Author Archives: talukderbd

dullakaler-seheri

Dullakaler Seheri

দুল্যাকালের সেহেরি

(স্মৃতি কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

আমি দুল্যাকাল থেকেই রোজা রাখতাম। মা আমাদের জন্য গরম ভাত রান্না করতেন সেহরি খাবার জন্য। আমি খেতে বসলে অনেক সময় লাগতো খাওয়া শেষ করতে। দরুন, সেই ১৯৬৫ সনের কথা। আমার বয়স তখন ৭ বছর। পরনে হাফ হাতা আকাশী রঙের শার্ট ও চেক লুংগি। রমজান মাসে ভোর বেলা পাটিতে বসে সেহেরি খাচ্ছি ভাত ও মাছের তরকারি দিয়ে টিনের প্লেটে। সামনে পিতলের পানির গ্লাস। টিনের বাটিতে ডাউল আছে পিতলের চামুচসহ। সামনে গাছার উপর কুপি বাতি মিটি মিটি জ্বলছে। ঘরে মাটির বেড়া। টিনের চাল। সবার সেহেরি খাওয়া শেষ। আমার খাওয়া শেষ হচ্ছে না। ধীরে ধীরে খেয়েই চলেছি। পাতের খাবার শেষ হচ্ছে না। মা বলছেন, “বাজান, তাত্তারি খাও। বেইল উইঠা গেলো গা।” বাবা বলছেন, “তুমি যে পর্যন্ত আমার য়াতের পশম দেহা না যাবো হে পর্যন্ত খাইতে পারবা। আমি উঠানে টুলে বইয়া পশম দেকতে তাহি। তুমি খাও, বাজান।” আমার খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাবার হাতের পশম দেখা যাইত না। আমি খাওয়া শেষ হলে বলতাম, “বাবা, আমার খাওয়া শেষ।” বাবা বলতেন, “বাজান, অহন পশম দেহা যাইতাছে। রোজার নিয়ত কইয়া ফালাও।”
২৫/২/২০২৬ খ্রি.
ময়মনসিংহ
#গল্প #স্মৃতি #স্মৃতিকথা #সাদেকুল

surzaobanur-chheleti

Surzobanur Chheleti

সূর্যবানুর ছেলেটি

(স্মৃতি কথা)
ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার


সূর্যবানু ছিল নাহার নার্সিং হোমের আয়া। তখন টাংগাইল শহরে তথা টাংগাইল জেলায় মাত্র একটি প্রাইভেট ক্লিনিক ছিল এই নার্সিং হোম। এটা ছিল আকুরটাকুর পাড়ায় একটা বড় পুকুরের পাড়ে। আশেপাশে বড় বড় আমগাছ ও নারিকেল গাছ ছিল। শহরের প্রাণ কেন্দ্রে হলেও এখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিল সুন্দর, মনোরম । ক্লিনিকের মালিক ছিলেন টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম পাশে অবস্থিত কাইয়ামারার নিঃসন্তান মোয়াজ্জেম হোসেন ফারুক ভাই। তিনি তার স্ত্রী নাহারের নামে এই ক্লিনিক করেন পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া জমির উপর তিন তলা বিল্ডিং-এ। পাশেই আগে থেকেই পুরাতন আধাপাঁকা একটা ঘর ছিল তাদের । সেই বাড়িটা চিকিৎসকের থাকার কাজে ব্যবহার হতো । আমি ফ্যামিলি নিয়ে সেই বাসায় থাকতাম। বাসা ভাড়া দিতে হতো না। সর্ব সাকুল্যে মাসিক বেতন ছিল আমার ১,৮৫০ টাকা। ১৯৮৮ সনের জুলাই মাসে সরকারি চাকুরি হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি এক বছর এই ক্লিনিকে চাকরি করেছিলাম। আমার কর্তব্যনিষ্ঠা ও দক্ষতায় মুদ্ধ হয়ে ফারুক ভাই ছয় মাসের মাথায়ই আমাকে ক্লিনিকের মেডিকেল ডাইরেক্টর বানিয়ে দেন। তিনি ছিলেন জীবন বীমা কোম্পানির ম্যানেজার। অফিস ছিল ঢাকায়। থাকতেন ঢাকায়। প্রতিদিন তিনি আমাকে ফোন করে ক্লিনিকের খোঁজ খবর নিতেন। প্রথম দিকে ক্লিনিকে লোকশান হতো। আমি লোকশান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখিয়েছিলাম। লাভের টাকা তার হাতে তুলে দিলে তিনি টাকা ফেরৎ দিয়ে বললেন “আমার ক্লিনিক থেকে লাভ নেয়ার দরকার নেই। লাভের টাকা দিয়ে ক্লিনিকের উন্নয়ন করতে পারলেই হবে।” আমি সেই টাকা দিয়ে ক্লিনিকের রিপেয়ারিং-এর কাজ করিয়েছিলাম। তিনি খুব খুশী ছিলেন আমার প্রতি। আমার সরকারি চাকরি হলে তিনি আমাকে দ্বিগুণ বেতন অফার করেছিলেন রেখে দেয়ার জন্য। আমি সেই অফার গ্রহণ করিনি।

ফারুখ ভাইর  ছোট ভাই খোকা ভাই ও তার শ্যালক দীপু ভাই ছিলেন প্রথম দিকে ক্লিনিক পরিচালনার দায়িত্বে। কর্মচারীদের বেশীরভাগই ছিল ফারুক ভাইর  প্রতিবেশী ও আত্বীয়। সামসু ও ফজলু ছিল ওয়ার্ডবয় কাম পাহারাদার। এলেঙ্গার মোতালেবকে আমি নিয়োগ দিয়েছিলাম পরে। আমীর হামজা ছিলেন রিসেপসনিষ্ট। এলেঙ্গার মজিদকে ম্যানেজার পদে আমি রিক্রুট করেছিলাম। সূর্যবানু, হ্যাপির মা (নূরজাহান) ও সাহিদা ছিল আয়া। এই তিনজনই ছিলো স্বামী-হারা অসহায় মহিলা। তাই তারা ফারুক ভাইর প্রতি কৃতজ্ঞ ছিল। হ্যাপির মার হ্যাপিকে অল্প বয়সেই বিয়ে দেয়া হয়। তাকে আমি দেখিনি। হ্যাপির পরই এক ভাই ছিলো। তাকে নিয়ে হ্যাপির মার খুব অশান্তি ছিলো। হ্যাপির আরেকটা ভাই ছিলো ছোট ছয়-সাত বছর বয়সের। হ্যাপির মা সন্তান নিয়ে ক্লিনিকে আসতোনা। সাহিদার কোন সন্তান ছিল না। সূর্যবানুর স্বামী মারা গিয়েছিল। একমাত্র সন্তান ছিল তার ছেলে আল-আমীন। সবাই ডাকতো আলামিন। সূর্যবানু ছেলে আলামিনের কথা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাকী জীবন বিয়ে করবে না। সূর্যবানু কাজে কর্মে ও রোগীদের প্রতি দরদী ছিলো। আমাদের বাসায় যেতো। আমার স্ত্রী তাকে পছন্দ করতো। আমার স্ত্রীর কাছে সে ছিলো ভালো মানুষ। আমার স্ত্রী ভালো মানুষ চিনতে সাধারণত ভুল করে না। সময় সময় আমার স্ত্রীকে সূর্যবানুর সাথে গল্প করতে দেখেছি।

আলামিনের বয়স ছয় কি সাত বছর ছিলো। চেহারায় মায়া মায়া ভাব ছিলো। আদর করতে ইচ্ছে হতো। কিন্তু প্রকাশ্যে আদর করতাম না। কারন, আমি জানি, শিশুরা আদর করলে মাথায় উঠে। হয়তো দেখা যাবে স্টেথোস্কোপটা আমার গলায় থেকে খুলে নিয়ে তার কানে ঢুকাবে। অথবা আমার অনুপস্থিতিতে আমার চেয়ারে বসে দোল খাবে। অথবা মুল্যবান যন্ত্রপাতি নিয়ে খেলা করবে। অথবা মিষ্টি ঔষধ নিজের মনে করে খেয়ে ফেলবে।  ফারুক ভাইর সামনে আলামিন পড়লে সূর্যবানুকে ধমক দিয়ে বলতেন “এই সূর্যবানু, আমি কতবার বলেছি না, যে বাচ্চা নিয়ে ডিউটিটে আসবি না।” সূর্যবানু মাথা নিচু করে থাকতো। ফারুক ভাই আমার দিকে চেয়ে বলতেন “ডাক্তার সাব, আপনি মানা করেন নাই সূর্যবানুকে বাচ্চা না নিয়ে আসতে?” আমি সূর্যবানুর দিকে চেয়ে চোখ রাঙ্গিয়ে বলতাম “এই সূর্যবানু, আমি কতবার বলেছি তুমি আলামিনকে নিয়ে ডিউটিতে আসবা না। তুমি আমার কথাই শুনছো না।” সূর্যবানু মনে মনে বলতো “আপনি অমন নিষ্ঠুর হতেই পারেন না। বলবেন কি করে?” আসলে বাবা-হারা মাসুম আলামিন কি মাকে ছেড়ে একা বাড়িতে থাকতে পারে? তাই, আমি কোন দিন সূর্যবানুকে মানা করিনি। আলামিন সব সময় মায়ের কাছাকাছি থাকতো। কোন জিনিসে হাত দিত না। কোন জিনিস নষ্ট করতো না। কেউ কেউ তাকে দিয়ে ফুট ফরমায়েস করাতো। আমি করাতাম না। কারন, চাকরি করতো তার মা, সে তো না।

আলামিনের একটা মাত্র শার্ট ছিলো। হাল্কা আকাশী রঙের হাফ হাতা হাওই শার্ট। সে বেশী সময়ই ঠিক ঘরে বোতাম লাগাতে পারতো না। এক ঘরের বোতাম আরেক ঘর পর লাগাতো। তাতে শার্টের নিচের দিকে একপার্ট নিচু আরেক পার্ট উচু থাকতো। আমি বলতাম “আলামিনের শার্ট নিচের দিকে সমান না। ক্যাঁচি দিয়ে কেটে সমান করে নিও।” আলামিন বুঝতে পেড়ে সুন্দর দাঁত বের করে মুচকি হাসতো।

আলামিনকে দিয়ে বেশী ফরমাইস করাতো আজিজ ভাই। আজিজ ভাই ছিলেন প্যাথলজি ল্যাবের টেকনোলজিস্ট। ক্লিনিকের নিচ তলায় ল্যাবরেটরি ছিলো। আলামিন এই ল্যাবে যাতায়াত করতো। একদিন দেখা গেলো ল্যাবের মূল্যবান একটি কাঁচের যন্ত্র ভেঙ্গে মেঝেতে পড়ে আছে। আজিজ ভাই জোড়ে সোড়ে বলছিলেন “আমার দামী নিউবার কাউন্টিং চেম্বারটা ভাংলো কে?” সারা ক্লিনিক জুড়ে তোলপাড় করতে লাগলেন। প্রফেশনাল ঝাড়ুদারের প্রতিই সবার সন্দেহ। কিন্তু সে ভগবানের নামে কসম খেয়ে বলছিলো যে সে ভাংগেনি। একদিন পর্যন্ত সন্দেহের দৃষ্টি ঝাড়ুদারের উপরই ছিল। ঝাড়ুদার বলছিলো “বাবু, হামি গারীব হোতে পারি, হামি মিছা কথা কইতে পারিনেক।” আমি আজিজ ভাইকে মানা করে দিলাম ঝাড়ুদারে প্রতি সন্দেহ না করতে। এবার আজিজ ভাইর সন্দেহ পড়লো আলামিনের প্রতি “আলামিনই ভাংছে। এই জন্যই বাচ্চা নিয়ে হাসপাতালে ডিউটিতে আসা ঠিক না।” আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। এবার ফারুক ভাই শুনলে আলামিনকেসহ সূর্যবানুকে তাড়াবে। আজিজ ভাই ল্যাবে এসেই ক্যাঁচ ক্যাঁচ করতে থাকেন “নিউবার কাউন্টিং চেম্বার ছাড়া আমি রক্ত পরীক্ষা করব কিভাবে? আমি যেনো কালকে থেকে আলামিনকে না দেখি।” আলামিনকে নানা ভাবে জিজ্ঞেস করে বের করার চেষ্টা করা হলো। কিন্তু না সে ভাংগেনি। সেও খুব চিন্তিত ছিল যে এবার থেকে সে তার মায়ের সাথে আসতে পারবে না। সূর্যবানুও চিন্তিত ছিলো। আমি লাঞ্চ করতে বাসায় এসেছিলাম। বাসা আর ক্লিনিক পাশাপাশি ছিল। আজিজ ভাই বারান্দায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বললেন “কেউ স্বীকার করছে না যে সে ভেংগেছে। তাইলে ভাংলো কে? তাইলে কি ভূমিকম্প হয়েছিলো?” আমি জানালা দিয়ে চিৎকার করে উত্তর দিলাম “হ্যা, হ্যা, দুই দিন আগে রাতে ভূমিকম্প হয়েছিলো। সারাদেশ কেঁপে উঠেছিলো। চিটাগাং দুইটা ভবন ধ্বসে গেছে ভূমিকম্পে। আপনার টেবিলে ঝাকুনি খেয়ে কাউন্টিং চেম্বার পড়ে গিয়ে ভেংগে গেছে।” সবাই শুনে দৌড়িয়ে এলো আজিজ ভাইর কাছে। বলাবলি হাসা হাসি হচ্ছিলো। ঝাড়ুদার ও আলামিন অভিযোগ থেকে রক্ষা পেলো। খুশীতে আমি একটু বেশীই খেলাম।

একবার কোন একটা কারনে আমি এবং ফারুক ভাই মিলে একটা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু সূর্যবানু বুঝতে না পেড়ে সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। তাতে ক্লিনিকে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে থাকে। আমি সূর্যবানুর উপর ক্ষেপে গিয়ে উচ্চস্বরে ধমকাতে থাকি। সূর্যবানু নিরবে দাঁড়িয়ে চোখের পানি ফেলে। আলামিন সাথেই ছিলো। সে তার মায়ের মুখের দিকে চেয়ে ফোঁফাতে থাকে। হটাৎ আমার দিকে আঙুল নির্দেশ করে সিনেমার নায়কের স্টাইলে বলতে থাকে “এই আমার মায়েরে কিছু কবিনা।” শুনে আমি হতভম্ব হয়ে যাই। বুঝতে পারি সন্তানের সামনে মাকে অপমান করা ঠিক হয়নি। শুধু বললাম “যাও।” আলামিন মাকে টেনে নিতে নিতে বললো “নও, মা, এনে চাকরি করবা না।” সূর্যবানুর বিদ্রোহের কথা ফারুক ভাইর কানে গেলে ফারুক ভাই নির্দেশ দিলেন সূর্যবানুকে বরখাস্ত করতে। সবাই সূর্যবানুকে পরামর্শ দিলো তোমার চাকরি থাকতে পারে যদি আমি তাকে ক্ষমা করে দেই। আমারও ইচ্ছা ছিলো তাকে রাখবো। আমি বাসায় ছিলাম বিশ্রামে। সুর্যবানু বাসায় এসে অনেকক্ষণ অনুনয় করে ক্ষমা চাইলেন। আমি কোন কথা বললাম না। আমার স্ত্রী সূর্যবানুকে বললো “যাও, কাজ করোগে। তোমার স্যার তোমাকে মাফ করে দিয়েছে।” সূর্যবানু বুঝতে পারলো যে আপার কথাই স্যারের কথা। পরদিন সব কিছু সাভাবিক নিয়মে চললো। আলামিনকে আশ্বস্ত করার জন্য তার মাথায় হাত বুলালাম। বললাম “তোমার শার্টের উচু নিচু অংশটা ক্যাঁচি দিয়ে কেটে সমান করে নাও।” আলামিন মুচকি হাসলো।

এবার রোজা হবে গ্রীষ্মককালে। ৩০ বছর আগে সেবারও রোজা হয়েছিল গ্রীষ্মকালে। প্রচুর আম ধরেছিলো ক্লিনিকের দক্ষিণ-পূর্ব কোণার আম গাছে। কঁচি কঁচি আম। ঝোকা ঝোকা ঝুলছিলো। ছাদে উঠলে হাতের কাছেই ছিলো। পেড়ে খেতে ইচ্ছে হতো। কিন্তু গাছটা ক্লিনিকের বাইরের সীমানায় ছিলো। তাই, এই আম আমাদের ছিড়তে মানা। আমি ইফতার করার জন্য বাসায় গিয়েছিলাম। সবাই যার যার মতো করে ইফতার করছিলো। সূর্যবানুও দক্ষিণ পাসের দোতলা এক রুমে ইফতার করছিলো। আলামিন ছোট মানুষ। তাই রোজা রাখেনি। আলামিন মায়ের সাথে ছিলোনা। আমি মাত্র আজান দেয়ার সাথে ইফতার মুখে দিয়েছিলাম। ধরাম করে একটা শব্দ হলো ক্লিনিকের দিক থেকে। ‘আলামিন’ বলে সূর্যবানু চিৎকার করে থেমে গেলো। আমি ইফতার রেখে দৌড়িয়ে গেলাম ক্লিনিকের পূর্ব পাশে। দেখি আলামিন উপুর হয়ে পড়ে আছে চার হাত পা ছড়িয়ে কংক্রিটের রাস্তার উপর নিস্তেজ হয়ে। মুষ্ঠিতে আমের ডাল সহ আম। বুঝতে দেরী হলো না যে সবাই যখন ইফতারে ব্যস্ত আলামিন সেই সুযোগে ছাদে গিয়েছিলো আম চুরি করে ছিড়তে। আমের ঝোকা ধরে টান দিলে আমের ডালেও তাকে  বিপরীত দিকে টান দিয়েছিলো। আমের ডাল ছিড়ে আলামিনও পড়ে গিয়েছিল তিন তলা বিল্ডিং-এর ছাদ থেকে। অর্থাৎ চার তলা থেকে। চার তলা থেকে সিমেন্ট-এর পাকা রাস্তায় পড়ে কেউ কি বাঁচার কথা? আলামিনের পালস ও রেস্পাইরেশন পেলাম না। দু’হাত দিয়ে কোলে করে নিয়ে গেলাম দোতলার অপারেশন থিয়েটারে। ওটি টেবিলে শুইয়ে কৃত্তিম শ্বাস প্রশ্বাস দিলাম।  বুকে হার্টের উপর মাসাজ দিলাম। পালস ফিরে এলো। শ্বাস ফিরে এলো আলামিনের। অক্সিজেন চালু করে দিলাম আলামিনের নাকে। আসার সময় দেখেছিলাম সূর্যবানু বারান্দায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। শব্দ শুনে জানালা দিয়ে আলামিনকে পড়ে থাকতে দেখে সূর্যবানু এক চিৎকারে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে দোতলার বারান্দায়। তাকেও ওটিতে এনে চিকিৎসা দেয়া হলো। অনেক্ষণ পর মা-ছেলের জ্ঞান ফিরে এলো। সারারাত পর্যবেক্ষণে রাখলাম। পরীক্ষা করলাম। বুকের এক্স-রে করা হলো। আল্লাহ্‌র রহমতে কোথাও কোন হাড় ভাংগা পাওয়া গেলো না। উভয়েই সুস্থ হয়ে উঠলো। মহল্লাবাসী ও সাংবাদিকরা যেন না জানতে পারে সে জন্য সবাইকে সতর্ক করে দেয়া হলো। সাংবাদিকরা যদি জানতে পাড়তো তাহলে হয়তো খবর বের হতো “৪ তলা থেকে পড়ে গিয়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে আলামিন নামে এক ছেলে।” শোকজ খেত ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ।

কিছুদিন পর থেকে দেখলাম আলামিন তার মায়ের সাথে আসছে না। আলামিনের কী হয়েছে জিজ্ঞেস করলে সূর্যবানু জানালো যে তাকে খোকা ভাইর ভাইয়ের ফাস্ট ফুডের দোকানে নিয়ে গেছে।
– ওখানে কি তাকে চাকরি করতে দিলে?
– না। এতো ছোট ছেলে, চাকরি করবে কেন? তাকে নাকি খোকা ভাইর ভাইয়ের মতো মনে হয় তাই তারা নিয়ে নিয়েছে। কাজ শিখুক। বড় হয়ে তো কাজ করেই খেতে হবে।

যে ছেলে সব সময় মায়ের সাথে থাকতো সে ছেলে এখন ফাস্টফুডের দোকানে ফুট ফরমায়েশ করবে। শুনে আমার কিঞ্চিৎ খারাপ লাগলো।

একদিন পুরান বাস স্ট্যান্ড-এ একটা ফাস্ট ফুডের দোকানে গেলাম কিছু কিনতে। দেখি একটা টুলে আনমনে বসে আছে আলামিন। শরীরটা শুকিয়ে গেছে। সেই জামাটি গায়। কিন্তু সোজা করে বোতাম লাগানো আছে। সেলসম্যান ধমক দিয়ে আলামিনকে বললো “এই ছেরা, ঝিম ধরে বসে আছস ক্যান, পানি দে।” আলামিন বিনম্র ভাবে উঠে গিয়ে কাস্টমারকে পানি দিলো। ঘুরে আমাকে দেখে একটা কাষ্ঠ হাসি দিলো। আমার অন্তরে কোথায় যেনো ব্যাথা অনুভূত হলো।

তারও কিছুদিন পর দেখি ভিক্টোরিয়া রোডে হ্যাপির মার ছোট ছেলে ও আলামিন রাস্তায় ঘুরে ঘুরে ফেরী করে চা বিক্রি করছে। একটা বড় ফ্লাস্কে রেডিমেড চা নিয়ে কাপে ভরে বিক্রি করছে। হ্যাপির মার ছেলের হাতে ফ্লাস্ক আর আলামিনের হাতে জগ, কাপ, গ্লাস ও টোস্ট বিস্কুট। আমাকে দেখে ইশারা দিয়ে সালাম দিয়ে দুইজনই মিটি মিটি হাসছিলো। আমিও মিটিমিটি হাসছিলাম।
– তোমরা কি করছো?
– আমরা ঘুরে ঘুরে চা বিক্রি করি। মায় টাকা দিছে দোকান করতে। ভালোই লাভ হয়। আমরা দুইজনে ভাগে দোকান করি।
(বুঝলাম তারা স্বাধীন ব্যবসা উপভোগ করছে)
– তোমরা পড়তে যাওনা?
– না। পইড়া কি হইব? স্যার, চা খাইন।
– না। চা খাব না।
– খাইন স্যার, একটা।
তারা দুইজনই আমাকে খুব করে ধরলো চা খেতে। আমি এক কাপ চা খেয়ে বললাম
– খুব ভালো হয়েছে।
– আরেক কাপ দেই, স্যার?
– আরে, না।
তারা দুইজনই খুব খুশী আমাকে চা খাওয়াতে পেরে। আমি পকেটে হাত দিতেই সমস্বরে দুইজন বলে উঠলো “দাম লাগবে না, স্যার। এমনি দিয়েছি।”

আমি কিছুতেই দাম দিতে পারছিলাম না। পরে বললাম যে এটা চায়ের দাম না এটা এমনি দিলাম তোমাদেরকে কিছু খাওয়ার জন্য। কত দিয়েছিলাম তা মনে নেই। তবে তখন আমার পকেটে বেশী টাকা থাকতো না। সারামাসের বেতন ছিলো মাত্র ১,৮৫০ টাকা।
তবে এটাই মনে হয় আলামিনের সাথে আমার শেষ দেখা। সেদিন তার গায়ে সেই শার্ট ছিল অসমানে লাগানো বোতাম। হাফ হাতা হাল্কা আকাশী হাওই শার্ট।

সূর্যবানু আমার মেয়েকে কোলে নিয়ে বেড়াতো। কোন সময় ধাওয়া কান্না শুরু করলে সূর্যবানু এসে কোলে নিতো। তার কোলে সে চুপ হয়ে যেতো। ছোট্ট মেয়েটাকে সে বুড়ি বলে ডাকতো। বেজার হয়ে থাকলে নানান ভঙ্গী করে হাসাতে চেষ্টা করতো। সরকারি চাকরি নিয়ে চলে আসার পর আমার স্ত্রী সুর্যবানুকে নিয়ে কথা বলতো। “আবার টাঙ্গাইল গেলে সূর্যবানুকে দেখে আসব” বলে মন্তব্যও করেছে অনেকবার। মাঝে মাঝে আমরা নাহার নার্সিং হোমে বেড়াতে গিয়ে সূর্যবানুকে দেখে আসতাম। সব সময়ই সুর্যবানু আমার মেয়েরা কেমন আছে কি করছে খোঁজ নিতো। আমি কখনো আলামিনের খোঁজ নেইনি। বহু বছর হয়ে গেছে সূর্যবানুর খোঁজ নেইনি। বেঁচে আছে কিনা তাও জানিনা। বেঁচে থাকলেও বয়সের ভারে তার শরীর ভেংগে যাওয়ার কথা। আলামিনের বয়স তো এখন ৩৬ সের উপরে হবে। সেকি তার মাকে কামাই করে খাওয়াচ্ছে? যে ছেলের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছে। যদি কোনদিন আলামিনের সাথে দেখা হয় তবে নিশ্চয়ই আমি আগের আলামিনকে পাবো না। পাবো কি সেই মাসুম শিশু, হাল্কা আকাশী রংগের হাফ হাতা হাওই শার্ট গায়ে অসমান বোতাম লাগানো, যেমনটি দেখেছিলাম শেষবারে ভিক্টোরিয়া রোডে আলামিনকে, সূর্যবানুর ছেলেটিকে!

২৪/২/২০১৯ খ্রি.
ময়মনসিংহ- কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ জার্নি #গল্প #স্মৃতিকথা #সাদেকুল

riksaoala-chauler-dor-janena

Riksaoala Chauler dor Janena

রিক্সাওয়ালায় চাউলের দর জানেন না

(জীবনের গল্প)

ডা; সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

রাত ৯ টার পর চেম্বার থেকে বের হলাম। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিলো। রিক্সা খুচ্ছিলাম। খুব কম রিক্সা ছিলো। কেউ যেতে রাজি হলেন না। চিন্তা করলাম এর পর যাকে খালি পাবো তাকে এভাবে প্রস্তাব দেবো “ভাই, মাসকান্দা নুতুন বাজার ৫০ টাকা, যাবেন?” চেম্বার থেকে ওখানকার ভাড়া হলো ২০ টাকা। কিন্তু ২-৩ জনকে ৫০ টাকা প্রস্তাব দিয়েও রাজি করাতে পারলাম না।

এবার একজন খালি পেলাম। বললাম

– ভাই, মাসকান্দা নতুন বাজার যাবেন?

– যাবো, ভাড়া ৩০ টাকা।

– চলুন।

বাসার সামনে নেমে তার হাতে ৫০ টাকা দিয়ে বললাম

– আমি আজকের ভাড়া ৫০ টাকা দেয়ার নিয়ত করেছিলাম। আপনি ৫০ টাকাই নেন।

তিনি নিয়ে নিলেন। এই ৫০ টাকায় কতটুকু চাউল কিনতে পারবেন জানার জন্য জিজ্ঞেস করলাম

– চাউলের কেজি কত টাকা করে?

– কইতে পারতাম না।

– কেন, চাউল কিনতে হয় না?

– আমি তো হোটেলে খাই সবসময়। তাই, জানি না।

– আপনার বাড়ি কোথায়?

– গৌরিপুর।

– ডেইলি গৌরিপুর চলে যান?

– না। ময়মনসিংহ শহরেই থাকি।

– বাসা ভাড়া কত দিতে হয়?

– বাসা ভাড়া লাগেনা। রিক্সার গ্যারেজেই থাকি।

– গ্যারেজওয়ালা ভাড়া নেয় না?

– না, রিক্সা তো তারই। রিক্সা চালক গ্যারেজে থাকতে চাইলে থাকতে দেন।

সালাম দিয়ে রিক্সাওয়ালা বিদায় নিলেন। আমি বাসায় প্রবেশ করতে করতে ভাবলাম “সব কর্মজীবী মানুষ এভাবে কষ্ট করে যাচ্ছে তার স্ত্রী, সন্তান ও নিকট আত্মীয়দের সুখে রাখতে।”

লিখনঃ ১৯/৬/২০২২
পুনঃলিখনঃ ১৩/২/২০২৬

#গল্প #জীবনেরগল্প #সাদেকুল

parcel-nirvor-jibon

Parcel Nirvor Jibon

পার্সেল নির্ভর জীবন

(ছোট গল্প)

ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

সকাল ঠিক আটটায় সে বাসার গেইট বন্ধ করে। তালার শব্দটা গলির ভেতর একটু বেশিই জোরে শোনা যায়। গলিটা তখনও পুরো জেগে ওঠেনি। একতলা বাসার দেয়ালের সঙ্গে লাগানো ছোট কাঠের বাক্সটার দিকে একবার তাকায় সে। উপরে লেখা—

“Keep Parcel Here”

আজ সেখানে কিছু নেই। কাল রাতে ডিনারের পার্সেলটা নিজেই তুলে নিয়েছে।

সে ত্রিশ বছরের একজন ডাক্তার। অবিবাহিত। এই শব্দটা নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই, গর্বও নেই।

হাসপাতালে গিয়ে সারাদিন রোগী দেখে। কারও বুক ধড়ফড় করে, কারও শ্বাস আটকে আসে, কারও জীবনে অকারণ ভয়। সে মন দিয়ে শোনে, পরীক্ষা করে, প্রেসক্রিপশন লেখে। মানুষের জীবন ঠিক করার কাজে সে ক্লান্ত হয়, কিন্তু বিরক্ত হয় না।

বিরক্ত হয় অন্য জিনিসে।

বাজার করা—ঝামেলা।

কী রান্না হবে ভাবা—ঝামেলা।

রান্না করা—সবচেয়ে বড় ঝামেলা।

হোটেলে গিয়ে খাওয়া—লাইন, শব্দ, মানুষ, অপ্রয়োজনীয় কথা।

ডাইনিং—আরও বেশি ঝামেলা।

তার কাছে খাওয়া মানে শুধু খাওয়া।

ক্ষুধা → খাবার → শেষ।

দুপুরে হাসপাতালের ক্যান্টিন, রাতে পার্সেল।

মাঝে মাঝে একটাই অ্যাপ, আগের অর্ডার হিস্ট্রি থেকে “Repeat Order”।

নতুন কিছু ট্রাই করার মতো মানসিক জায়গা তার নেই।

বিকেলে প্রাইভেট চেম্বার। সেখানে সে আরও শান্ত। মানুষ টাকা দিয়ে আসে, কথা শোনে, বিশ্বাস করে। বিশ্বাস—এই শব্দটা সে শুধু রোগীদের চোখে খোঁজে, নিজের জীবনে নয়।

রাত হলে বাসায় ফিরে। গেইট খুলে ঢোকার আগেই চোখ যায় দেয়ালের দিকে। আজ পার্সেল এসেছে। বাদামি প্যাকেট, নাম লেখা নেই—শুধু তার মোবাইল নম্বর।

সে প্যাকেট তুলে নেয়। মনে পড়ে না কবে শেষবার কেউ তার জন্য কিছু হাতে তুলে দিয়েছে।

খেয়ে নেয়। টেবিলে বসে নয়, বিছানায় শুয়ে।

তারপর মোবাইল।

মেডিকেল আর্টিকেল, শর্ট ভিডিও, সিরিজের আধা-আধা দেখা এপিসোড।

সবই চলতে থাকে আঙুলের একটুখানি নড়াচড়ায়।

বিয়ে?

সে বিষয়টা নিয়ে কখনো গভীরভাবে ভাবেনি।

তার কাছে স্ত্রী মানে অতিরিক্ত সমন্বয়, অতিরিক্ত ব্যাখ্যা, অতিরিক্ত দায়িত্ব।

কারও অপেক্ষা করা, কারও জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া—এসব তার দৈনন্দিন তালিকায় নেই।

তার জীবন খুব পরিষ্কার।

খাওয়া আছে।

কাজ আছে।

ঘুম আছে।

আর আছে পার্সেল।

মাঝে মাঝে রাতে শুয়ে থাকতে থাকতে ভাবে—

যদি কোনোদিন এই “Keep Parcel Here” লেখাটা মুছে যায়,

যদি একদিন পার্সেল না আসে,

তাহলে কি তার জীবনে সত্যিই কিছু বদলাবে?

এই প্রশ্নটার উত্তর সে খোঁজে না।

মোবাইল স্ক্রিনটা আবার জ্বলে ওঠে।

ভিডিও শুরু হয়।

আর তার জীবন, ঠিক পার্সেলের মতোই,

নীরবে দরজার পাশে পড়ে থাকে—

খোলা হবে কি না, সেটা কেউ জানে না।

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#গল্প #ছোটগল্প #সাদেকুল

Get ISNN

To Obtain an ISNN for a Medical Journal in Bangladesh

To obtain an ISSN (International Standard Serial Number) for a medical journal in Bangladesh, you must apply through the national ISSN center of Bangladesh.

Bangladesh’s official ISSN authority is:

👉 Bangladesh National Scientific and Technical Documentation Centre (BANSDOC)
(Under the Ministry of Science and Technology)

They work in coordination with the ISSN International Centre (Paris).


✅ Eligibility Requirements

Before applying, your medical journal should have:

  • A fixed journal title
  • A defined scope (medical/health sciences)
  • An editorial board
  • A publisher (institution or organization)
  • At least one published issue (preferred)
  • A journal website (for online journals)

📝 Documents Needed

Prepare the following:

For Print Journal

  • Cover page (PDF/JPEG)
  • Title page
  • Editorial board page
  • Table of contents
  • Publisher information
  • First issue sample (soft copy)

For Online Journal

  • Journal website URL
  • Homepage screenshot
  • About Journal page
  • Editorial board page
  • Latest issue link
  • Contact page

🌐 Application Process (Bangladesh)

Step 1: Visit BANSDOC Website

Go to BANSDOC official site:
👉 https://www.bansdoc.gov.bd


Step 2: Download ISSN Application Form

Look for ISSN Application Form under services/downloads section.


Step 3: Fill the Form

You must provide:

  • Journal title
  • Format (Print / Online / Both)
  • Publisher name
  • Address
  • Frequency (Monthly/Quarterly/etc.)
  • Language
  • Subject area (Medical/Health Sciences)
  • Editor-in-chief details

Step 4: Submit Application

You can submit:

✔ By Email (scanned form + documents)
✔ By Physical Submission (office visit or courier)

BANSDOC Address (Main Office):

BANSDOC  
Ministry of Science and Technology  
Dhaka, Bangladesh

⏳ Processing Time

Typical timeline:

  • 15–30 working days
  • May take longer if documents are incomplete

💰 ISSN Fee in Bangladesh

Currently:

  • ISSN is FREE (No government fee)
  • Courier or printing costs may apply

📌 Important Notes for Medical Journals

  • ISSN does NOT mean indexing or impact factor
  • ISSN is mandatory for:
    • Journal recognition
    • DOAJ application
    • University acceptance
    • PubMed/Scopus application later
  • Separate ISSN needed for:
    • Print version
    • Online version

⚠ Common Reasons for Rejection

  • Fake or incomplete website
  • No published issue
  • Missing editorial board
  • Duplicate journal title
  • Poor journal structure

✅ Pro Tip for Medical Journals

If you plan international indexing later:

  • Use English title + abstract
  • Add publication ethics policy
  • Use DOI system (Crossref later)
  • Follow ICMJE guidelines

If you want, I can help you with:

✔ BANSDOC ISSN application form filling
✔ Required document checklist (PDF format)
✔ Journal website structure
✔ Medical journal naming rules
✔ Online vs Print ISSN difference

Just tell me 👍

Dr. Sadequel Islam Talukder

sadequel@yahoo.com

BMDC Recognition

How to Get BMDC Recognition of Your Journal

To get BMDC registration / recognition for your medical journal, you must apply for official approval as a recognized medical journal from the Bangladesh Medical and Dental Council. BMDC does not issue a “registration number” like doctor registration, but they grant formal recognition/approval that allows your journal to be used for academic promotion and professional evaluation.

Below is the complete official process:


✅ Step-by-Step Process to Get BMDC Recognition for Your Medical Journal


🔹 Step 1: Fulfill Minimum Journal Requirements

Before applying, your journal must meet BMDC academic standards:

📌 Mandatory Criteria (Commonly Required)

✔ Valid ISSN number (Print or Online)
✔ Regular publication schedule (Quarterly / Biannual / Annual)
✔ Peer-reviewed process
✔ Editorial board with BMDC-registered doctors
✔ Clear author guidelines
✔ Ethical policy (plagiarism, conflict of interest)
✔ Indexed or abstracted (preferred but not always mandatory)
✔ Proper website (for online journals)


🔹 Step 2: Collect Required Documents

Prepare the following:

📂 Journal Documents

  • ISSN certificate
  • Latest 2–3 published issues (hard copy + PDF)
  • Journal aim & scope
  • Peer review policy
  • Editorial board list with BMDC numbers
  • Publication frequency declaration
  • Publisher information

📂 Application Documents

  • Application letter addressed to BMDC
  • Cover letter from Editor-in-Chief
  • Office address & contact details
  • Website URL (if online journal)

🔹 Step 3: Write Formal Application to BMDC

Your application should include:

  • Journal name
  • ISSN number
  • Start year
  • Publication frequency
  • Purpose of recognition
  • Request for academic approval

📌 Example subject line:

Application for Recognition of Medical Journal by BMDC


🔹 Step 4: Submit Application to BMDC Office

Submit physically to:

🏢 Bangladesh Medical and Dental Council Office

Academic & Registration Section
Dhaka, Bangladesh

(Some applications may also accept email copies — physical submission is safer)


🔹 Step 5: BMDC Review Process

BMDC will evaluate:

✔ Journal quality
✔ Editorial standards
✔ Peer review authenticity
✔ Ethical compliance
✔ Publication regularity

They may:

  • Ask for clarification
  • Request sample copies
  • Suggest improvements

🔹 Step 6: Receive Recognition Letter

If approved, BMDC will issue:

✅ Official recognition letter
✅ Journal included in BMDC Approved Journal List
✅ Validity period (usually renewable)

This acts as your official BMDC recognition proof.


⚠ Important Points

❌ BMDC does NOT give online instant approval
❌ No “journal ID card” or unique number system
✔ Recognition is based on official listing and circular reference


✅ Tips to Increase Approval Chances

✔ Use plagiarism checker (Turnitin standard)
✔ Maintain DOI system
✔ Follow ICMJE guidelines
✔ International editorial advisors help
✔ Publish consistently (no gaps)


📌 Common Reasons for Rejection

🚫 Fake peer review
🚫 Irregular publication
🚫 Weak editorial board
🚫 No ethical policy
🚫 Poor article quality


If you want, I can help you with:

  • Application letter format
  • Required document checklist (PDF format)
  • Editorial board structure
  • Journal website content template
  • ISSN application guidance
  • BMDC compliance checklist

Just tell me:

1️⃣ Journal name
2️⃣ Print / Online / Both
3️⃣ Already have ISSN?
4️⃣ Publication frequency
5️⃣ Year started

I’ll guide you step-by-step 👍

Dr. Sadequel Islam Talukder

sadequel@talukderbd

crossref-indexing-requirement

Indexed with Crossref Requirement

To get indexed with Crossref (i.e., to register DOIs and make your journal metadata discoverable), a Bangladeshi Medical Journal must meet several technical, editorial, and policy-related requirements. Below is a clear breakdown:


✅ 1. Journal Eligibility Requirements

Your medical journal must:

  • Be a legitimate scholarly publication
  • Publish peer-reviewed research
  • Have a regular publication schedule (quarterly, biannual, annual, etc.)
  • Have a stable journal website
  • Display editorial board and peer-review policy
  • Follow publication ethics (COPE recommended)

Crossref does NOT evaluate research quality like PubMed or Scopus — it focuses on metadata quality and publishing standards.


✅ 2. Mandatory Technical Requirements

Your journal must have:

🔹 ISSN (Required)

  • Print ISSN and/or Online ISSN from Bangladesh National ISSN Centre
  • ISSN must be active and verifiable

🔹 DOI Membership Application

You must apply for Crossref membership:

Required information:

  • Publisher name (Journal authority or institution)
  • Official email
  • Journal website URL
  • ISSN
  • Publication type (Journal)
  • Country: Bangladesh

There is no membership fee or DOI registration fee for Bangladeshi Journal

(Waivers sometimes available for developing countries)


✅ 3. Required Journal Website Elements

Your journal website must clearly show:

Editorial Information

✔ Editor-in-Chief name
✔ Editorial board
✔ Institutional affiliation

Policies Pages

✔ Peer-review policy
✔ Publication ethics
✔ Plagiarism policy
✔ Retraction policy
✔ Open access policy

Article Pages Must Include:

✔ Title
✔ Authors
✔ Abstract
✔ Keywords
✔ References
✔ Publication date


✅ 4. Metadata Requirements (Critical)

Each article metadata must contain:

  • Article title
  • Author names
  • ORCID (recommended)
  • Abstract
  • References (important)
  • DOI landing page URL
  • License information (Creative Commons recommended)

Crossref requires structured XML metadata deposit or plugin-based submission.


✅ 5. Reference Linking Requirement

Your journal must:

  • Deposit reference lists
  • Enable citation linking
  • Use correct reference formatting

This improves:

✔ Google Scholar indexing
✔ Citation tracking
✔ Impact measurement


✅ 6. Publishing Ethics Compliance

Medical journals especially must follow:

  • ICMJE authorship criteria
  • COPE ethical guidelines
  • Patient consent statements
  • Clinical trial registration (if applicable)

✅ 7. Recommended (But Not Mandatory)

To improve acceptance and credibility:

✔ OJS platform (Open Journal Systems)
✔ Crossmark metadata
✔ Funding metadata
✔ ORCID integration
✔ CC-BY license


⚠ Important Note for Bangladeshi Journals

Many Bangladeshi journals get rejected due to:

❌ No ISSN display
❌ Fake editorial boards
❌ No peer-review page
❌ Broken article links
❌ Low-quality website
❌ Incomplete metadata


✅ After Crossref Approval

You will be able to:

  • Assign DOI to every article
  • Appear in global DOI databases
  • Enable citation tracking
  • Improve Google Scholar visibility
  • Integrate with PubMed Central (if eligible)

If you want, tell me:

  • Your journal name
  • Website link
  • Current ISSN status

👉 I can check whether your Bangladeshi Medical Journal is Crossref-ready and what exactly needs fixing.

Dr. Sadequel Islam Talukder
Experience Editor of Medical Journal
sadequel@yahoo.com

Ekaler Kabulioala

Ekaler Kabulioala

একালের কাবুলিওয়ালা

(স্মৃতি কথা)

খুব ছোট বেলাতেই আমি কাবুলি দেখেছি। প্রতিবছর কা্বুলিরা আমাদের গ্রামে আসত। আফগানিস্তানের কাবুল থেকে এরা নানা রকম ব্যবসা করতে আমাদের দেশে আসত। এদের গায়ে ঢিলেঢালা কুরতা ও সালোয়ার থাকত। কুরতাকে আমরা কাবলি শার্ট বলতাম। তাদের পাথায় পাগড়ী থাকত। মোটা মোটা গোফ ছিল। গালভর্তি দাড়ি ছিল। শরীরের সাইজ আমাদের বাপ দাদাদের দেকেও দেড় গুণ বড় ছিল। বাম কাঁধে থাকত একটা বিরাট ঝোলা। এই ঝোলার ভিতর কিসমিস, জাফরান, শক্তি বর্ধক বটিকা,  টাকা পয়সা ইত্যাদি থাকত। ডান হাতে থাকত একটা মোটা লাঠি। তারা খুব সাহসী ছিল। উর্দু, হিন্দি, ইংরেজি ও বাংলা একাত্র করে তারা মোটা ও ঘাঢ় গলায় কথা বলত। কাবুলিকে আমরা কাব্লি উচ্চারণ করতাম । কাবলি আসলে দাদা বাইরবাড়ি গাছতলায় টুলে অথবা পাটিতে বসতে দিতেন। দাদা তাদের সাথে নানারকম গল্প করতেন। আমি কিছু কিছু বুঝতাম। আমি দাদার পিঠ ঘেষে দাঁড়িয়ে কাবলির দিকে চেয়ে চেয়ে তার কথা বলার ভঙ্গি দেখতাম। দাদা শক্তি বর্ধক বটিকা কিনতেন। মুধুর মত ঘ্রাণ ছিল বটিকার। আমার খেতে ইচ্ছা করত। যুবক শ্রেণীর ছেলেরা কাবলিকে একটু দূরে সরিয়ে নিয়ে গোপনে কি যেন বলতেন। পরে কাবলির কাছ থেকে সেই অনুযায়ী গুড়া ঔষধের পুড়িয়া নিতেন।  কোন কোন কাবলি দাদাদের সাথে চুক্তি করতেন জাহাজে করে বোম্বে হয়ে পবিত্র হজ্জ পালন করিয়ে দিবেন। বোম্বে থেকে করাচি নিয়ে হজ্জের কার্ড সংগ্রহ করিয়ে দিতেন। বিনিময়ে তারা একটা ফি নিতেন। কোন কোন হজ্জ গমনেচ্ছুক কার্ড না পেয়ে বোম্বে থেকেই ফেরৎ আসতেন। তাদেরকে কেউ কেউ ‘বোম্বাইয়া হাজী’ বলতেন। কেউ কেউ হজ্জে যেতে ইচ্ছা করতেন । শুনিয়ে বেড়াতেন হজ্জে যাবেন। কিন্তু কোন উদ্যোগ নিতেন না। অনেকে তাদেরকে তিরস্কার করে বলতেন ‘যামু হাজী’।

কাবলিদের নিয়ে আরও জানতে পারলাম ক্লাস সেভেনে উঠে। বাংলা পাঠ্য বইয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গল্প ‘কাবুলিওয়ালা’ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইনসান স্যার বাংলা পড়াতেন। এই গল্পে রবীন্দ্রনাথ কাবলিদেরকে কাবুলিওয়ালা বলেছেন। গল্পের কাবুলিওয়ালাদের বর্ণনা পড়ে আমার ছোটবেলার কাবলিদের কথা মনে পড়ত। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর আমি কাবলিদের দেখিনি। খুব সম্ভব বাংলাদেশ সরকার আফগানিস্তানের কাবলিদের প্রবেশ কড়াকড়ি করেছে। যেটা পুর্বপাকিস্তান সরকারের ছিল না। কাবুলিওয়ালা গল্পের ৫ বছর বয়সের মিনি নানান রকমের কথা নিয়ে তার বাবার কাছেই ঘুরঘুর করত। তার পায়ের কাছেই হাটু গেড়ে বসে হাত তালি দিয়ে ‘আগডুম বাগডুম’ ছড়া বলত। মিনির বাবা তাতে বিরক্ত হয়ে ভোলানাথের সাথে খেলতে যেতে বলতেন। এই অংশটুকু পড়ানোর সময় ইনসান স্যার তাঁর বাচ্চাদের সাথে তুলনা করে গল্পের ব্যখ্যা দিতেন। বলতেন “আমার বাচ্চাও আমার কাছে দাঁড়িয়ে আমার পিঠের সাথে ঘষাঘষি করে। সরিয়ে দিলেও আবার এসে পিঠ দিয়ে পিঠ ঘষতে থাকে।” গল্পের মিনি ও ইনসান স্যারের বাচ্চার কথা শুনে আমার ছোট বেলার সাথে মিল খুঁজে পেয়ে উৎফুল্ল হতাম। মনে পড়ত বাবা যখন খালি গায়ে পিড়িতে অথবা টুলে বসে কোন কাজ করতেন তখন তিন চার বছর বয়সের আমার ছোট বোন সোমেলাও খালি গায়ে বাবার পিঠ ও হাত ঘেষে দাঁড়িয়ে ঘষাঘষি করত। আমার হিংসা হত। আমি তাকে সরিয়ে দিয়ে নিজে ঘষাঘষি করতাম। বাবার কাজে বাধা পরত। বাবা বিরক্ত হয়ে হাত দিয়ে আমাদেরকে ঠেলে দিতেন। আমরা আবার আসতাম পিঠে ঘষাঘষি করতে। ক্লাস সেভেনে কাবুলিওয়ালা গল্প পড়ে কাবলিদের সম্পর্কে আমার ধারনা আরেকটু বাড়ল।

আমার চোট মেয়ে ডাঃ দীনার বয়স যখন দুই-তিন বছর ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বড় মেয়ে মুনার বয়স যখন পাচ-ছয় বছর তখন তারাও আমার গা ঘেষতে কাড়াকাড়ি করত। আমি চেয়ারে বসে ক্লাশ নোট লিখতাম, গবেষণা নিবন্ধ লিখতাম তাতে আমার অসুবিধে হত। সড়িয়ে দিলেও বার বার আসত। মনে মনে ভাল লাগত। কাবুলিওয়ালার মিনির কথা মনে পড়ত। ঐ সময় দেশে টেলিভিশনে ডিস চ্যানেল ছিল না। শুধু বাংলাদেশ টেলিভিশন ও কলকাতা দুরদর্শণ চ্যানেল দেখা যেত ইনডোর এন্টিনা দিয়ে। রাতে দুরদর্শনে একটা সাদাকালো সিনেমা দেখলাম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে সিনেমা ‘কাবুলিওয়ালা ‘। সেদিন বাসায় একা ছিলাম। একটানা দেখে শেষ করলাম। ছবি বিশ্বাস কাবুলিওয়ালা ‘রহমতের’ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন। তার অভিনয় দেখে মনে হল তিনিই সত্যিকারের ‘রহমত’। রহমত ছোরা দিয়ে এক বদমাসকে ঘা দিয়ে আট বছর জেল খেটেছিল বিদেশের বাড়িতে। পাচ বছর বয়সের তার মেয়েকে রেখে এসেছিল মায়ের কাছে কাবুলে। আসার সময় মেয়ের হাতে ছাই মেখে কাগজে একটা হাতের ছাপ নিয়ে এসেছিল। আট বছর জেল খেটে ছাড়া পাবার পর রহমত কিছু পেস্তাবাদাম ও কিসমিস নিয়ে মিনিকে দেখতে গিয়েছিল। সেদিন মিনির বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। সে ভেবেছিল মিনি সেই পাঁচ বছর বয়সের মিনির মতই ‘ও কাবলিওয়ালা’ বলে ডাকতে ডাকতে আসবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সে এক বড় লাজুক নববঁধু। কাবলি ভাবল কাবুলে তার মেয়েটিও এখন বড় হয়ে বিয়ের যোগ্যভয়ে গেছে এই আট বছরে। কুরতার পকেট থেকে সেই ছোট্ট হাতের ছাপটি বের করে টেবিলের উপর মেলে ধরে অশ্রু ফেলল। লেখক তাকে দেশে ফিরে যাবার জন্য হাতে কিছু টাকা গুছে দিল। মিনির বিয়ের ধুমধাম করার খরচ কিছুটা কাটছাঁট করে এই টাকা দেয়া হয়েছিল। ধুমধাম কিছুটা কম হওয়াতে পরিবারের লোকজন একটু মনখুন্ন ছিল। কিন্তু রহমতকে দেশে চলে যাবার ব্যবস্থা করে দিতে পারার জন্য মিনির বাবা প্রফুল্ল ছিলেন।

আট বছর দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে চাকরি করেছি । সন্তানদের পড়াশুনার জন্য ফ্যামিলি ঢাকায় রেখেছিলাম । আমি একাই দিনাজপুর থাকতাম ডরমিটরিতে হাউজে । সেই ডরমিটরি হাউজে আরো ১০-১২ জন শিক্ষক থাকতেন । প্রতিরাতে চেম্বার থেকে ফিরে একসাথে রাতের খাবার খেয়ে ফ্যামিলির সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করতাম। ছোট মেয়ে দীনা, বড় মেয়ে মুনা ও স্ত্রী স্বপ্নার সাথে কথা শেষ করে ঘুমিয়ে পড়তাম। ডাঃ জাকিউল দরজা খোলা রেখে শুয়ে শুয়ে অনেক্ষণ স্কাইপিতে বাচ্চাদের সাথে ভিডিও চ্যাট করতেন। আমার রুমের ওয়ালের উপর ভেন্টিলেটর ছিল। তাদের সবকথাই আমার রুম থেকে শোনা যেতো। তার ছোট মেয়ে তখনো কথা বলতে শিখে নি। শত বার আব্বু আব্বু করতেন মেয়ের মুখে আব্বু বের করার জন্য। একসময় তার মেয়ে কথা বলতে শিখে। বড় হতে থাকে। দুই মেয়ের সাথেই তিনি ভিডিও চ্যাট করতেন। দুই মেয়ে মারামারি বেধে দিলে তিনি আদরের সাথে কথা বলে থামিয়ে দিতেন। সবই হতো স্কাইপিতে। শুধু ছুয়ে দেখতে পারতেন না। তার ফ্যামিলি ঢাকার ধানমন্ডিতে দামী বাড়ি ভাড়া করে থাকত।

ডাঃ জাকিউল আমার গল্প শুনে মজা পেতেন। তিনি যখন সাম্প্রতিক সময়ের কোন চমকপ্রদ ঘটনার বর্ণনা করতেন, বর্ণনার শেষে   আমি এটার মতই এরচেয়েও বেশী একটা চমকপ্রদ পুর্বের ঘটনার বর্ণনা দিতাম। ডাঃ জাকিউল বলতেন “সাদেক ভাই অনেক মজার মজার ঘটনা মনে করে গল্পাকারে সুন্দর করে বলতে পারেন। আপনি এগুলি গল্পাকারে লিখে রাখতে পারেন। পড়ে অনেকে মজা পাবে।” আমি বলতাম “লিখতে বসলে গল্প মনে আসে না। কিন্তু অনুরূপ একটি ঘটনা ঘটলে আগের ঘটনা মনে পড়ে যায়।“

মাঝে মাঝে করিডোরে দাঁড়িয়েও গল্প করতাম। একদিন দেখলাম ডাঃ জাকিউলের টিশার্ট-এ একটা স্কচ ট্যাপের কোণাকাটা টুকরা লেগে আছে। আমি ময়লা মনে করে তুলে ফেলতে হাত দিলাম। আমার হাত চেপে ধরে ডাঃ জাকিউল বললেন “না, না, না, সাদেক ভাই, এটা তুলবেন না।”

-কেন? এটাতো স্কচ ট্যাপের টুকরা মনে হচ্ছে।

-আমি এবার ঢাকা থেকে ফেরার সময় হঠাৎ আমার মেয়েটা তার রুম থেকে স্কচ ট্যাপের এই টুকরাটা কেটে এনে আমার টিশার্ট-এ লাগিয়ে দিয়ে বলে ‘এই ট্যাপটা লাগিয়ে দিলাম। যতদিন এই ট্যাপটা লাগানো থাকবে ততদিন আমাকে তোমার মনে থাকবে। ‘

আমি আবার এই ট্যাপ নিয়েই ঢাকায় ফিরতে চাই।

-আপনার মেয়ে কয়জন?

-দুইজন। এই বড়।

-এর বয়স কত?

-প্রায় ছয় বছর।

-আপনি একালের একজন কাবুলিওয়ালা।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাবলিওয়ালা গল্পের রহমতের কথা আমার মনে পড়ল। মনে হল আমার যদি ক্ষমতা থাকতো আমি এই কাবলিওয়ালাকে বদলী করে ঢাকায় তার মেয়ের কাছে নিয়ে যেতাম। কিন্তু আমার সেই ক্ষমতা নেই। আমিও যে একালের আরেক কাবুলিওয়ালা।

২৪/২/২০১৮ খ্রি.

#কাবুলিওয়ালা #স্মৃতি #গল্প #সাদেকুল

কাল্পনিক ছবিটি একেছি জেমিনি এ আই টুল দিয়ে ।

Biggan Melay Amar Krititto

বিজ্ঞান মেলায় আমার কৃতিত্ব

(স্মৃতি কথা)

ডাঃ সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

১৯৭৮ সন। প্রিন্সিপাল এ এফ এম গোলাম কিবরিয়া স্যার কেমিস্ট্রির স্যার আনন্দ মোহন, অংকের স্যার আবুল হোসেন স্যার এবং শরীর চর্চার স্যার অখিল চন্দ্রকে দায়িত্ব দিলেন আমাদের আলাউদ্দিন সিদ্দিকী কলেজ থেকে কিছু সংখ্যক বিজ্ঞান বিভাগে পড়ুয়া ছাত্র নিয়ে টাঙ্গাইলে বিন্দু বাসিনী বয়েস স্কুলে অনুষ্ঠিত ৭ দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলায় অংশ গ্রহন করতে। স্যারগণ এই টীমে আমাকে, কাজী সাফিউল্লাহ বুলবুল, নজরুল, বেলায়েত, ও কাদেরকে নিয়ে টীম গঠন করলেন মেলায় অংশ গ্রহন করতে। আমরা স্যারদের কাছ থেকে ৭ দিন ৭ রাত্রি হোটেলে থাকা ও খাওয়া এবং আনুসংগিক খরচের টাকা নিয়ে নিলাম। ভিক্টোরিয়া রোডের একটা হোটেলে থাকা ও খাওয়া হতো।মেলায় আমরা একেক জনে একেক প্রদর্শন করতাম।

টাঙ্গাইল জেলার সব স্কুল ও কলেজের যৌথ উদ্যোগে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল।প্রতিটি স্কুল থেকে দল বেধে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রবেশ করতেন।বিজ্ঞানের নানান খুটিনাটি নিয়ে তারা প্রশ্ন করতেন। আমি দেখাতাম হাতে বানানো পেরিস্কোপ। পেরিস্কোপ সম্পর্কে পড়েছিলাম ক্লাস এলেভেনেই পদার্থ বিজ্ঞান বইয়ে। আয়নার মাধ্যমে আলোর প্রতিফলন এর তত্বকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ বানানোর আইডিয়া আসে বিজ্ঞানীদের। পেরিস্কোপ মুলত: যুদ্ধের সময় ডুবু জাহাজে ব্যবহার করা হয়। ডুবু জাহাজ পানির নিচে ডুব দিয়ে থাকে। সমুদ্রের সারফেসে চলমান জাহাজ দেখার জন্য ব্যবহার করা হয় পেরিস্কোপ দিয়ে।

দর্শনার্থীরা আমার কক্ষে এলে প্রথমে তাদেরকে আমার বানানো পেরিস্কোপ দেখতে দিতাম। তারা দেয়ালের ছিদ্রে বসানো আয়নায় চোখ রাখলে শহরের নিরালার মোরে চলাচল রত পথচারী ও রিক্সা দেখতে পেতো। তার পর আমাকে জিজ্ঞেস করতো এটা কিভাবে সম্ভব হলো।

আমি পেরিস্কোপ সম্পর্কে বিস্তারিত বলতাম।

পেরিস্কোপ হলো একটি অপটিক্যাল যন্ত্র, যার সাহায্যে বাধার আড়াল থেকে কোনো বস্তু দেখা যায়। এটি আলোর প্রতিফলনের নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। পেরিস্কোপে সাধারণত দুটি আয়না ৪৫ ডিগ্রি কোণে বসানো থাকে, যার মাধ্যমে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পৌঁছায়।

পেরিস্কোপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হলো সাবমেরিনে। সমুদ্রের নিচে অবস্থান করেও এর মাধ্যমে ওপরে থাকা জাহাজ বা বস্তু দেখা যায়। এছাড়া সামরিক ক্ষেত্রে শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এটি ব্যবহার করা হয়। বিজ্ঞান গবেষণা, শিক্ষা কার্যক্রম এবং পরীক্ষাগারেও পেরিস্কোপ ব্যবহৃত হয়। সবশেষে বলা যায়, পেরিস্কোপ বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার যা আমাদের নিরাপদভাবে দূরের বা আড়ালে থাকা বস্তু দেখতে সাহায্য করে।

– কিন্তু, সেটা তো সমুদ্রের প্যাপার। এখান থেকে নিরালা মোর কিভাবে দেখা যাচ্ছে?

-আমি দুইটা আয়না কিনে এনে এখানে ব্যবহার করেছি। একটা আয়না ৪৫ ডিগ্রি কোণাকুণি করে বসিয়েছি এই বিল্ডিংয়ের ছাদের কিনারে। আরেকটা আয়না বসিয়েছি নিচের বাগানে ৪৫ ডিগ্রি কোনাকোনি করে যাতে উপরেরটার প্রতিবিম্ব নিচের আয়নার উপর এসে পরে। আয়নায় পড়া সেই দৃশ্যই ঘরের ভিতর থেকে ওয়ালের ছিদ্র দিয়ে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন।

– তাজ্জব!

পেরিস্কোপ দেখিয়ে ছাত্র ও শিক্ষকদের আমি বেশ ইম্প্রেসড করেছিলাম। বিচারকরা আমার পারফরম্যান্স দেখে খুবই প্রসংশা করে। আলাউদ্দিন সিদ্দিকী কলেজ পুরস্কার পায়।

আমি যেন এখনো দেখতে পাই পেরিস্কোপ দিয়ে দেখা টাঙ্গাইলের সেই নিরালার মোর। ঐতিহ্য বাহী ঘ্যাগের দালান।

অপ্রয়োজনীয় সার্টিফিকেটের ফাইলে আমার সেই কৃতিত্বের সার্টিফিকেটটি খুজে পেলাম। তাতে লেখা আছে

দ্বিতীয় জাতীয় বিজ্ঞান সপ্তাহ

বিজ্ঞান মেলা ‘৭৮

টাঙ্গাইল

কৃতিত্ব পত্র

টাঙ্গাইলে ২৯ শে সেপ্টেম্বর থেকে ৫ই অক্টোবর ‘৭৮ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলায় আলাউদ্দিন সিদ্দিকী কলেজের ছাত্র সাদেকুল ইসলাম বিজ্ঞান মেলায় অংশ গ্রহণ করে কৃতিত্ব প্রদর্শন করেছে।

আশা করবো তার সৃজনশীল প্রতিভা উত্তরোত্তর বিকাশ লাভ করে জাতীয় জীবনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

চেয়ারম্যান ————– সেক্রেটারি

তারিখ ৫ ই অক্টোবর

১৯৭৮

স্মৃতি কথা লিখার তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.

সার্টিফিকেটের ছবি সংযুক্ত করলাম।

মেলার কাল্পনিক ছবি একেছি ChatGPT AI Tool দিয়ে।

#sadequel #science_exhibition #nirala-mor

Journal-Tutorial

Medical Journal Writing & Publication Training Center

By Dr. Sadequel Islam Talukder

Senior Medical Journal Editor | 25+ Years of Editorial Experience


Welcome to Medical Journal Writing & Publication Training Center

Welcome to the Medical Journal Writing & Publication Training Center, a dedicated educational platform created to guide young researchers, medical students, clinicians, and early-career academicians in mastering the art and science of medical manuscript writing and scholarly publication.

With over 25 years of experience in medical journal editing, I have closely worked with thousands of manuscripts and authors. Through this platform, my goal is to share practical knowledge, editorial insights, and proven strategies to help researchers publish high-quality scientific articles in reputable medical journals.


Why This Platform Was Created

Many young researchers struggle with:

  • Choosing the right journal
  • Understanding article formats
  • Writing scientifically structured manuscripts
  • Handling peer review comments
  • Avoiding plagiarism and ethical mistakes

This learning center has been designed to simplify the publication process and provide step-by-step guidance from research planning to final publication.


What You Will Learn Here

📘 Understanding Medical Journals

You will learn about:

  • Indexed and non-indexed journals
  • Open access vs subscription journals
  • Impact factor and journal ranking
  • How to identify predatory journals
  • National and international publication standards

📝 Types of Medical Journal Articles

This platform explains in detail:

  • Original Research Articles
  • Review Articles and Systematic Reviews
  • Case Reports and Case Series
  • Short Communications
  • Editorials and Letters to the Editor
  • Clinical Images and Pictorial Essays

You will understand when and how to choose the appropriate article type for your research work.


🚀 How to Publish a Medical Journal Article

You will receive step-by-step guidance on:

  • Selecting a suitable journal
  • Preparing your manuscript according to guidelines
  • Online submission process
  • Responding to reviewer comments
  • Revising manuscripts professionally
  • Final acceptance and publication procedures

✍️ How to Write a High-Quality Medical Manuscript

This section covers detailed writing guidance on:

  • Writing effective titles and abstracts
  • Structuring Introduction, Methods, Results, and Discussion (IMRAD)
  • Presenting tables and figures
  • Writing strong conclusions
  • Proper referencing and citation management

⚖️ Ethics in Medical Publishing

You will learn about:

  • Plagiarism prevention
  • Authorship criteria
  • Duplicate publication
  • Conflict of interest
  • Research ethics and informed consent
  • Institutional Review Board (IRB) approval

Ethical publishing is essential for scientific credibility and academic integrity.


Learning Through Multimedia Resources

To make learning easier and practical, this platform is integrated with:

🎥 YouTube Video Tutorials

Step-by-step video lessons on manuscript writing, publication strategy, reviewer response techniques, and journal selection.

📘 Facebook Educational Content

Regular academic tips, illustrations, short videos, and Q&A posts to support continuous learning.

📂 Downloadable Resources

  • Manuscript templates
  • Submission checklists
  • Sample cover letters
  • Writing guides

Who Should Use This Platform

This learning center is ideal for:

  • Medical students
  • Postgraduate trainees
  • Young researchers
  • Clinicians
  • Public health professionals
  • Academic faculty members

Anyone interested in publishing scientific articles can benefit from this training platform.


My Mission

My mission is to empower young researchers with correct knowledge, ethical practices, and professional writing skills so they can contribute meaningful scientific research to the global medical community.


Get Connected

For continuous learning and updates:

🌐 Website: www.talukderbd.com
📘 Facebook Page: https://www.facebook.com/sadequel.islam.talukder

▶ YouTube Channel: https://www.youtube.com/@sadequeltalukder


👉 Explore the learning modules
👉 Watch tutorial videos
👉 Follow academic writing tips
👉 Improve your publication success

Together, let us build a strong culture of ethical and high-quality medical research publication.


Criteria of an International Journal

International Journal Standards

Guidelines for In-text Citation

Manuscript writing tutorial by Dr. Sadequel Islam Talukder in YouTube

গবেষণা প্রবন্ধে DOI (Digital Object Identifier) থাকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

একটি Active DOI আপনার গবেষণা প্রবন্ধকে দেয় স্থায়ী পরিচয়, সহজ খুঁজে পাওয়া, সঠিকভাবে উদ্ধৃতি (Citation) করার সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক গ্রহণযোগ্যতা।

DOI থাকলে আপনার গবেষণা কাজটি বিশ্বব্যাপী গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছে সহজেই পৌঁছে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষিত থাকে।

গবেষণা প্রকাশনার মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে DOI একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

✍️ ড. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

DOI Expert

ফ্রী ডিওআই?

Crossref এর Global Equitable Membership (GEM) প্রোগ্রাম উন্নয়নশীল দেশের জার্নাল, প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা সংগঠনের জন্য একটি দারুণ সুযোগ।

এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে আপনি পাবেন:

✅ Crossref সদস্যপদ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে

✅ DOI রেজিস্ট্রেশন ফি নেই

✅ Crossref-এর সকল গুরুত্বপূর্ণ সেবা ব্যবহারের সুযোগ

✅ আপনার গবেষণা ও প্রকাশনাকে বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমানতা প্রদান

বাংলাদেশসহ অনেক দেশের প্রকাশক ও জার্নালের জন্য এটি একটি সুবর্ণ সুযোগ।

আপনার জার্নাল বা প্রকাশনার জন্য DOI এবং Crossref সদস্যপদ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করতে পারেন।

Dr. Sadequel Islam Talukder

DOI Expert

📧 sadequel@yahoo.com

#DOI#Crossref#GEM#Research#AcademicPublishing#ScholarlyPublishing#JournalPublishing#BangladeshResearch#OpenScience#DigitalPublishing

Submission Guideline

মেডিকেল জার্নালে আর্টিকেল প্রকাশের জন্য ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার-এর নিকট ম্যানুস্ক্রিপ্ট পাঠানোর নির্দেশনা

১. ফাইল সাবমিশন নির্দেশনা

ম্যানুস্ক্রিপ্ট অবশ্যই একটি MS Word (.docx) ফাইলে তৈরি করে ইমেইলে এটাচ করে পাঠাতে হবে।

ফাইলের নাম নিম্নোক্ত ফরম্যাটে হবে:

Journal code–Article type–Author’s main name–Keyword

উদাহরণ:

sn-original-dulal-goitre.docx

এখানে:

sn = Shaheed Syed Nazrul Islam Medical College Journal

dj = Dinajpur Medical College Journal

jhc = Journal of Histopathology and Cytopathology

Original = আর্টিকেলের ধরন (অন্যান্য: Case Report, Review Article, Editorial ইত্যাদি)

Dulal = লেখকের নামের মূল অংশ (যেমন: Dr. Dulal Chandra Das)

Goitre = আর্টিকেলের প্রধান কীওয়ার্ড (যেমন: Incidence of Goitre in Netrokona District)

২. ফাইল সেটিংস

Page Size: A4

Margins: 1 inch (সব পাশে)

Font: Times New Roman, Size 12

Paragraph Alignment: Justified

Line Spacing: Single

প্রথম পৃষ্ঠায় যা থাকবে:

Editor-এর উদ্দেশ্যে আবেদনপত্র

আর্টিকেলের শিরোনাম

Principal author ও contact person-এর নাম

মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা

৩. সেকশন ও ফরম্যাটিং নির্দেশনা

Title: Bold, Title Case (প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হবে)

উদাহরণ: Incidence of Goitre in Netrokona District

Authors (সংক্ষিপ্ত নাম): কমার পরে superscript Arabic numeral ব্যবহার করতে হবে

উদাহরণ: Das DC¹, Islam S², Akter A³

Authors List (পূর্ণ বিবরণ):

পূর্ণ নাম

সর্বোচ্চ ডিগ্রি

পদবি

কর্মস্থল

ORCID

Principal ও Corresponding author-এর মোবাইল ও ইমেইল

Corresponding author-এর নামের আগে (*) চিহ্ন থাকবে

Headings:

সব heading হবে Bold (Sentence case)

Sub-headings হবে Italic

Citation:

Arabic numeral superscript আকারে

বাক্যের শেষে, ফুলস্টপের পরে বসবে

উদাহরণ: ……in their article.¹

Table:

টেবিলের উপরে heading থাকবে

টেবিল নম্বর Roman numeral-এ

উদাহরণ: Table IV: Frequency of…

Figure:

Figure caption ছবির নিচে থাকবে

Arabic numeral ব্যবহার হবে

উদাহরণ: Figure 2. Microscopic Picture of Colloid Goitre

Original Article-এর সেকশনসমূহ:

Title

Abbreviated Author Names

Full Author List

Abstract

Keywords

Introduction

Methods

Results

Discussion

References

Role of Each Author

৪. ম্যানুস্ক্রিপ্ট পাঠানোর নিয়ম

প্রস্তুতকৃত ম্যানুস্ক্রিপ্ট নিম্নোক্ত ইমেইলে পাঠাতে হবে:

sadequel@yahoo.com

Email Subject: ফাইলের নাম অনুযায়ী লিখতে হবে

Email Body: Editor-এর উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত আবেদনপত্র লিখতে হবে

৫. অতিরিক্ত নির্দেশনা

ম্যানুস্ক্রিপ্ট ইমেইল করার পর Editor-কে একটি SMS পাঠাতে হবে:

01711683046

(ইমেইল পাঠানো হয়েছে—এ মর্মে জানাতে হবে)

চাইলে আমি এটাকে PDF বা অফিসিয়াল নোটিশ ফরম্যাটেও সাজিয়ে দিতে পারি।ডিকেল জার্নালে আর্টিকেল প্রকাশের জন্য ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার-এর নিকট ম্যানুস্ক্রিপ্ট পাঠানোর নির্দেশনা

১. ফাইল সাবমিশন নির্দেশনা

ম্যানুস্ক্রিপ্ট অবশ্যই একটি MS Word (.docx) ফাইলে তৈরি করে ইমেইলে এটাচ করে পাঠাতে হবে।

ফাইলের নাম নিম্নোক্ত ফরম্যাটে হবে:

Journal code–Article type–Author’s main name–Keyword

উদাহরণ:

sn-original-dulal-goitre.docx

এখানে:

sn = Shaheed Syed Nazrul Islam Medical College Journal

dj = Dinajpur Medical College Journal

jhc = Journal of Histopathology and Cytopathology

Original = আর্টিকেলের ধরন (অন্যান্য: Case Report, Review Article, Editorial ইত্যাদি)

Dulal = লেখকের নামের মূল অংশ (যেমন: Dr. Dulal Chandra Das)

Goitre = আর্টিকেলের প্রধান কীওয়ার্ড (যেমন: Incidence of Goitre in Netrokona District)

২. ফাইল সেটিংস

Page Size: A4

Margins: 1 inch (সব পাশে)

Font: Times New Roman, Size 12

Paragraph Alignment: Justified

Line Spacing: Single

প্রথম পৃষ্ঠায় যা থাকবে:

Editor-এর উদ্দেশ্যে আবেদনপত্র

আর্টিকেলের শিরোনাম

Principal author ও contact person-এর নাম

মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা

৩. সেকশন ও ফরম্যাটিং নির্দেশনা

Title: Bold, Title Case (প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হবে)

উদাহরণ: Incidence of Goitre in Netrokona District

Authors (সংক্ষিপ্ত নাম): কমার পরে superscript Arabic numeral ব্যবহার করতে হবে

উদাহরণ: Das DC¹, Islam S², Akter A³

Authors List (পূর্ণ বিবরণ):

পূর্ণ নাম

সর্বোচ্চ ডিগ্রি

পদবি

কর্মস্থল

ORCID

Principal ও Corresponding author-এর মোবাইল ও ইমেইল

Corresponding author-এর নামের আগে (*) চিহ্ন থাকবে

Headings:

সব heading হবে Bold (Sentence case)

Sub-headings হবে Italic

Citation:

Arabic numeral superscript আকারে

বাক্যের শেষে, ফুলস্টপের পরে বসবে

উদাহরণ: ……in their article.¹

Table:

টেবিলের উপরে heading থাকবে

টেবিল নম্বর Roman numeral-এ

উদাহরণ: Table IV: Frequency of…

Figure:

Figure caption ছবির নিচে থাকবে

Arabic numeral ব্যবহার হবে

উদাহরণ: Figure 2. Microscopic Picture of Colloid Goitre

Original Article-এর সেকশনসমূহ:

Title

Abbreviated Author Names

Full Author List

Abstract

Keywords

Introduction

Methods

Results

Discussion

References

Role of Each Author

৪. ম্যানুস্ক্রিপ্ট পাঠানোর নিয়ম

প্রস্তুতকৃত ম্যানুস্ক্রিপ্ট নিম্নোক্ত ইমেইলে পাঠাতে হবে:

sadequel@yahoo.com

Email Subject: ফাইলের নাম অনুযায়ী লিখতে হবে

Email Body: Editor-এর উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত আবেদনপত্র লিখতে হবে

৫. অতিরিক্ত নির্দেশনা

ম্যানুস্ক্রিপ্ট ইমেইল করার পর Editor-কে একটি SMS পাঠাতে হবে:

01711683046

(ইমেইল পাঠানো হয়েছে—এ মর্মে জানাতে হবে)