দাঁড়িয়ে সন্মান দেখালাম ছাত্রকে

দাঁড়িয়ে সন্মান দেখালাম ছাত্রকে
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

ফেইসবুক ও অনলাইন পত্রিকা পড়ে জানতে পারলাম যে ১৪ এপ্রিল ২০১৯ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডাঃ লোটে শেরিং তার Continue reading “দাঁড়িয়ে সন্মান দেখালাম ছাত্রকে”

রমিজ ভাইকে মনে পড়ে

রমিজ ভাইকে মনে পড়ে
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

রমিজ ভাইকে আমি প্রথম দেখি খুব সম্ভব ১৯৭৫ সনের শীত কালে। রাতে কচুয়া স্কুল প্রাংগনে মঞ্চস্থ হয়েছিল একটা নাটক। Continue reading “রমিজ ভাইকে মনে পড়ে”

আমাদের এলাকার মেম্বারগণ

আমাদের এলাকার মেম্বারগণ
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদেরকে গ্রামে শুধু মেম্বার বা মেম্বর বলা হতো। আমাদের ইউনিয়নের নাম কাকরাজান। ইউনিয়ন Continue reading “আমাদের এলাকার মেম্বারগণ”

প্রধানমন্ত্রী লোটে যখন আমার ছাত্র ছিলেন

প্রধানমন্ত্রী লোটে যখন আমার ছাত্র ছিলেন
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

১৯৯৬ সনের মার্চ মাসে আমি আবার প্রভাষক পদে প্যাথলজি বিভাগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ফিরে আসি। এম ফিল Continue reading “প্রধানমন্ত্রী লোটে যখন আমার ছাত্র ছিলেন”

রোগজীবাণু গুলে সরবত

রোগজীবাণু গুলে সরবত
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আমরা যখন মেডিকেল কলেজে পড়তাম তখন বই পড়ে জেনেছি যে পাকস্থলীতে কোন জীবাণু থাকে না। মেডিকেল Continue reading “রোগজীবাণু গুলে সরবত”

ব্যাঙ দিয়ে প্রেগন্যান্সি টেস্ট

ব্যাঙ দিয়ে প্রেগন্যান্সি টেস্ট
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আমি যখন ১৯৮০ সনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে এম বি বি এস প্রথম বর্ষে অধ্যয়ন করি তখন ঘাটাইল থেকে আমার Continue reading “ব্যাঙ দিয়ে প্রেগন্যান্সি টেস্ট”

সেই বুড়ি আর নেই

সেই বুড়ি আর নেই
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

ফজরের নামাজ পড়ে দুই পৃষ্ঠা বাংলা অর্থসহ কোরআন শরীফ পড়ে বেড়িয়ে পড়ি প্রাতঃভ্রমণে। স্ত্রী স্বপ্নাও তাই করে। আমরা Continue reading “সেই বুড়ি আর নেই”

মক্কায় কুরবানি দিয়েছিলাম যেভাবে

মক্কায় কুরবানি দিয়েছিলাম যেভাবে
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

হজ্জ করেছিলাম ২০০৫ সনের জানুয়ারিতে। সাথে আমার স্ত্রী ফিরোজা আক্তার স্বপ্নাও ছিলো। আমরা ময়মনসিংহ থেকে ৪৫ Continue reading “মক্কায় কুরবানি দিয়েছিলাম যেভাবে”

বন্ধু মামুন ও ঢাকা দর্শন

বন্ধু মামুন ও ঢাকা দর্শন
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আব্দুল করিম আল মামুন এইচ এস সি পড়ার সময় ১৯৭৭-৭৮ সেসনে আমার সহপাঠী হলেও প্রকৃতপক্ষে আমার এক Continue reading “বন্ধু মামুন ও ঢাকা দর্শন”

সূর্যবানুর ছেলেটি

সূর্যবানুর ছেলেটি
(স্মৃতির পাতা থেকে)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

সূর্যবানু ছিল নাহার নার্সিং হোমের আয়া। তখন টাংগাইল শহরে তথা টাংগাইল জেলায় মাত্র একটি প্রাইভেট ক্লিনিক ছিল এই নার্সিং হোম। এটা ছিল আকুরটাকুর পাড়ায় একটা বড় পুকুরের পাড়ে। আশেপাশে বড় বড় আমগাছ ও নারিকেল গাছ ছিল। শহরের প্রাণ কেন্দ্রে হলেও এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিল সুন্দর, মনোরম । ক্লিনিকের মালিক ছিলেন টাংগাইল শহরের পশ্চিম পাশে অবস্থিত কাইয়ামারার নি:সন্তান মোয়াজ্জেম হোসেন ফারুক ভাই। স্ত্রী নাহারের নামে এই ক্লিনিক করেন পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া জমির উপর তিন তলা বিল্ডিং-এ। পাশেই একটা হাফ বিল্ডিং ছিল তাদের। সেই বাসায় আমি ফ্যামিলি নিয়ে থাকতাম। বাসা ভাড়া দিতে হতো না। সর্ব সাকুল্যে মাসিক বেতন ছিল আমার ১,৮৫০ টাকা। ১৯৮৮ সনের জুলাই মাসে সরকারি চাকুরি হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি এক বছর এই ক্লিনিকে চাকরি করেছিলাম। আমার কর্তব্যনিষ্ঠা ও দক্ষতায় মুদ্ধ হয়ে ফারুক ভাই ছয় মাসের মাথায়ই আমাকে ক্লিনিকের মেডিকেল ডাইরেক্টর বানিয়ে দেন। তিনি ছিলেন জীবন বীমা কোম্পানির ম্যানেজার। অফিস ছিল ঢাকায়। থাকতেন ঢাকায়। প্রতিদিন তিনি আমাকে ফোন করে ক্লিনিকের খোজ খবর নিতেন। প্রথম দিকে ক্লিনিকে লোকশান হতো। আমি লোকশান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখিয়েছিলাম। লাভের টাকা তার হাতে তুলে দিলে তিনি টাকা ফেরৎ দিয়ে বলেন “আমার ক্লিনিক থেকে লাভ নেয়ার দরকার নেই। লাভের টাকা দিয়ে ক্লিনিকের উন্নয়ন করতে পারলেই হবে।” আমি সেই টাকা দিয়ে ক্লিনিকের রিপেয়ারিং-এর কাজ করিয়েছিলাম। তিনি খুব খুশী ছিলেন আমার প্রতি। আমার সরকারি চাকরি হলে তিনি আমাকে দ্বিগুণ বেতন অফার করেছিলেন রেখে দেয়ার জন্য। আমি সেই অফার গ্রহণ করি নি। Continue reading “সূর্যবানুর ছেলেটি”