বড়বাইদ পাড়া

বড়বাইদ পাড়াবাসীদের জন্য পেইজ

ফেইসবুক থেকে প্রাপ্ত বড়বাইদ পাড়ার প্রবাসীদের তালিকাঃ

১। মোঃমোশারফ হোসেন।
পিতা মোঃওমর ফারুক
২। মোঃসোহেল রানা
পিতা এম,এ রাজ্জাক
৩। মোঃআলম
পিতা মোঃহোছেন আলী
৪। মোঃবিপ্লব হোসেন
পিতা আঃকাদের
৫। মোঃসফিকুল ইসলাম
পিতা মোঃসামছুল
৬। মোঃ রাশেদ
পিতা মোঃনুরুল ইসলাম
৭। মোঃআলমগীর হোসেন
পিতা মোঃসামছুল হক
৮। মোঃ লিটন
পিতা মোঃচান মিয়া
৯। মোঃ নজরুল ইসলাম
পিতা মোঃ মোকছেদ আলী
১০। মোঃ লুৎফর
পিতা মোঃ মোকছেদ আলী
১১। হাফেজ মোঃমাহমুদুল হাছান
পিতা মোঃহুরমুজ আলী
১২। মোঃ আয়ূব আলী
পিতা মোঃহুরমুজ আলী
১৩।  মোঃআইন উদ্দিন
পিতা মোঃমস্তবালি
১৪। হাফেজ মোঃআঃছালাম
পিতা মোঃরিয়াজ উদ্দিন
১৫। মোঃ সামিম
পিতা মোঃএছাক আলী
১৬। মোঃমাফিজুল ইসলাম
পিতা মোঃ রুস্তম আলী
১৭। মোঃশাকিল আহমেদ
পিতা মোঃ তোফাজ্জল হোসেন
১৮। মোঃরুহুল আমিন সিকদার
পিতা মোঃবেল্লাল হোসেন সিকদার
১৯। মোঃইসরাফিল সিকদার
পিতা মোঃজামাল সিকদার
২০। মোঃমজনু সিকদার
পিতা মোঃআবুল সিকদার
২১। মোঃশহিদুল ইসলাম
পিতা মোঃহাবিবুর রহমান
২২। মোঃরফিকুল ইসলাম
পিতা মোঃআবিদ আলী
২২। মোঃবাহাদুর
পিতা মোঃআবুল কাশেম
২৩। মোঃফরিদ তালুকদার
পিতা মোঃবাবুল হোসেন তালুকদার
২৪। মোঃসিবলী
পিতা মোঃআব্দুল হালিম
২৫। মোঃমিনহাজ তালুকদার
পিতা মোঃহাবিবুর রহমান তালুকদার
২৬। মোঃমনির তালুকদার
পিতা মোঃহাবিবুর রহমান তালুকদার
২৭। মোঃজুবায়ের তালুকদার
পিতা মোঃকাদের তালুকদার
২৮। মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার
পিতা মোঃ আবুল কাসেম তালুকদার
২৯। মোঃআঃবারেক তালুকদার
পিতা মোঃ সুলায়মান তালুকদার
৩০। মোঃ জাহিদ তালুকদার
পিতা মোঃ জামাল তালুকদার
৩১। মোঃ খলিলুর রহমান তালুকদার
পিতা মোঃ জিন্নাহ তালুকদার
৩২। মোঃআঃকদ্দুস
পিতা মোঃহাছেন আলী
৩৩। মোঃহারুন তালুকদার
পিতা মোঃআঃহামিদ তালুকদার
৩৪। মোঃজহির আলিম
পিতা মোঃআঃকরিম
৩৫। মোঃজাহাঙ্গীর আলম
পিতা মোঃআঃকরিম
৩৬। মোঃআল আমিন
পিতা মোঃআঃগনি মিয়া
৩৭। মোঃনজরুল ইসলাম
পিতা মোঃহজরত আলী
৩৮। মোঃ রবিউল ইসলাম
পিতা মোঃমুক্তার আলী
৩৯।  মোঃরাসেল
পিতা মোঃজলিল
৪০। মোঃরুবেল
পিতা আঃ গফুর
৪১। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
পিতা আঃখালেক
৪২। মোঃসফিকুল ইসলাম
পিতা আঃছাত্তার
৪৩। মোঃকবির হোসেন
পিতা আঃখালেক
৪৪। মোঃজামাল হোসেন
পিতা আঃরহিম
৪৫। মোঃআঃবারি
পিতা মোঃ আলী
৪৬। মোঃমামুন
পিতা আঃরশিদ
৪৭। মোঃমিন্টু
পিতা মোঃহাসমত
৪৮। মোঃচান মিয়া
পিতা মোহাম্মদ আলী
৪৯। মোঃলাল মিয়া
পিতা মোহাম্মদ আলী
৫০। মোঃ লুৎফর
পিতা মোঃ মজিবর রহমান
৫১। মোঃআঃগফুর হাফেজ
পিতা মোঃহানিফা
৫২। মোঃআমছের আলি
পিতা আব্দুর রহমান
৫৩। মোঃমিনহাজ
পিতা মোঃআমছের
৫৪। মোঃসেন্টু
পিতা মোঃহাসমত আলী
৫৫। মোঃমাসুদ
পিতা মোঃহাফিজুর রহমান
৫৬। মোঃসাহজাহান
পিতা মোঃআঃহামিদ
৫৭। মোঃসবুজ
পিতা আঃছাত্তার
৫৮/মোঃমনির
পিতা আঃরশিদ
৫৯। মোঃ আঃ গফুর(মিন্টু) তালুকদার
পিতাঃমোঃ রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার
৬০। মোঃ সামিম তালুকদার
পিতাঃ মোঃ আঃ হামিদ তালুকদার
৬১। মোঃআনুয়ার তালুকদার
পিতা মোঃ আর হামিদ তালুকদার
৬২। মোঃহাফিজুর রহমান
পিতা মোঃছলিম উদ্দিন
৬৩। মোঃবাহাদুর
পিতাঃমোঃনাজির আলী
৬৪/। মোঃমাইন উদ্দিন
পিতা মোঃ রুস্তম আলী
৬৫। মোঃখুকন তালুকদার
পিতা মোঃআঃবারেক তালুকদার
৬৬। মোঃহাসমত আলী
পিতা নূর মোহাম্মদ
৬৭। মোঃ আরিফ তালুকদার
পিতা।মো আবুল হোসেন তালুকদার
৬৮।মোঃরফিক তালুকদার
পিতা মোঃসুলায়মান তালুকদার
৬৯।মোঃরফিকুল ইসলাম
পিতা মোঃজুয়াহের আলী
৭০।মোঃমাহবুব তালুকদার
পিতাঃমোঃজাহিদ তালুকদার
৭১। মোঃ জাহিদ হাছান
মোঃ আঃ মান্নান
৭২। শফিকুল ইসলাম
পিতা আকবর আলী।

বড়বাইদ পাড়ার কৃষিকাজ – সৌজন্যে রফিকুল ইসলাম (চনপাড়া)

======================================================================================

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ঐক্য                                                                                             কল্যাণ                                                                                    উন্নয়ন

বড় বাইদ পাড়া প্রবাসী কল্যাণ ফাউন্ডেশন

প্রধান উপদেষ্টাঃ ডা.সাদেকুল ইসলাম তালুকদার
উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যঃ
মোঃ জয়নাল আবেদীন
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক
আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার
মোঃ আব্দুল আলীম সিকদার
মোহাম্মদ এছহাক আলী (মেম্বার)
মোঃ ওমর আলী
মোঃ রিয়াজ উদ্দিন
মোঃ হাসমত আলী
মোঃ আব্দুল গনি মিয়া
মোঃ হোসেন আলী
মোঃ হাবিবুর রহমান তালুকদার
মোঃ আঃ সাত্তার মিয়া
মোঃ আব্দুল কাদের তালুকদার
মোঃ জুব্বার আলী
মোঃ আখতারুজ্জামান তালুকদার
মোঃ নুরুল আমীন (মাস্টার)
মোঃ রাজা মামুদ
মোঃ জুলহাস খন্দকার

বড়বাইদ পাড়ার স্কুল মাঠ – সৌজন্যে নাসির সিকদার

========================================================================

কার্যকরী কমিটিঃ

সভাপতিঃ মোঃ পারভেজ মোশাররফ হোসেন
সহ-সভাপতিঃ মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার
সহ-সভাপতিঃ মোঃ লুৎফুর রহমান
সাধারণ সম্পাদকঃ মোহাম্মদ সোহেল রানা
সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ মোঃ শরীফ তালুকদার
সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুস মিয়া
সহ-সাধারণ সম্পাদকঃ মোহাম্মদ শেখ ফরিদ
কোষাধক্ষ্যঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম
কোষাধ্যক্ষঃ মোঃ আব্দুল মান্নান তালুকদার
সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মোঃ জহির আলীম
সহ-সংগঠনিক সম্পাদকঃ মোঃ খলিল তালুকদার
সহ-সংগঠনিক সম্পাদকঃ মোঃ বিপ্লব হোসেন

ধর্ম বিষয় সম্পাদকঃ
মোঃ তোফাজ্জল হোসেন তালুকদার
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (জুলহাস)
হাফেজ মোঃ ইউসুফ হাফেজ
মোঃ গফুর মিয়া
মোঃ জহির তালুকদার
হাফেজ মোঃ আব্দুস সালাম
মোহাম্মদ হাসান মাহমুদ (লাল মিয়া)

দপ্তর সম্পাদকঃ
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
মোঃ রাসেল মিয়া
মোঃ শরিফ শিকদার

ক্রীডা সম্পাদকঃ
মোহাম্মদ আলম মিয়া
মোঃ মফিজুল ইসলাম
মাহমুদুল হাসান কামরুল
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ
মোঃ চান মিয়া
মোহাম্মদ জাহিদ হাসান
মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম
মোহাম্মদ মনির তালুকদার
মোঃ শাহজাহান মিয়া
মোঃ শাহিন শিকদার
মোঃ নাসির সিকদার

প্রচার সম্পাদকঃ
মোঃ আশিকুর রহমান (রহিম)
মোহাম্মদ শিবলী সাদিক
মোঃ লিটন মিয়া

পরিচালনায়ঃ
মোঃ রফিকুল ইসলাম
মোঃ হযরত আলী সিকদার (মেম্বার)
মোঃ কুদ্দুস তালুকদার
মোঃ ফরহাদ হোসেন
মোঃ শামীম আল মামুন
মোঃ হাকীম আল মামুন
মোহাম্মদ রুহুল আমীন (মাস্টার)
মোহাম্মদ আশিকুর রহমান মঞ্জু
মোঃ হাফিজুর রহমান (হাফিজ)

সম্মানিত সদস্যঃ
মোহাম্মদ আঃ বারেক তালুকদার
মোঃ আনছার আলী
মোঃ আব্দুল খালেক
মিয়া মোঃ আব্দুল গফুর তালুকদার (মিন্টু)
মোঃ হারুন অর রশীদ তালুকদার

সদস্যবৃন্দঃ
মোঃ রফিকুল ইসলাম
রফিকুল ইসলাম তালুকদার
রফিকুল ইসলাম
চান মামুদ
মোহাম্মদ লাল মিয়া
মোঃ নজরুল ইসলাম
মোহাম্মদ মজনু সিকদার
মাইদ উদ্দিন
মোঃ বারী মিয়া
মোহাম্মদ আনোয়ার তালুকদার
মোহাম্মদ রুহুল আমীন
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন
মোঃ শফিকুল ইসলাম
আইন উদ্দিন
মোঃ আল-আমিন
মোঃ হাসমত আলী
মোহাম্মদ আরিফ তালুকদার
মোঃ জাহাঙ্গীর তালুকদার
মোঃ শামীম আল মামুন
মোঃ ইসরাফিল সিকদার
মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
মোঃ নজরুল ইসলাম
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
মোঃ হারুনু আর রশিদ
মোঃ মিন্টু মিয়া
মোঃ মিনহাজ তালুকদার
মোঃ রবিউল ইসলাম
মোহাম্মদ জুবায়ের তালুকদার
মোঃ শহিদুল ইসলাম
মোঃ আবু সাঈদ তালুকদার স্
বপন মাহমুদ (বাহাদুর)
মোহাম্মদ ফরিদ তালুকদার
মোঃ মিনহাজুর রহমান (মিনহাজ)
মোহাম্মদ রুবেল মিয়া
মোঃ রফিকুল ইসলাম
মোঃ হাফিজুর রহমান (হাফিজ)
মোঃ শফিকুল ইসলাম
মোঃ আলমগীর হোসেন
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
মোঃ বাহাদুর
মোঃ খোকন তালুকদার
মোঃ আনোয়ার হোসেন
মোঃ জামাল হোসেন
মোঃ রাশেদ মিয়া
মোঃ কবির হোসেন
মোহাম্মদ মাহবুব তালুকদার
মোঃ আইয়ুব মিয়া
মোঃ শাকিল আহম্মেদ
মোঃ মনির হোসেন
মোহাম্মদ রাশেদ মিয়া
মোহাম্মদ শামীম তালুকদার
মোঃ সেন্টু মিয়া
মোঃ কবির হোসেন
মোঃ মামুন মিয়া
মোঃ মাসুদ রানা প্রান্ত

সার্বিক তত্ত্বাবধানেঃ
মোঃ বাইজিদ বোস্তামী
মোঃ হারুন-অর-রশিদ
মোঃ মিজানুর রহমান তালুকদার

তত্ত্বাবধানেঃ
মোঃ মামুন সিকদার
মোঃ মাহমুদুল হাসান ইমরান
মোঃ মামুন তালুকদার
মোঃ জাহিদুল ইসলাম
মোঃ নিলয় তালুকদার
মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম শিমুল
মোঃ নাহিদ হাসান
মোঃ হাসান সিকদের
মোঃ মেহেদী হাসান
মোঃ মিন্টু সিকদার
মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান
মোঃ নাহিদ হাসান
মোঃ সজীব তালুকদার
মোঃ আজিজুল ইসলাম
মোঃ মিজানুর রহমান

বাড়বাইদ পাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার – ছবি সোহেলের সৌজন্যে

 

বড়বাইদ – সৌজন্যে সিয়াম তালুকদার

বড়বাইদ – সৌজন্যে শামিমা তালুকদার

বড়বাইদ পাড়ার আকাশ- সৌজন্যে সিয়াম তালুকদার

বড়বাইদ পাড়ায় বৃক্ষ রোপন- সৌজন্যে সজিব

বড়বাইদের জোরা- সৌজন্যে সিয়াম তালুকদার

সৌজন্যে আফসানা আসু

সৌজন্যে নাসির সিকদার

সৌজন্যে ফারহান ফরিদ

সৌজন্যে হাফিজ

সৌজন্যে জোবাইদা তালুকদার

ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদারের বড়বাইদ পাড়ার বাড়ি – সৌজন্যে জোবাইদা তালুকদার

সড়কপারের মাচাং – সৌজন্যে জোবাইদা তালুকদার

ব্রড়বাইদের সড়ক – সৌজন্যে  রায়হান সিকদার

বাড়বাইদপাড়া-বাশারচালা-ব্রিজের জোরা – সৌজন্যে সুমন বাপ্পী

বড়বাইদ পাড়ার তাল গাছ – সৌজন্যে সিয়াম তালুকদার

বাড়বাইদপাড়া-বাশারচালা-ব্রিজের জোরা – সৌজন্যে সুমন বাপ্পী

 

 

 

ফেইসবুক পোস্টের প্রাইভেসি ও শেয়ার করা

ফেইসবুক পোস্টের প্রাইভেসি ও শেয়ার করা
(সাধারণ)
ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

ফেইসবুকে যেকোনো একটা পোস্ট দেয়ার আগে প্রাইভেসি সেট করে নিতে হয়। এটা নির্ভর করে যিনি পোস্টটি দিচ্ছেন এটি কে কে দেখতে পারবেন তার উপর । একটা অপশন আছে ‘me only’। এটা সেট করা হলে নিজে ছাড়া আর কেউ দেখতে পারবে না। কিছু কিছু নিজের দরকারি তথ্য আছে যেগুলি অন্যের প্রয়োজন নাই। তাহলে অন্যকে দেখায়ে তার সময় ও পয়সা কেনো নষ্ট করা হবে? মনে করতে হবে, যে কোন পোস্ট পড়ে একজন কিছু সময় ব্যয় করে। পোস্ট পড়তে কিছু ডাটা খরচ হয়। ডাটা খরচ হওয়া মানে টাকা খরচ হওয়া। একটা অতি গোপনীয় তথ্যও এই অপশনে রেখে দেয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে ছেড়ে দেয়া যেতে পারে বন্ধুদের জন্য। আরেকটা অপশন আছে “Friends”। এই অপশন সেট করা হলে শুধু ফ্রেন্ড লিস্টে যারা আছে তারাই দেখতে পারবে। এই ধরনের পোষ্ট দেয়ার আগে ভেবে দেখতে হবে এটা আমার সব ফেইসবুক বন্ধু দেখার মতো কি না। আমি আমার শিক্ষক, ক্লাসমেট, বন্ধু, আত্বীয় ও অপরিচিত অনেককেই ফেইসবুক ফ্রেন্ড হিসাবে লিস্টে রেখেছি। তাই বলে কি আমি আমার ক্লোজ বন্ধুদেরকে যা দেখাতে পারবো তা সব বন্ধুকে দেখাতে পারব? আমার ছাত্ররা তাদের নিজেদের মধ্যে হাল্কা তামাশা করে নানা রকম পোস্ট দেয়। যেগুলি হয়তো বাস্তবে আমার সামনে করবে না। তাহলে ফেইসবুকে কেন সেটা দেখাবে। অথবা তার বন্ধুকে নিয়ে শর্ট ড্রেস পরে কিছু ছবি পোস্ট করলো। বাস্তবে কি আমার সামনে এই ভাবে দাড়াতে পারবে? তবে ইচ্ছা হলে ক্লোজ বন্ধুদের কাছে মেসেঞ্জারে শেয়ার করতে পারা যায়। “Friends except” নামে একটা অপশন আছে। এই অপশনে দেখে দেখে কয়েকজন ফ্রেন্ডকে পোস্ট দেখা থেকে বাদ দেয়া যেতে পারে। আরেকটা অপশন হলো “Public”। মানে সবাই দেখতে পারেন। এই পোস্টগুলি নিজের লিস্টের সব ফ্রেন্ড ও ফলোয়ারদের নিউজ ফিডে চলে যায় এক যোগে। এই ধরনের পোস্ট অধিকাংশ ফেইসবুক ইউজারদের উপকারে আসতে পারে মনে করে ছাড়া হয়। নিজের চিন্তাধারা বা মতামত অনেক মানুষের সাথে শেয়ার করাই পাবলিক পোস্টের উদ্দেশ্য।

নিজের কথা অন্যকে জানানোকে শেয়ার করা বলা হয় সামাজিক মাধ্যমে। প্রাইভেসি সেট করে আমরা নিজের মনের কথা, ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে থাকি। অন্যের পোস্টও ভালো লাগলে শেয়ার করা যায়। পোস্টে শেয়ার অপশন থাকে। এর মানে হলো আমরা নিজেদের টাইম লাইনে এটা শেয়ার করতে পারি, কপি পেস্ট করে নয়, শেয়ারে ক্লিক করে। তাতে পোস্ট দাতার নাম ছবি সহ হুবহু পোস্ট ইউজাররা দেখতে পারে। ফেইসবুক পোস্ট একটা ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি। শেয়ার বাটনে ক্লিক করে শেয়ার করে এই প্রোপার্টির আইন লংঘন হয় না। যদি শেয়ার অপশন না থাকে তবে মনে করতে হবে পোস্ট দাতা চান না এটা কেউ শেয়ার করুক। কিন্তু আমরা দেখতে পাই কেউ কেউ অন্যের পোস্ট কপি পেস্ট করে শেয়ার করছেন। এতে কপিরাইট আইন লংঘন হচ্ছে। কি দরকার, একজন যেটা চান না সেটা করতে। কেউ কেউ মনে করেন পেস্ট করে পোস্ট দাতার নাম লিখে দিলেই হবে। তাও ঠিক না। তবে অন্য কোনভাবে অনুমতি নেয়া হলে অসুবিধা নাই।

যিনি পোস্টে প্রাইভেসি দিয়ে রেখেছেন ফ্রেন্ড অনলি হিসাবে। সেই পোস্টটির স্ক্রিনশট নিয়ে পাবলিকের কাছে শেয়ার করাও ফেইসবুক প্রাইভেসি আইনের পরিপন্থী।

তাই নিজের বা অন্যের কোন পোস্ট শেয়ার করার সময় প্রাইভেসির কোন ক্ষতি করা হচ্ছে কিনা ভেবে নিতে হবে।
২৭/৮/২০১৯ খ্রী.

অন্যের ছবি পোস্ট করাতে সতর্ক হওয়া

অন্যের ছবি পোস্ট করাতে সতর্ক হওয়া
(সাধারণ)
ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আমরা নিজের ছবি ছাড়াও অন্যের ছবি ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে থাকি। নিজের সাথে অথবা পৃথক ভাবে। যেভাবেই দেই অন্যের ছবি দেয়ার ব্যাপারে কয়েকটি জিনিস খেয়াল রাখতে হবে। এমন কোন ছবি দেব না যাতে যার ছবি তিনি মনে কষ্ট পাবেন বা তার অসম্মান হয়। যেমন, একটি সভা চলছে। প্রধান অতিথি ভাষন দিচ্ছেন। সভাপতি ঘুমুচ্ছেন মঞ্চে বসে। অথবা নাকের পশম ছিড়ছেন। অথবা কানে আঙুল দিয়ে কান চুলকাচ্ছেন। এই ছবি সভার নিউজের সাথে ফেইসবুকে পোস্ট করা হলো। এই ক্ষেত্রে একজনের ভালো করতে গিয়ে আরেকজনের ক্ষতি করা হল। সিলেটের জাফলং গিয়ে কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি হাফপ্যান্ট পরে খালি গায় পানিতে পাথরের উপর গড়াগড়ি করলেন আনন্দ করে। বুড়াকালে একটু দূরে গিয়ে আনন্দ করলেন। কয়েকজন পাকা লম্বা দাড়িওয়ালা লোককে এ অবস্থায় দেখে একজনের ভালো লাগলো। ছবি তুলে দিয়ে দিলেন ফেইসবুকে। এলাকার মানুষ ফেইসবুকে তাদেরকে এই অবস্থায় দেখতে পেয়ে কি মনে করবেন? এলাকায় এসে কি তারা সবার সামনে খালি গায় গড়াগড়ি পারবে?

অনেকসময় স্কুল কলেজে সাংস্কৃতিক নাইটে ডাঞ্চের সাথে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে কোন কোন শিক্ষক নেচে গেয়ে আনন্দ দেন। সেই সময় সেই পরিবেশে ব্যাপারটা তেমন বেমানান না। কিন্তু সেই ছবি ফেইসবুকে পোস্ট দিলে বেমানান।

একবার একজনে একটি কলেজের ছবি পোস্ট দিয়েছিল ফেইসবুকে। সেই ছবিতে দুইজন ছাত্র ছাত্রী ছাদের বারান্দায় বসেছিল। যিনি পোস্ট দিয়েছিলেন তিনি সেটা লক্ষ করেন নাই। এই পোস্ট নিয়ে আপত্তি হয়েছিল।

কোন কোন সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণ আসামী ধরে হাতকরা পরিয়ে নিয়ে যান। সেই ছবি ফেইসবুকে পোস্ট দেয়া ঠিক না। দেখা গেছে অনেকেই এমন অভিযোগ থেকে খালাস পেয়েছেন। কিন্তু তার আগেই ফেইসবুকে তাকে বেইজ্জতি করা হয়ে গেছে।

অনেকে তাদের নাতি পুতিদের উলঙ্গ ছবি ফেইসবুকে দিয়ে মজা পান। এই ছবিগুলি সেই নাতি বা নাত্নি বড় হওয়া পর্যন্ত থেকে যাবে। সেই ছবি দেখে কি সে লজ্জা পাবে না?

মনে করেন আপনার বান্ধবী মুসলিম কিন্তু হিজাব পরেন না। এই অবস্থার একটি ছবি আজ আপনি পোস্ট দিলেন। পাচ বছর পর সেই বান্ধবি সংসারি হয়েছেন এবং হিজাব পরেন। তখন যদি আপনার ফেইসবুক থেকে তার আগের দিনের ছবি ভাইরাল হতে থাকে তবে কি তিনি অসন্তুষ্ট হবেন না?

তাই, আমার মতে অন্যের ছবি পোস্ট করার আগে একটু ভেবে নিতে হবে।
২৩/৮/২০১৯ খ্রী.

 

ফেইসবুকে নিজের ছবি পোস্ট করা

ফেইসবুকে নিজের ছবি পোস্ট করা
(সাধারণ)
ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

যারা ফেইসবুক ব্যবহার করে তাদের প্রায় সবার হাতেই মোবাইল ফোন থাকে। বিভিন্ন ইভেন্টে নিজের ছবি তুলে অনেকেই টাইমলাইনে পোস্ট দিয়ে বন্ধুদের শেয়ার করে থাকেন। ছবি দেখে বন্ধুরা লাইক, কমেন্ট করে। লাইক অপশন আছে, কিন্তু ডিজলাইক অপশন নাই। তাই অনেকে লাইক বাটনে ক্লিক করে লাইক কাউন্ট বাড়িয়ে দেন কিন্তু অপছন্দ হলেও ডিজলাইক করে কাউন্ট কমিয়ে দিতে পারেন না। কেউ কেউ কেউ লাইক করলেও লাইক-এ ক্লিক দেন না। তাদের অন্তরে জুজুর ভয়। হায়, লাইক দিলে আবার কে বেজার হয়! আবার কেউ কেউ ডিজলাইক করলেও চামচামি করে লাইক দিয়ে দেন। কাজেই ছবি তুলেই ফেইসবুকে পোস্ট করে ফেলা ঠিক না। ভেবে দেখতে হবে যে ছবিটি পোস্ট করছি সে ছবিটি কারা কারা দেখতে পারে? তাদের মধ্যে অধিকাংশ ফ্রেন্ড কি ছবি দেখে খুশি হবে? যে অবস্থায় বা যে ড্রেস পড়ে ছবি উঠানো হয়েছে, বাস্তবে সেই অবস্থায় কি ঐ বন্ধুর সামনে দেখাতে পারবে। যেমন, মি. আবুল সাহেব সমুদ্র সৈকতে গিয়ে শর্ট প্যান্ট পরে খালি গায় পানিতে নেমে ছবি তুলে পোস্ট করে দিলেন। অনেকেই লাইক দিলেন। কিন্তু কেউ খারাপ কমেন্ট করলেন না। তাই বলে কি ছবিটি দেখানো ঠিক হলো। বাস্তবে বি এই ড্রেসে তিনি তার সামনে যেতে পারবেন? ছবি দেখে তিনি কি লজ্জা পাবেন না?

কেউ কেউ বিয়ের মঞ্চে নতুন বউয়ের সাথে বিভিন্ন ভংগিতে ছবি তুলে ফেইসবুকে দিয়ে দেন। ফেইসবুকে এমনও ফ্রেন্ড তার আছেন যিনি এই ছবি দেখে লজ্জা পাবেন। অনেকের বাবা মা আছে তাদের ফেইসবুক ফ্রেন্ড। তারাই বা কি মনে করবেন।

বন্ধুদেরকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্য মাঝে মাঝে দুই একটি ছবি পোস্ট করা যেতে পারে। তাই বলে সকালে একটা বিকেলে একটা ছবি দিবেন? হে, ছবির সাথে যদি আরো দেখার মতো কিছু থাকে তাহলে তা দেয়া যেতে পারে। যেমন, তাজমহলের সামনে দাঁড়িয়ে একটা ছবি দিলেন। তাকেও দেখা হলো, তাজমহলকেও দেখা হলো।

আসুন আমরা বেহুদা ছবি পোস্ট করা থেকে বিরত থাকি।
২৩/৮/২০১৯ খ্রী.

 

ফেইসবুক ও এর প্রোফাইল পিকচার

ফেইসবুক ও এর প্রোফাইল পিকচার
(সাধারণ)
ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

ফেইসবুক বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় এবং ব্যবহার যোগ্য ওয়েববেইজড ডিজিটাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। আমাদের অনেক বন্ধু আছে তারা ফেইসবুক ব্যাবহার করে না। তারা ফেইসবুক কি তা বুঝে না অথবা ফেইসবুক ভালো না মনে করে ফেইসবুক করতেও চায় না। যারা না পারে তারা লোকমুখে শুনে শুনে এর ক্ষতিকর দিকগুলি তুলে ধরার চেষ্টা করে। নানা রকম মন্তব্য করে বসে, যেমন, Continue reading “ফেইসবুক ও এর প্রোফাইল পিকচার”