে এস এস সি টেস্ট পরীক্ষায় আমি ফজলুকে দুই নাম্বার বেশি পেয়ে ডাউন দিয়েছিলাম। আমাদের মধ্যে গলায় গলায় বন্ধুত্ব ছিলো। ১০/১২ মিনিট বক্তৃতা দেয়ার পর এক মেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো। সবার মনোযোগ সেই দিকে। ডাক্তার হিসাবে এগিয়ে গেলাম। পালস-রেস্পাইরেশন ভালো। বুঝলাম অনেকক্ষণ দাড়িয়ে থাকলে কারো কারো এমন হয়। মাথায় রক্ত চলাচল কমে গিয়ে এমন হয়। এটাকে বলা হয় সিনকোপ। মেয়েদেরকে বললাম কমন রুমে নিয়ে গিয়ে চিনির সরবত খাইয়ে শোয়ায়ে রাখতে, ঠিক হয়ে যাবে। আমার বক্তৃতায় ছন্দ পতন হলো। কাশেম বাঁশীতে ফুঁ ফিয়ে সবাইকে আবার লাইনে দাড়া করালো। আবার শুরু করলাম বক্তৃতা। আগের মতো বলতে পারলাম না। ছেলেমেয়েরাও রোগী নিয়ে সংকিত মনে হলো। আমারও ভয় হলো আরও দুই এক জন আবার পড়ে যায় কি না সিনকোপ হয়ে। খবর হয়ে যাবে আমাদের। অল্পতেই বক্তৃতা শেষ করে দিয়ে বললাম “এবার তোমাদের মধ্যে থেকে যেকোনো একজন এমন কিছু বলো, বা করো যাতে আমি খুশি হই এবং অনেকদিন মনে থাকে। সবাই ক্লাস সিক্সে পড়ুয়া রাজ্জাক মাস্টারের মেয়েকে পাঠালো সামনে। রাজ্জাক খোরশেদের ভাতিজা। রাজ্জাকের বাবা হারমোনিয়াম বাঁজিয়ে গান গাইতেন। তার নাত্নী এলো গান গাইতে। মানে আমারও নাত্নি। নাত্নি গাইলো “শুধু গান গেয়ে পরিচয় / চলার পথে ক্ষণিক দেখা, একি শুধু অভিনয়।” ছায়াছবির গান। তাও আবার আমাদের সময়ের। শিশুদের মুখে বড়দের গান শুনলে আমার কিছুটা অস্বস্তি লাগে। এখন সবখানে তাই হচ্ছে। টেলিভিশন, ইউটিউব সব জায়গায়। এটা আমাদেরই দোষ। আমরা ওদের জন্য গান লিখি না, তাই। আমাদের সময় শিশুরা গাইতো কাজী নজরুল ইসলামের ছোটদের জন্য লেখা গান। অথবা অন্য গীতিকারের দেশাত্ববোধক গান। কিছুটা অস্বস্তি ফিল করলেও তার কন্ঠ ছিলো সুমধুর, নোটেশনেও ছিল নির্ভুল। উৎসাহ দেয়ার জন্য হাততালি দিয়ে শেষ করে দিলাম।

 

আমি আবার যেতে চাই বাটাজোর। ফজলুর সাথে কথা বলেছি। আগামী শীতে যেতে চাই আমি, ফজলু, দেলোয়ার ও সাইফুল্লাহ (আছির) এক সাথে।

১/৯/২০২০ খ্রি.

ময়মনসিংহ

কেমন লাগলো তার উপর ভিত্তি করে নিচের ফাইফ স্টারে ভোট দিন ক্লিক করে

1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (No Ratings Yet)
Loading...

ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার রচিত বই-এর অনলাইন শপ লিংক

http://www.daraz.com.bd/shop/talukder-pathology-lab/